Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১১ ভাদ্র ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ২৯ আগস্ট ২০২৬
BCCI

স্পনসরের আকালে গিল-শ্রেয়সরা! ডেডলাইনের দু’সপ্তাহ পরেও খালি হাত বোর্ডের, কেন এই দুরবস্থা?

কোটি কোটি টাকার সংস্থা বিসিসিআই। কিন্তু নতুন স্পনসর পেতে অবস্থা খারাপ।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৮, ২০২৬, ২১:২৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৮, ২০২৬, ২১:২৬

options
link
স্পনসরের আকালে গিল-শ্রেয়সরা! ডেডলাইনের দু’সপ্তাহ পরেও খালি হাত বোর্ডের, কেন এই দুরবস্থা? zoom
শ্রীলঙ্কায় টেস্ট সিরিজ জয়ের পর টিম ইন্ডিয়া। ছবি: এক্স
Advertisement

কোটি কোটি টাকার সংস্থা বিসিসিআই (BCCI)। কিন্তু নতুন স্পনসর পেতে অবস্থা খারাপ। বর্তমানে একটি টায়ার প্রস্তুতকারক সংস্থা শুভমান গিল, শ্রেয়স আইয়ারদের জার্সির মূল স্পনসর। কিন্তু বিসিসিআই নিজস্ব স্পনসর খুঁজছে। হোম সিরিজে যার নাম থাকবে। তার সন্ধান পাচ্ছে না বিসিসিআই। চূড়ান্ত সময়সীমার দু’সপ্তাহ পার হয়ে গেলেও কেউ এগিয়ে আসেনি। অতীতে দেখা গিয়েছে, যে সংস্থা ভারতীয় দলের স্পনসর হয়েছে, তাদের ‘লালবাতি’ চলেছে। বর্তমানে বোর্ডের কেন এই অবস্থা?

আগে একটি ব্যাঙ্ক ছিল বোর্ডের টাইটেল স্পনসর। কোনও হোম সিরিজের আগে সেই সংস্থার নাম থাকত। যেমন, ‘আইডিএফসি ফার্স্ট ব্যাঙ্ক’ অমুক সিরিজ। সেরকম নতুন স্পনসরের জন্য ইতিমধ্যে বোর্ডের থেকে গুগল জেমিনি, এসবিআই লাইফ, আইডিএফসি ফার্স্ট ব্যাঙ্ক এবং স্পিনি-সহ বেশ কয়েকটি সংস্থার সঙ্গে কথা বলেছে। কিন্তু বোর্ডের নিয়মনীতির জন্য কিছু সমস্যাও আছে। এর আগে মদ, তামাকপ্রস্তুত কারক বা বেটিং সংস্থার স্পনসরের ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা চাপিয়েছিল বিসিসিআই। যে কারণে ‘ড্রিম ১১’র সঙ্গে চুক্তি বাতিল করতে হয়।

Advertisement

এবার টায়ার, রং ও ক্রীড়া সামগ্রী প্রস্তুতকারী সংস্থাকেও নিলাম প্রক্রিয়া থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। যাতে বর্তমান স্পনসর অ্যাপোলো টায়ার্স, অ্যাডিডাস ও এশিয়ান পেইন্টসের অধিকার বজায় থাকে। সেই কারণে এমআরএফ, সিইএটি, বার্জার পেইন্টস, জেএসডব্লিউ পেইন্টস, নাইকি, পুমা এবং ডেকাথলনের মতো কোম্পানিগুলো বর্তমান টেন্ডার নিয়ম অনুযায়ী দরপত্র জমা দেওয়ার যোগ্য নয়। এছাড়া টেন্ডারে দর হাঁকা সংস্থাগুলোর উপর কিছু আর্থিক শর্ত চাপানো হয়েছে। সেই হিসেবে একটি কোম্পানির বিগত তিন বছরে গড় টার্নওভার কমপক্ষে ১০০ কোটি টাকা হতে হবে। কোনও কনসোর্টিয়াম গ্রহণ করা হবে না।

বিসিসিআই ভারতীয় পুরুষ দলের প্রায় ৩৫টি ম্যাচকে চার্জযোগ্য বলে ধরছে। ২০২৮-র মার্চ পর্যন্ত চুক্তিতে প্রতি ম্যাচের জন্য ৪.৮৫ কোটি টাকা ধরা হয়েছে। এই ম্যাচগুলোর মধ্যে দেশের মাটিতে ভারতের আন্তর্জাতিক সিরিজ ও ইভেন্টগুলো অন্তর্ভুক্ত থাকবে। তবে ঘরোয়া ম্যাচ, এসিসি ও আইসিসি ইভেন্ট এবং সিনিয়র মহিলা দলের আন্তর্জাতিক ম্যাচগুলো এর বাইরে থাকবে।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.