টি-২০ বিশ্বকাপে ভারতের বিরুদ্ধ ম্যাচ। হাজার হাজার দর্শকের সামনে খেলার সুযোগ। রাতের কৃত্রিম আলোর মায়াবী অভিজ্ঞতা। আইসিসির যে কোনও অ্যাসোসিয়েট দেশের জন্য এসব স্বপ্নের মতো। কিন্তু সেই স্বপ্নকেই অভিশাপ হিসাবে দেখছে বৃহস্পতিবারের ম্যাচে ভারতের প্রতিপক্ষ নামিবিয়া। সে দেশের অধিনায়ক বলছেন, ওই ম্যাচে অন্যায়ভাবে বাড়তি সুবিধা দেওয়া হচ্ছে ভারতকে। রাতের ম্যাচের প্রস্তুতিতে নৈশালোকে অনুশীলনের সুযোগই দেওয়া হয়নি তাঁদের।
এই বিষয়ে আরও খবর
নামিবিয়ার অধিনায়ক জেরার্ড ইরাসমাস বুধবার আইসিসিকে নিশানা করে অভিযোগ করেছেন, তাঁর দলকে রাতে অনুশীলন করার কোনও সুযোগ দেওয়া হয়নি। দিল্লির অরুণ জেটলি স্টেডিয়ামে ভারত পরপর দু’দিন রাতে ফ্লাডলাইট জ্বেলে অনুশীলনের সুযোগ পেয়েছে। কিন্তু নামিবিয়া সেটা পায়নি। ভারতের পাশাপাশি কানাডাকেও (আপাতত কানাডার কোনও ম্যাচ রাতে নেই) রাতে অনুশীলনের সুযোগ দেওয়া হয়েছে। বঞ্চিত শুধু নামিবিয়া। এরাসমাস বলছেন, “জানি না কেন, ম্যাচের আগে এক দিনও রাতে অনুশীলন করার সুযোগ পাইনি। অথচ ভারতকে দু’বার রাতে অনুশীলনের সুযোগ দেওয়া হয়েছে। এ বার আপনারা যা বোঝার বুঝে নিন।”
আসলে নামিবিয়ার এই দলটার রাতে খেলার অভিজ্ঞতা নেই। নিজেদের দেশের মাটিতে কোনও স্টেডিয়ামে ফ্লাডলাইট নেই। বড় দলগুলির সঙ্গে সেভাবে সিরিজও হয় না। নামিবিয়ার যে সব ক্রিকেটাররা নেপাল প্রিমিয়ার লিগ বা আইএল টি-টোয়েন্টিতে খেলেন বা অতীতে বিশ্বকাপ খেলেছেন শুধু তাঁদেরই টুকটাক ফ্লাডলাইটে খেলার অভিজ্ঞতা রয়েছে। ইরাসমাস আক্ষেপের সুরে বলছিলেন, “আমাদের দেশের মাটিতে কোনও ফ্লাডলাইট নেই। তাই ফ্লাডলাইটে খেলার অভিজ্ঞতা নেই। তবে আমরা নামিবিয়ার নিজস্ব ঘরানাতেই মাতিয়ে দেব আমরা। লড়াই ছাড়ব না।”
এই বিতর্ক নিয়ে এখনও আইসিসি বা দিল্লির ভেন্যু ম্যানেজারদের কোনও বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে শোনা যাচ্ছে, নামিবিয়ার তরফে সঠিক সময়ে আবেদনই জানানো হয়নি।
এই বিষয়ে আরও খবর
সর্বশেষ খবর
-
ইরানি হামলার মধ্যেই জর্ডনে অনুশীলন ইস্টবেঙ্গলের, ‘জয়মন্ত্র’ দিলেন প্রাক্তনী হিজাজি
-
ঠাকুরদালানে বেঁধে রাখা হয় দেবীকে, বাংলার ‘শিকল বাঁধা দুর্গা’র মাহাত্ম্য জানেন?
-
দাম্পত্য সমস্যা-অমঙ্গল দূর করার টোপ, মহিলার লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে পগারপার ‘তান্ত্রিক’
-
সমাজমাধ্যমে পরিচয়, প্রেমের ফাঁদে ফেলে ২ নাবালিকার যৌন হেনস্তা! ধৃত অভিযুক্তরা
-
ঋতব্রত-সহ ১০ বিধায়কের পদ খারিজের আবেদন, সুপ্রিম কোর্টে কালীঘাট তৃণমূল



