সঞ্জ স্যামসনের অপরাজিত ৫০ বলে ৯৭ রানের ইনিংসে ভর করে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারিয়ে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে পৌঁছে গিয়েছে টিম ইন্ডিয়া। এমন একটা ইনিংসের পর সঞ্জু বন্দনায় মেতেছে আসমুদ্রহিমাচল। প্রত্যেকে বলছেন, এমন ইনিংস ভারতীয় ক্রিকেট ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে। ম্যাচের পর সূর্যকুমার যাদবকে জড়িয়ে ধরে আবেগঘন হয়ে পড়েছিলেন সঞ্জু।
এই বিষয়ে আরও খবর
দলকে জিতিয়ে ড্রেসিংরুমে ফেরার পথে সঞ্জুকে টুপি খুলে কুর্নিশ জানান অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব। আর সঞ্জু? ভাইরাল হওয়া ভিডিওয় দেখা যায়, তিনি জড়িয়ে ধরেন অধিনায়ককে? ওই সময়টায় ক্যাপ্টেনকে কী বলেছিলেন ওপেনিং ব্যাটার? “রুলায়েগা ক্যায়া পাগলে?” (কাঁদাবি নাকি পাগল?)। যা শুনে একপ্রকার ঘোরে থাকা সূর্য বলেন, “অনেক কিছুই তো বলার ছিল। কিন্তু এই মুহূর্তে কী বলব বুঝতে পারছি না!”
View this post on Instagram
এটা ঠিক যে, একটা সময় অভিষেক বা তিলকের জায়গায় সঞ্জুকে খেলানোয় সূর্যকুমারের আপত্তি ছিল। ইডেনে কিন্তু সেই সঞ্জুই পরিত্রাতা। কুর্নিশ জানানো ছাড়া উপায় কী? ভারত অধিনায়ক বললেন, “আমি সবসময় বিশ্বাস করেছি ভালো মানুষদের সঙ্গে ভালোই হয়। তবে অপেক্ষা করতে হয়, ধৈর্য ধরতে হয়। যখন সঞ্জু খেলছিল না, তখনও নিয়মিত কঠোর পরিশ্রম করে গিয়েছে। সঠিক সময়ে এসে তার ফল পেল।”
তিনি আরও বলেন, “অনেক উত্থান-পতন দেখেছে সঞ্জু। নিজের পছন্দের জায়গাও পর্যন্ত হারিয়েছে। অন্য পজিশনে খেলেছে। দল থেকে বাদ পড়েছে। কিন্তু আবারও নিজের পছন্দের জায়গায় ফিরে এসেছে। সাহসীরাই ম্যাচ জেতায়। সঞ্জু সেটাই করেছে। ওর পরিবারকে শুভেচ্ছা। পরের দু’টো ম্যাচেও ও এমন পারফরম্যান্স করবে।” ম্যাচ জিতিয়ে মাঠে বসে পড়ে ঈশ্বরকে ধন্যবাদ জানান সঞ্জু। এরপর সাজঘরে গিয়ে ব্যাটে চুম্বন। বোঝাই যাচ্ছিল, ইনিংসটা কতটা গুরুত্বপূর্ণ ছিল। সঞ্জুর ব্যাটেই টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সবচেয়ে বড় রান তাড়া নজির টিম ইন্ডিয়া। উল্লেখ্য, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ইতিহাসে ষষ্ঠবার সেমিফাইনালে উঠেছে টিম ইন্ডিয়া। শেষ চারের লড়াইয়ে ভারতের সামনে ইংল্যান্ড।
এই বিষয়ে আরও খবর
সর্বশেষ খবর
-
ফের ভূমিকম্পে কেঁপে উঠছে মাটি, আতঙ্কের গ্রাসে দার্জিলিং-সহ উত্তর
-
টাকি পুরসভার ‘বিদ্রোহী’ তৃণমূল কাউন্সিলরের পদত্যাগ, জোর জল্পনা
-
অরূপ-স্বরূপের ‘রহস্যময় ঘরে’ তল্লাশি পুলিশের, উদ্ধার মোবাইল-আইপ্যাড, প্রচুর নথি!
-
কুলটিতে ‘ভয় আউট, ভরসা ইন’, মন্ত্রীর জনতার দরবারে ৫ বছরের সমস্যার সমাধান ২৪ ঘণ্টায়!
-
আলিপুরদুয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের ইউনিয়ন রুমে কন্ডোম, নেশার সামগ্রী! শোরগোল শিক্ষাঙ্গনে



