Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ১৩ জুন ২০২৬
Vaibhav Suryavanshi

এক সূর্যের স্মৃতি ফেরাল আরেক সূর্য! বাংলাদেশের বিরুদ্ধে নজরকাড়া ক্যাচ নিয়ে চর্চায় বৈভব 

যুব বিশ্বকাপের মঞ্চে অনবদ্য ক্যাচ নিয়ে সূর্যের স্মৃতি ফেরাল অন্য সূর্য। একটা ক্যাচ ম্যাচের রং যে বদলে দিতে পারে, তা প্রমাণিত হল আবার।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১৮, ২০২৬, ১৭:৩১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১৮, ২০২৬, ১৭:৩১

options
link
এক সূর্যের স্মৃতি ফেরাল আরেক সূর্য! বাংলাদেশের বিরুদ্ধে নজরকাড়া ক্যাচ নিয়ে চর্চায় বৈভব  zoom

দু’জনেই সূর্য। একজন সূর্যকুমার যাদব। আরেকজন বৈভব সূর্যবংশী (Vaibhav Suryavanshi)। যুব বিশ্বকাপের মঞ্চে অনবদ্য ক্যাচ নিয়ে সূর্যের স্মৃতি ফেরাল অন্য সূর্য। একটা ক্যাচ ম্যাচের রং যে বদলে দিতে পারে, তা প্রমাণিত হল আবার। অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে ডাকওয়ার্থ লুইস নিয়মে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ১৮ রানে জয় পেয়েছে টিম ইন্ডিয়া। তবে ম্যাচ শেষে আলোচনায় বৈভব সূর্যবংশীর ক্যাচ। ব্যাটে ৭২ রানের ঝকঝকে ইনিংসের পর দুর্দান্ত ক্যাচ নিয়ে সূর্যকুমার যাদবের স্মৃতি ফিরিয়েছে ১৪ বছর বয়সি বিস্ময় প্রতিভা। অনন্য সেই ক্যাচের ভিডিও সোশাল মিডিয়ায় ভাইরাল। 

বাংলাদেশের ইনিংসের ২৬তম ওভার। বিহান মালহোত্রার বলে তুলে মারেন মহম্মদ সামিউন বসির রাতুল। একটা সময় মনে হচ্ছিল বল বাউন্ডারি লাইনের সীমা পেরিয়ে যাবে। তখন ডিপ লং অফে ফিল্ডিং করছিল বৈভব। হাওয়ায় থাকা বল অসাধারণ জাজ করে ক্যাচ ধরে সে। তবে প্রথমে ঠিকমতো নিয়ন্ত্রণ রাখতে পারেনি। তৎক্ষণাৎ বলটি হাওয়ায় ছুড়ে দিয়ে নিজে চলে যায় বাউন্ডারি লাইনের বাইরে। এরপর অতি দ্রুত মাঠে ফিরে তালুবন্দি করে বল। ক্যাচটি নিশ্চিত কি না বুঝতে তৃতীয় আম্পায়ারের সহায়তা চাওয়া হয়। তিনি সামিউনকে আউট ঘোষণা করেন।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

২০২৪ সালের ২৯ জুন। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ফাইনাল। বিশ্বজয় আর ভারতের মাঝে সেদিন দাঁড়িয়েছিলেন ডেভিড মিলার। এক ওভারে মাত্র ১৬ রান পুঁজি। মিলারের মতো ব্যাটারের পক্ষে যা মোটেই অসম্ভব ছিল না। হার্দিক পাণ্ডিয়ার প্রথম বলই শূন্যে ভাসিয়ে দিলেন বাঁ-হাতি প্রোটিয়া ব্যাটার। বল ছুটল বাউন্ডারির দিকে। ছুটলেন আরেকজন সূর্যকুমার যাদব। লং অন থেকে বাউন্ডারির দিকে। বল লুফে নিলেন বটে, কিন্তু নিজের গতি নিয়ন্ত্রণ করবেন কীভাবে! একচুল এদিক-ওদিক হলেই তো উইকেটের বদলে স্কোরবোর্ডে লেখা হবে ছক্কা। সেই সঙ্গে সম্ভবত ট্রফিতেও লিখে ফেলা হবে দক্ষিণ আফ্রিকার নাম। কিন্তু সূর্য একচুলও এদিক-ওদিক হলেন না। নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করলেন। বাউন্ডারির বাইরে বেরিয়ে যাওয়ার আগে বল উড়িয়ে দিলেন। সীমানার ভিতরে প্রত্যাবর্তন করে ফের লুফে নিলেন সেই বল। মুহূর্ত যেন থেমে গেল। ওই মুহূর্তেই যেন ট্রফিতে লেখা হল ভারতের নাম। নেটিজেনরা সূর্যের সেই অবিস্মরণীয় ক্যাচের সঙ্গে মিল খুঁজে পেয়েছেন বৈভবের ক্যাচের। তাঁরা বিহারের তারকা ক্রিকেটারের প্রশংসায় পঞ্চমুখ।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

বৈভবের ক্যাচটিকেই টার্নিং পয়েন্ট বলে মনে করা হচ্ছে। কারণ সেই সময় বাংলাদেশের জয়ের জন্য দরকার ছিল মাত্র ৩৬ রান। সামিউন ফিরতেই ধস নামে বাংলাদেশের ইনিংসে। আরও একবার ২২ গজের লড়াইয়ে পদ্মাপাড়ের দেশকে হারাল ভারত। দু’দেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক এখন তলানিতে। একই অবস্থা ক্রিকেটীয় সম্পর্কেরও। মুস্তাফিজুর বিতর্ক এবং বাংলাদেশের ভারতে খেলতে আসতে না চাওয়া দু’দেশের মধ্যে উত্তেজনা আরও বাড়িয়েছে। শনিবার সেই উত্তেজনায় নয়া মাত্রা যোগ করে, দু’দেশের ক্রিকেটাররা একে অপরের সঙ্গে করমর্দন না করায়। এই পরিস্থিতিতে ছোটদের এই মেগা লড়াইয়ে নজর ছিল দু’দেশের ক্রিকেটপ্রেমীদেরই। আর সেই লড়াইয়ে আবারও শেষ হাসি হাসল ভারত। যদিও ম্যাচের পর দু’দেশের ক্রিকেটরা করমর্দন করে।

 
 
 
 
 
View this post on Instagram
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 

A post shared by ICC (@icc)

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.