ফের এক লাস্যময়ীর ছবিতে লাভ রিয়্যাক্ট! আবারও নেটদুনিয়ায় হইচই ফেলে দিলেন বিরাট কোহলি (Virat Kohli)। বৃহস্পতিবার রাতে আচমকাই দেখা যায়, এক জার্মান ইনফ্লুয়েন্সারের পোস্টে লাভ দিয়েছেন তারকা ক্রিকেটার। বছরখানেক আগে অভনীত কৌর নামে এক সুন্দরীর ছবিতে লাভ দিয়েছিলেন। সেই নিয়েও বিস্তর জলঘোলা হয়েছিল। আবারও লাস্যময়ীর ছবিতে লাইক করে বিপাকে পড়লেন কিং কোহলি।
বৃহস্পতিবার রাত থেকে নেটদুনিয়ায় হু হু করে ছড়িয়ে পড়ে একটি স্ক্রিনশট। সেখানে দেখা যাচ্ছে, দক্ষিণ আফ্রিকান-জার্মান সুন্দরী লিজলাজের একটি ছবিতে ৩৭ হাজারেরও বেশি মানুষ লাইক করেছেন। সেই লাইকের ভিড়ে জ্বলজ্বল করছে বিরাটের নামও। উল্লেখ্য, ৩০ জানুয়ারি ছবিটি ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করা হয়েছিল। বিরাট এই ছবিটি কবে লাইক করেছেন, তা অবশ্য স্পষ্ট নয়। কিন্তু গোটা বিষয়টি প্রকাশ্যে এসেছে বৃহস্পতিবার। সেই নিয়ে নেটপাড়া উত্তাল।
আরও পড়ুন:
নেটিজেনদের অনেকে বলছেন, বাবার ফোন নিয়ে এই কাণ্ডটা ঘটিয়েছে বিরাটপুত্র অকায়। আবার কারোর মশকরা, ‘সুন্দরীদের দিকে তাকালেও অপরাধ’। অনেকে আবার বলছেন, ‘অনুষ্কা বউদি কিন্তু খুব রেগে যাবেন।’ কেউ বিরাটকে পরামর্শ দিচ্ছেন, ‘একটা প্রাইভেট অ্যাকাউন্ট খুলে ফেলুন। ওখান থেকে এসব লাইক দিলে সমস্যা হবে না।’ গোটা বিষয়টি নিয়ে বিরাট এখনও পর্যন্ত বিরাট মুখ খোলেননি।
উল্লেখ্য, গতবছর স্ত্রী অনুষ্কা শর্মার জন্মদিনে আবেগঘন পোস্ট করেছিলেন কোহলি। তারপরই দেখা যায়, অভনীতের একটি স্বল্পবসনা ছবিতে ‘লাভ’ দিয়ে বসে আছেন তিনি। সেই নিয়ে তুমুল চর্চা শুরু হয় নেটদুনিয়ায়। কেন স্বল্পবসনার ছবিতে লাইক দিয়েছেন, প্রশ্নবাণে জর্জরিত হন কোহলি। পরে বলেন, ‘যখন আমি আমার ফিড পরিষ্কার করছিলাম, তখন হয়তো অ্যালগোরিদমের জন্য ভুল করে কোনও ঘটনা ঘটেছে। এর পিছনে আমার কোনও বিশেষ উদ্দেশ্য ছিল না। আমি সকলকে অনুরোধ করছি, এই নিয়ে অকারণে কোনও চর্চা না হোক। বিষয়টা বোঝার জন্য সবাইকে ধন্যবাদ।’ কিন্তু বছর ঘুরতে না ঘুরতেই আবার একই কাণ্ড! এবার কাকে ‘দোষ’ দেবেন বিরাট?
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
ঝড়ের তাণ্ডবে বেসামাল ডিঙি, ভাগীরথীতে তলিয়ে মৃত্যু মহিলার
-
‘পনেরো জন তালিবান, আমি একা মেয়ে!’ আফগানিস্তানের সোলো ট্রিপে আশ্চর্য অভিজ্ঞতা ইনফ্লুয়েন্সারের
-
এআই দিয়ে মায়ের ছবি বিকৃত করে ব্ল্যাকমেল! অন্ডালে রহস্যমৃত্যু কিশোরের
-
যুদ্ধ থামাতে ট্রাম্পের দ্বারস্থ জেলেনস্কি, তার মধ্যেই মস্কোর তৈল শোধনাগার উড়িয়ে দিল ইউক্রেন
-
শকুন্তলাকে স্পেশাল হোমগার্ডের চাকরি দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু রাজ্যের, সুদিন ফেরার আশায় পরিবার