Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৭ আষাঢ় ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ২৩ জুন ২০২৬
Siliguri

দারিদ্রকে উড়িয়ে স্বপ্নের দৌড়, ১০ হাজার মিটার রেসে দেশের সেরা শিলিগুড়ির সঞ্জিতা

দেশের ক্রীড়াক্ষেত্রে ফের উড়ল বাংলার জয়পতাকা। জাতীয় পর্যায়ে ১০ হাজার মিটার দৌড়ে স্বর্ণপদক জিতলেন শিলিগুড়ির সঞ্জিতা ওরাওঁ। ছত্তিশগড়ে আয়োজিত প্রথম 'খেলো ইন্ডিয়া ট্রাইবাল গেমস'-এ সোনা জিতে এক অনন্য নজির গড়েছেন বাংলার মেয়ে।

Advertisement
বিশ্বজ্যোতি ভট্টাচার্য
বিশ্বজ্যোতি ভট্টাচার্য

শেষ আপডেট: এপ্রিল ৬, ২০২৬, ২১:১৮

link
বিশ্বজ্যোতি ভট্টাচার্য
বিশ্বজ্যোতি ভট্টাচার্য

শেষ আপডেট: এপ্রিল ৬, ২০২৬, ২১:১৮

options
link
দারিদ্রকে উড়িয়ে স্বপ্নের দৌড়, ১০ হাজার মিটার রেসে দেশের সেরা শিলিগুড়ির সঞ্জিতা zoom
সঞ্জিতা ওরাওঁ

দেশের ক্রীড়াক্ষেত্রে ফের উড়ল বাংলার জয়পতাকা। জাতীয় পর্যায়ে ১০ হাজার মিটার দৌড়ে স্বর্ণপদক জিতলেন শিলিগুড়ির সঞ্জিতা ওরাওঁ। ছত্তিশগড়ে আয়োজিত প্রথম ‘খেলো ইন্ডিয়া ট্রাইবাল গেমস’-এ সোনা জিতে এক অনন্য নজির গড়েছেন বাংলার মেয়ে।

এই প্রথমবার দেশজুড়ে আয়োজিত হল আদিবাসী সম্প্রদায়ভুক্ত ক্রীড়াবিদদের প্রতিযোগিতা। ৩০টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল থেকে প্রায় ৩০০০ ক্রীড়াবিদ অংশগ্রহণ করেছিলেন খেলো ইন্ডিয়ার প্রতিযোগিতায়। ২৫ মার্চ থেকে শুরু হওয়া প্রতিযোগিতায় ৭টি খেলা অন্তর্ভুক্ত ছিল। এর আগে বাংলার ফুটবল দল চ্যাম্পিয়ন হয়েছে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

এবার সাফল্য এনে দিলেন সঞ্জিতা। শিলিগুড়ি মহকুমার নকশালবাড়ির হাতিঘিসার মৌরিজোত গ্রামের মেয়ে ১০ হাজার মিটার দৌড়ের জন্য সময় নেন ৪০ মিনিট ২১.৮ সেকেন্ড সময়। সোমবার বাড়িতে গিয়ে তাকে সংবর্ধনা জানান শিলিগুড়ি মহকুমা পরিষদের সভাধিপতি অরুণ ঘোষ। ঐতিহাসিক সাফল্যের পর ২৩ বছর বয়সি অ্যাথলিট বলেন, “প্রথম জাতীয় আদিবাসী গেমসে সেরা হওয়াটা অসাধারণ অভিজ্ঞতা ছিল। এই সাফল্য আমাকে আরও উন্নতি করতে অনুপ্রাণিত করবে।”

কষ্টের সঙ্গে নিত্য লড়াই করে উত্থান সঞ্জিতার। বাবা বিজয় ওরাওঁ পেশায় দিনমজুর ও মা রিতা গৃহবধূ। হাতিঘিসা হাই স্কুলের শারীরিক শিক্ষার শিক্ষক সুজয় ঘোষ রায় প্রথম তাঁর প্রতিভা চিনতে পারেন।  কঠোর পরিশ্রম, শৃঙ্খলা ও দৃঢ় সংকল্পে লড়াই চালিয়ে যান সঞ্জিতা। দারিদ্র উপেক্ষা করে লক্ষ্যে অবিচল থেকেছেন। শিলিগুড়ি থেকে প্রায় ২৫ কিলোমিটার দূরে হাতিঘিসায় অস্থায়ী মাঠে দিনে দু’বার অনুশীলন করতেন। আবার বর্ষাকালে চা বাগানের ভেতরের রাস্তায় প্রশিক্ষণ নিতেন। এলাকায় এখনও উপযুক্ত ট্র্যাক অ্যান্ড ফিল্ড পরিকাঠামো নেই। অনেক প্রতিকূল অবস্থায় প্রশিক্ষণ নিয়ে তবে এই জায়গায় এসেছেন সঞ্জিতা। এবার দেশের বুকে প্রতিভার ছাপ রাখল শিলিগুড়ির মেয়ে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.