Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৯ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ২৭ আগস্ট ২০২৬
Team India

ভারতের হাত থেকে বেরিয়ে যাচ্ছে টেস্ট! সারাংশের ‘নিষ্প্রাণ’ বোলিং নিয়ে চিন্তায় শুভমানরা

ডানহাতি স্পিনার প্রত্যাশামতো বল করতে পারেননি। চোখে পড়েছে কিছু খামতিও। সঙ্গে অন্য বোলাররাও ম্রিয়মাণ।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৭, ২০২৬, ১২:৪৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৭, ২০২৬, ১২:৪৭

options
link
ভারতের হাত থেকে বেরিয়ে যাচ্ছে টেস্ট! সারাংশের ‘নিষ্প্রাণ’ বোলিং নিয়ে চিন্তায় শুভমানরা zoom
সারাংশকে নিয়ে চিন্তায় ভারত।
Advertisement

কলম্বো টেস্টে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক হয়েছে ভারতীয় অলরাউন্ডার সারাংশ জৈনের। অভিষেকেই বল হাতে নজর কেড়েছেন। প্রথম ইনিংসে নিয়েছেন দু’টি উইকেট। দ্বিতীয় ইনিংসে একটি উইকেট তাঁর ঝুলিতে। তবে শ্রীলঙ্কা ২১৮/৬ হয়ে যাওয়ার পর ডানহাতি স্পিনার প্রত্যাশামতো বল করতে পারেননি। চোখে পড়েছে কিছু খামতিও। সঙ্গে অন্য বোলাররাও ম্রিয়মাণ। ফলে লাঞ্চে যাওয়ার আগে লড়াইয়ে ফিরেছে শ্রীলঙ্কা।

টেস্টের তৃতীয় দিনে সারাংশকে দেখা গিয়েছিল বেশ জোরে বল করতে। ফলে পিচ থেকে প্রত্যাশিত টার্ন পাচ্ছিলেন না ডানহাতি এই স্পিনার। সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে রান তুলতে শুরু করেন শ্রীলঙ্কার ব্যাটারেরা। কিন্তু চতুর্থ দিনে ছবিটা বদলে দেন সারাংশ নিজেই। গতি কিছুটা কমিয়ে লেন্থ এগিয়ে আনেন। তাতেই পিচ থেকে মিলতে শুরু করে টার্ন। আসে সাফল্যও। প্রথম ইনিংসে দু’টি উইকেট নেওয়ার পর দ্বিতীয় ইনিংসেও উইকেট তুলে নিয়ে নিজের কার্যকারিতা প্রমাণ করেন।

Advertisement

তবে সমস্যা অন্য জায়গায়। এখনও পর্যন্ত এই টেস্টে মোট ছ’টি নো বল করেছেন সারাংশ। প্রথম ইনিংসে দু’টি। দ্বিতীয় ইনিংসে চারটি। একজন স্পিনারের জন্য এক টেস্টে এত নো বল নিঃসন্দেহে ভাবনার বিষয়। বিশেষ করে রান-আপ নিয়ে প্রশ্ন উঠতেই পারে। ভারতের স্পিন বোলিং কোচ সাইরাজ বাহুতুলেও বিষয়টি মেনে নিয়েছেন। তাঁর কথায়, “চাপ থাকবেই। প্রথম টেস্ট খেলতে নামলে ঘরোয়া ম্যাচের মতো এতটা স্বচ্ছন্দ থাকা যায় না। তবে প্রথম ইনিংসে কিছু সিদ্ধান্ত ওর পক্ষে যায়নি। শুরুতে উইকেটও পায়নি। তার পরেও সারাংশ যেভাবে মানসিক দৃঢ়তা দেখিয়েছে, তা প্রশংসনীয়।”

বাহুতুলের সংযোজন, “সারাংশ একটু আলাদা ধরনের বোলার। ও সাধারণ স্পিনারদের মতো বলকে উপর থেকে ঘোরানোর চেয়ে পাশ থেকে বেশি ঘোরাতে পারে। এতে বল বাতাসে কিছুটা বাঁক খায়।” বাহুতুলের মতে, সারাংশের গতি এবং বল করার ধরনই তাঁকে অন্যদের থেকে আলাদা করে। তিনি বলেন, “ও নিচু গতিপথে বল করে এবং ঘণ্টায় ৮০ থেকে ৮৫ কিলোমিটার গতিতে বল করে। এই বৈশিষ্ট্যই ওকে অন্যদের থেকে আলাদা করে। জাদেজা ও মানবের সঙ্গে সারাংশ দলে থাকায় ভারতের বোলিংয়ে বাড়তি বৈচিত্র্য এসেছে।” অভিষেকের চাপ সামলেও সারাংশের মানসিক দৃঢ়তায় মুগ্ধ বাহুতুলে।

তাঁর সংযোজন, “আমার মনে হয়, সারাংশ দুর্দান্ত চেষ্টা করেছে। ওকে যে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল, সেটা ও নিজের সেরাটা দিয়ে পালন করেছে। যখনই সুযোগ পেয়েছে, উইকেট তুলে নিয়ে আমাদের আবার ম্যাচে ফিরিয়েছে।” তবে ঘটনাচক্রে পঞ্চম দিনে উইকেটে জাঁকিয়ে বসেছেন সোনাল দিনুশা (৫৫) এবং কেশারা নুওয়ান্থা (৪৬)। শ্রীলঙ্কার রান ৬ উইকেটে ৩২৯। এগিয়ে ১১৬ রানে। অনেকেই ভেবেছিলেন, শেষ দিনে ভারতের টেস্ট জয় স্রেফ সময়ের অপেক্ষা। কিন্তু তাঁদের ভুল প্রমাণ করেছে লঙ্কান দুই ব্যাটার। এই টেস্ট জিততে না পারলে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ ফাইনালের অঙ্ক আরও কঠিন হবে ভারতের জন্য। তাই দ্রুত উইকেট চাই ভারতের।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.