Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ১৭ জুলাই ২০২৬
Vinod Kambli

‘মাতাল হবেন না’, হাসপাতালের বিছানায় শুয়েই বড়দিনের পরামর্শ কাম্বলির

'শচীন সবসময় আমার জন্য প্রার্থনা করে', দ্রুত সুস্থ হওয়ার অঙ্গীকার ভারতের প্রাক্তন ক্রিকেটারের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ২৪, ২০২৪, ১৮:৩১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ২৪, ২০২৪, ১৮:৩১

options
link
‘মাতাল হবেন না’, হাসপাতালের বিছানায় শুয়েই বড়দিনের পরামর্শ কাম্বলির zoom
ফাইল ছবি

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ভালো আছেন বিনোদ কাম্বলি (Vinod Kambli)। হাসপাতালের বিছানায় শুয়ে গান ধরলেন প্রাক্তন তারকা ক্রিকেটার। গাইলেন ‘উই আর দ্য চ্যাম্পিয়ন’। তারপরই বড়দিন নিয়ে সকলকে পরামর্শ, ‘মাতাল হবেন না’।

গত শনিবার আচমকা অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন বিনোদ কাম্বলি। ডাক্তাররা জানাচ্ছেন, কাম্বলির মস্তিষ্কে রক্ত জমাট বেঁধেছে। থানের একটি বেসরকারি হাসপাতালে তাঁর চিকিৎসা চলছে। ওই হাসপাতালের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, কাম্বলির আজীবনের চিকিৎসা বিনামূল্যে করা হবে। প্রথমে প্রস্রাবের সংক্রমণে সমস্যার জন্য হাসপাতালে ভর্তি হন প্রাক্তন ক্রিকেটার। তারপর কাম্বলির শারীরিক অবস্থা নিয়ে একাধিক পরীক্ষা হয়। তখনই ধরা পড়ে, তাঁর মস্তিষ্কে রক্ত জমাট বেঁধে আছে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

তবে এখন অনেকটাই সুস্থ কাম্বলি। হাসপাতালের বিছানায় গান ধরলেন তিনি। কষ্ট হচ্ছে ঠিকই, তবে স্পিরিটের অভাব নেই। ভারতের প্রাক্তন ক্রিকেটার গাইলেন ‘উই আর দ্য চ্যাম্পিয়ন’। তারপর তিনি বলেন, “আগের থেকে কিছুটা ভালো আছি। আমি কখনও হাল ছাড়িনি। কখনও হাল ছাড়ব না। কত সেঞ্চুরি, ডবল সেঞ্চুরি করেছি। এখনকার প্রজন্ম তো সেসব দেখেনি।”

রাত পোহালেই বড়দিন। তার জন্য ভক্তদের শুভেচ্ছা পাঠিয়েছেন কাম্বলি। সেই সঙ্গে পরামর্শও দিয়েছেন। তিনি বলছেন, “জীবন উপভোগ করুন। তবে সংযমী হন। মাথার ব্যবহার করুন। বড়দিনে মাতাল হবেন না। বাড়ির সবাই সেটা পছন্দ করবে না।” উল্লেখ্য, কাম্বলির বিরুদ্ধে মদ্যপান ও উচ্ছৃঙ্খল জীবনযাপনের অভিযোগ বারবার উঠেছে।

এর আগে ২০১৩ সালে দুবার অস্ত্রোপচার হয় কাম্বলির। তখন চিকিৎসার ব্যয়ভার বহন করেছিলেন শচীন তেণ্ডুলকর। পুরনো বন্ধুকে নিয়ে কাম্বলি বলছেন, “শচীন সবসময় আমার জন্য প্রার্থনা করে। আচরেকর স্যরের আশীর্বাদ আমাদের উপর আছে।” সেই সঙ্গে কাম্বলি আত্মবিশ্বাসী, দুদিনের মধ্যেই সুস্থ হয়ে যাবেন। তবে তাঁর ঘনিষ্ঠ বন্ধু মার্কাস কৌতোর পরামর্শ, অন্তত একমাস হাসপাতালে থাকা উচিত কাম্বলির।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.