Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৯ আষাঢ় ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৫ জুলাই ২০২৬
Team India

বৈভবের অভিষেকেও এল না জয়, ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে সিরিজে পিছিয়ে পড়ল ভারত

প্রথম ওভারে জোড়া উইকেট হারিয়েও জিতল ইংল্যান্ড। অধিনায়ক হিসাবে হারের হ্যাটট্রিক করলেন শ্রেয়স।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৪, ২০২৬, ২২:৫৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৪, ২০২৬, ২২:৫৮

options
link
বৈভবের অভিষেকেও এল না জয়, ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে সিরিজে পিছিয়ে পড়ল ভারত zoom
অভিষেক সুখকর হল না বৈভবের। ছবি সংগৃহীত।

ভারত: ১৯০/৭ (ঈশান কিষান ৪৯, অভিষেক ৪৩, স্যাম কারেন ৩৩/৩)
ইংল্যান্ড: ১৯১/৬ (বেথেল ৭৬*, ব্রুক ৩৯, অর্শদীপ ৪০/৩)
৪ উইকেটে জয়ী ইংল্যান্ড।

সবার নজর ছিল বৈভব সূর্যবংশীর দিকে। দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক হল এই তরুণ ওপেনারের। তবে প্রথম ম্যাচে বড় ইনিংস খেলতে পারল না বাঁহাতি তারকা। তবে অভিষেক শর্মা, ঈশান কিষানের লড়াকু ইনিংসে ভারত তুলল ১৯০ রান। জবাবে প্রথম ওভারে জোড়া উইকেট খোয়ালেও জ্যাকব বেথেলের দুরন্ত ইনিংসের সৌজন্যে শেষ হাসি হাসে ইংল্যান্ড। অধিনায়ক হিসাবে হারের হ্যাটট্রিকের সাক্ষী থাকলেন শ্রেয়স আইয়ার। 

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

শনিবার ওল্ড ট্রাফোর্ডে টসে জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন ভারতীয় অধিনায়ক শ্রেয়স আইয়ার। ওপেনিং জুটিতে অভিষেক শর্মার সঙ্গে নামে বৈভব। পাওয়ার প্লেতে ভারত দ্রুত রান তুললেও উইল জ্যাকসের বলে ১০ বলে ১৪ রান করে স্টাম্প আউট হয়ে সাজঘরে ফেরে ১৫ বছরের তারকা। যদিও জফ্রা আর্চার ও জশ টাংকে বিরাট ছক্কা হাঁকিয়ে নিজের প্রতিভার ঝলক দেখিয়েছে সে। বৈভব আউট হলেও অন্য প্রান্তে আগ্রাসী ব্যাটিংয়ে ২৪ বলে ৪৩ রান করেন অভিষেক শর্মা। তাঁর ইনিংসে ছিল ৮টি চার ও ১টি ছক্কা।

এরপর ঈশান কিষান ও শ্রেয়স আইয়ার ইনিংসকে এগিয়ে নিয়ে যান। অধিনায়ক শ্রেয়স ২২ বলে ৩৭ রানের কার্যকর ইনিংস খেলেন। হাফসেঞ্চুরি থেকে মাত্র এক রান দূরে থামেন ঈশান। টি-টোয়েন্টি ক্রমতালিকার নম্বর ওয়ান ব্যাটারের সংগ্রহ ৪০ বলে ৪৯। শেষ দিকে তিলক বর্মা ১১ বলে ২৪ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলেন। ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ১৯০ রান তোলে ভারত। ইংল্যান্ডের হয়ে সবচেয়ে সফল বোলার স্যাম কারেন। তিন উইকেট তাঁর নামে।

জবাবে ব্যাট করতে নেমে প্রথম বলেই ফিল সল্টের উইকেট খোয়ায় ইংল্যান্ড। অর্শদীপ সিংয়ের সেই ওভারের পঞ্চম বলে ফেরেন জস বাটলার। দুই ইংরেজ ব্যাটারই রানের খাতা না খুলতে পারেননি। এরপর হ্যারি ব্রুক এবং জ্যাকব বেথেল ইংল্যান্ড ইনিংস সামলানোর চেষ্টা করেন। বিশেষ করে ব্রুক ছিলেন তুরীয় মেজাজে। ভয়ানক হয়ে ওঠা ইংরেজ অধিনায়কের উইকেট পান অক্ষর প্যাটেল। ১৫ বলে ৩৯ করে সাজঘরের পথে হাঁটা লাগান তিনি। এরপর বেথেল এবং টম ব্যান্টনের জুটিতে ওঠে ১১৭ রান।

ঠিক যখন মনে হচ্ছিল ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নিয়ে নিচ্ছে ইংল্যান্ড, তখনই অর্শদীপ সিংয়ের আঘাত। ৩৯ রানে থামে টম ব্যান্টনের ইনিংস। বরুণ চক্রবর্তীর স্পিন বুঝতে না পেরে মাত্র ৯ রানে ফেরেন উইল জ্যাকস। এরপর বলা চলে ইংল্যান্ডকে কার্যত ম্যাচ ‘উপহার’ দেন রবি বিষ্ণোই। তাঁর একাধিক নো-বলের মাশুল গুনতে হয় ভারতকে। ফ্রি হিটে ছক্কা মারার সুযোগ হারায়নি ইংল্যান্ড। বিষ্ণোই দেন ৪ ওভারে বিনা উইকেটে ৬০ রান। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ভারতের বিরুদ্ধে সেঞ্চুরি করেও দলকে জেতাতে পারেননি বেথেল। তবে এদিন সেই আক্ষেপ ঘুচিয়ে ৪৬ বলে ৭৬ রান অপরাজিত থাকেন। অনবদ্য এই ইনিংসের সুবাদে এক ওভার হাতে রেখেই চার উইকেটের জিতে সিরিজে এগিয়ে যায় ইংল্যান্ড। টানা দু’বারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপজয়ী ভারতের এহেন পারফরম্যান্স স্বাভাবিকভাবেই কোচ গৌতম গম্ভীরের চিন্তা বাড়াবে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.