সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বড়দিনে নিজের দেশের পরিস্থিতির কথা ভেবে চিন্তিত শাকিব আল হাসান। মৌলবাদীদের আগ্রাসন আর ধর্মের নামে হানাহানিতে শিশুদের ভবিষ্যৎ নষ্ট হচ্ছে। যা নিয়ে কবিতা লিখলেন বাংলাদেশের প্রাক্তন অধিনায়ক তথা শেখ হাসিনার দল আওয়ামি লিগের প্রাক্তন সাংসদ। দীপু দাস থেকে শুরু করে ওসমান হাদি সকলেই জায়গা পেয়েছেন শাকিবের কবিতায়।
অশান্ত বাংলাদেশ। শেখ হাসিনার অপসারণ চেয়ে যে আন্দোলন শুরু হয়েছিল, তা ক্রমশ মৌলবাদীদের আস্ফালন আর সংখ্যালঘুদের ত্রাসের কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে। স্রেফ ধর্মাচরণের জন্য আক্রান্ত হতে হচ্ছে সংখ্যালঘুদের। যার জলজ্যান্ত উদাহরণ দীপু দাস হত্যাকাণ্ড। যা নিয়ে বাংলাদেশের গোটা ক্রিকেটমহল নীরব। এমনকী, বাংলাদেশ টি-২০ দলের অধিনায়ক লিটন দাস, যিনি কিনা নিজেই সংখ্যালঘু তিনিও মুখ খোলেননি। সেটার নেপথ্যে সম্ভবত মৌলবাদীদের ত্রাস। কিন্তু শাকিব প্রবাসী। তার চেয়েও বড় ব্যাপার, তিনি মৌলবাদী নন। তাই মৌন ভাঙায় ভয় নেই তাঁর।
তাঁর লেখা কবিতায় যেমন ওসমান হাদিরা ঠাঁই পান, তেমনই ঠাঁই বাংলাদেশের প্রাক্তন অধিনায়ক লিখলেন, “সদ্য নৃশংস হত্যার শিকার দীপু দাশের ছোট্ট শিশু, গোপালগঞ্জের দীপ্ত সাহার ছোট্ট শিশু, ওসমান হাদির ছোট্ট শিশু—আরও কত শত শিশু আজ এতিম হয়ে গেছে! এই শিশুদের জীবন যেন আগামীর জন্য দুর্বিষহ না হয়-সে দায়িত্ব বাংলাদেশের, তথা আমাদের।” শাকিবের প্রশ্ন, “শিশুর বাসযোগ্য বাংলাদেশ গড়ার জন্য-আমরা কি ঠিক দায়িত্বশীল আচরণ করছি?”
উল্লেখিত, বাংলাদেশের সর্বকালের অন্যতম সেরা ক্রীড়াব্যক্তিত্ব হলেও শাকিব এখন সে দেশে নির্বাসিত। দেশে ঢোকার অনুমতি নেই। দেশের হয়ে খেলতেও পারছেন না। নির্বাসিত ক্রিকেটার। তাঁর বিরদ্ধে খুনের মামলাও চলছে। বিতর্কের মধ্যে বাংলাদেশের মানুষের কাছে ক্ষমাও চেয়েছেন শাকিব। কিন্তু তার পরেও বাংলাদেশে ফিরতে পারেননি তিনি। সেই শাকিব এখনও মৌলবাদীদের দিকে নিশানা করে পোস্ট করছেন।
সর্বশেষ খবর
-
দুই ‘সেরা’ গোলের ম্যাচে বাজিমাত ‘গোলদস্যু’ হালান্ডের, প্রি কোয়ার্টারে ব্রাজিলের সামনে নরওয়ে
-
বাড়িতে পাথর ছুড়ছে দুষ্কৃতী! সিসিটিভি ফুটেজ প্রকাশ করে তোপ অভিষেকের
-
ইরানের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে ফোনালাপ প্রধানমন্ত্রী মোদির, কী কথা হল, চাপ বাড়বে ট্রাম্পের?
-
নীচু জাত! কলেজের অশিক্ষক কর্মীকে নির্যাতন, ঘরে ঢুকতে বাধা অধ্যক্ষার! বিতর্ক পুরুলিয়ায়
-
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সস্ত্রীক দিলীপ ঘোষের সাক্ষাৎ, উপহার আম ও সন্দেশ! কী কথা হল?