সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ম্যাঞ্চেস্টারে ভারত-ইংল্যান্ড তৃতীয় টেস্ট দেখতে গিয়েছিলেন বেশ কিছু পাকিস্তানি সমর্থক। তাঁদের মধ্যে একজন ভাইরাল। পাকিস্তানের জার্সি পরে ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে হাজির হয়েছিলেন বলে সেই সমর্থককে তা ঢেকে রাখার কথা বলে পুলিশ। যা নিয়ে তর্কাতর্কিও শুরু হয়। পরে তাঁকে স্টেডিয়াম থেকে বার করে দেওয়া হয়। কেন ওই সমর্থককে মাঠ থেকে বার করে দেওয়া হয়েছিল, তার জবাব দিয়েছে মাঠ কর্তৃপক্ষ।
ল্যাঙ্কাশায়ার কাউন্টি কর্তৃপক্ষ বলেছে, “একটা বিষয় আমরা স্পষ্টভাবে জানাতে চাই, পাকিস্তানের জার্সি পরে ছিলেন বলে তাঁকে বার করে দেওয়া হয়নি। বেশ কয়েকজন পাক সমর্থক তাঁদের দেশের পতাকা নিয়ে হাজির হয়েছিলেন। গ্যালারিতে ভারতীয় সমর্থকরাও ছিলেন। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হতে পারত। তাই আমরা তাঁদের বলি, পতাকা না নাড়াতে। তাঁরা তো আমাদের অনুরোধ মেনেও নিয়েছিলেন।”
ফারুখ নজর নামের ওই সমর্থক একটা ভিডিও পোস্ট করেছিলেন। তাতে দেখা গিয়েছে, এক পুলিশ অফিসার ওই সমর্থককে জার্সি ঢেকে রাখার নির্দেশ দিচ্ছেন। শোনা যায়, ওই সমর্থক বলছেন তাঁকে লিখিতভাবে জানাতে হবে। খানিক পর আরও কিছু পুলিশ এসে তাঁরাও একই অনুরোধ করেন। এতে রেগে যান ওই সমর্থক। তাঁকে বলতে শোনা যায়, “আমাকে জার্সি ঢেকে রাখতে বলা হয়েছে। আমি তাদের লিখিতভাবে এই নির্দেশ দেওয়ার কথা বলেছি।”
ল্যাঙ্কাশায়ারের দাবি, তাঁদের কথা শোনেননি ফারুখ। তাদের মন্তব্য, “দর্শক সুরক্ষার বিষয় নিয়েই আমরা ভেবেছি। সেই কারণেই তাঁকে জার্সি ঢেকে ফেলার কথা বলা হয়েছিল। বারবার অনুরোধ করলেও তিনি রাজি হননি। তাই স্টেডিয়াম থেকে বেরিয়ে যেতে বলা হয়। শেষমেশ নিরাপত্তারক্ষীদের সঙ্গে স্টেডিয়াম ছাড়েন তিনি।”
উল্লেখ্য, মাঠে উপস্থিত পুলিশ জানিয়েছিল, ওল্ড ট্র্যাফোর্ডের নিয়ম হল কেবল অংশগ্রহণকারী দুই দেশের জার্সি পরেই হাজির থাকতে হবে। সেই কারণেই জার্সি ঢেকে রাখার অনুরোধ করা হয়েছে। যদিও এতে সংশ্লিষ্ট ওই ব্যক্তির পুলিশের সঙ্গে তর্কাতর্কি থামেনি। কিছুক্ষণের মধ্যেই তাঁকে বাইরে নিয়ে যাওয়া হয়। খেলা দেখতে গেলে নিয়ম মানতেই হবে। নিয়মের ঊর্ধ্বে তো কেউ নন। এ কথাই ওই ব্যক্তিক্র স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন নেটিজেনরাও।
সর্বশেষ খবর
-
প্লাস্টিকের কৃত্রিম পায়েই পুনর্জন্ম! ছৌ নাচে দুর্গার ভূমিকায় দুর্দান্ত ‘জীবনজয়ী’ অক্ষয়
-
২১ হাজারি ফোনের প্রথম ইএমআই দিতে ব্যর্থ, ব্লাড ব্যাঙ্কে নিয়ে গিয়ে যুবকের রক্ত বেচল দোকান মালিক!
-
বাড়ি ভাড়া ৭০ হাজার, সামনে বিশাল বস্তি! মুম্বইয়ের কঠিন বাস্তবের মুখোমুখি টেলি অভিনেত্রী
-
বহুত্বকে সংকুচিত করে ‘আমিষ বনাম নিরামিষ’-এর লড়াই আসলে বাংলার নিজস্ব ইতিহাসকেই অস্বীকার করা
-
দিনে ২ কোটি টাকা আয়! ‘ব্র্যান্ড’ বৈভবের আড়ালে ক্ষতি হচ্ছে না তো কিশোর প্রতিভার?