Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Sanju Samson

ফোন একেবারে বন্ধ, নিউজিল্যান্ড সিরিজের জঘন্য ফর্ম সারাতে আর কী টোটকা ছিল সঞ্জুর?

নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে পারফর্ম করে বিশ্বকাপ খেলতে চেয়েছিলেন সঞ্জু। তারপর বাদ পড়েন বিশ্বকাপের প্রথম একাদশ থেকে। সেখান থেকেই শুরু কামব্যাকের লড়াই।

Advertisement
স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: মার্চ ৩, ২০২৬, ১০:৪১

link
স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: মার্চ ৩, ২০২৬, ১০:৪১

options
link
ফোন একেবারে বন্ধ, নিউজিল্যান্ড সিরিজের জঘন্য ফর্ম সারাতে আর কী টোটকা ছিল সঞ্জুর? zoom
ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে হাফসেঞ্চুরির পর সঞ্জু স্যামসন। ফাইল ছবি।

কেরিয়ারের দুঃসময়ে সঞ্জু স্যামসন নিজের ফোন বন্ধ করে দিয়েছিলেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় কে কী বলছে, লিখছে, সে সমস্তও আর দেখতেন না। যাতে নিজের উপর থেকে বিশ্বাস না চলে যায়। আরও ভেঙে না পড়েন। সঞ্জুর যে দুঃসময় শেষ হল রবিবারের ইডেনে। ভারতকে একা হাতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে তুলে। ৫০ বলে অপরাজিত ৯৭ করে। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে যে ম্যাচ হারলে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে বিদায় হয়ে যেত ভারতের।

“শট নির্বাচন নিয়ে আমি খাটতাম। পরিশ্রম করতাম। নিজের খেলায় খুব বেশি বদল আনতে চাইনি আমি। কারণ জানতাম, আমি একই ভাবে খেলে রান পেয়েছি। বরং নিজের ফোন বন্ধ করে দিয়েছিলাম আমি। সোশাল মিডিয়া দেখতাম না। মন যা বলত, তাই করতাম,” রবিবার ইডেনে খেলা শেষে সম্প্রচারকারী সংস্থাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বলে দিয়েছেন সঞ্জু। “আমার ভালো লাগছে ভেবে যে, একটা স্পেশাল ম্যাচে স্পেশাল ইনিংস খেলতে পারলাম। রান তাড়া বিশেষ সহজ ছিল না। এমনিতে শিশির পড়ছিল। আমাদের যা ব্যাটিং, তাতে ১৯৬ তোলা দারুণ কঠিন কিছু নয়। কিন্তু মাঝে একটা সময় কয়েকটা উইকেট পড়ে যাওয়ায়, কাজটা চ্যালেঞ্জিং হয়ে গিয়েছিল। সত্যি বলতে, আমার অভিজ্ঞতা কাজে লেগেছে। ঠিক করেছিলাম শেষ পর্যন্ত থাকতে হবে আমাকে। খেলা শেষ করে ফিরতে হবে,” বলতে থাকেন সঞ্জু।

Advertisement

সঙ্গে যোগ করেন, “এ রকম চাপের ম্যাচে যদি একশো নব্বইয়ের মতো স্কোর তাড়া করতে হয়, রানটা তোলার নানা রাস্তা থাকে। কিন্তু দিন শেষে আমরা মানুষ। মনে একটা নেতিবাচক ভাবনা সবার আগে আসে। ভাবতে থাকি, পারব তো? মনে হয় না, পারব বলে। আমার যখনই সেটা মনে হয়, ইতিবাচক ভাবনা ভাবতে থাকি। নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে পারফর্ম করে বিশ্বকাপ খেলতে আসতে চেয়েছিলাম। কিন্তু সেটা পারিনি। ভাগ্য ভালো যে, তার পরবর্তী দশ দিন খেলতে হয়নি আমাকে। টিমেও ছিলাম না। নিজেকে বলতাম, সঞ্জু আর কী করতে পারো তুমি? কোনটা ঠিক হচ্ছে না তোমার? নিজেই নিজের ব্যাটিংয়ের অন্তর্তদন্তে নামি। ক্রিকেটের বেসিকসে ফিরে গিয়েছিলাম আমি। ভাবতে থাকি, ঠিক কোন কোন কাজ করে রান করেছি। তার পর ফিরে আসি।”

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.