Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ১১ আগস্ট ২০২৬
ICC ODI World Cup

ওয়ানডে বিশ্বকাপের ১৮ মাস আগেই বঞ্চনার শিকার! জয় শাহদের বিরুদ্ধে ‘বিদ্রোহ’ দুই দেশের বোর্ডের

আগামী বছরের বিশ্বকাপের জন্য আইসিসি নতুন ফরম্যাট পরিকল্পনা করেছে। যেখানে দলের সংখ্যা ১০ থেকে বাড়িয়ে ১৪ করা হয়েছে।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১০, ২০২৬, ১৯:৫৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১০, ২০২৬, ১৯:৫৭

options
link
ওয়ানডে বিশ্বকাপের ১৮ মাস আগেই বঞ্চনার শিকার! জয় শাহদের বিরুদ্ধে ‘বিদ্রোহ’ দুই দেশের বোর্ডের zoom
ফাইল ছবি
Advertisement

ওয়ানডে বিশ্বকাপের নয়া ফরম্যাটে অসন্তুষ্ট দুই দেশের ক্রিকেট বোর্ড। রীতিমতো বিবৃতি জারি করে আইসিসি’কে আক্রমণ করল ক্রিকেট দুনিয়ার দুই ‘লিলিপুট’ দেশ। আগামী বছরের বিশ্বকাপের জন্য আইসিসি নতুন ফরম্যাট পরিকল্পনা করেছে। ১৪ দেশের মধ্যে ৯ দেশ ইতিমধ্যে যোগ্যতা অর্জন করে ফেলেছে। স্কটল্যান্ড বা নেদারল্যান্ডসের মতো দেশকে কোয়ালিফায়ার খেলে উঠতে হবে। তারাই আইসিসি’র উপর প্রবল ক্ষুব্ধ।

এবার বিশ্বকাপে দলের সংখ্যা ১০ থেকে বাড়িয়ে ১৪ করা হয়েছে। মূল গ্রুপ পর্বের আগে ‘সুপার সিরিজ’ নামে একটি রাউন্ড-রবিন পর্ব যুক্ত করা হয়েছে। তাতে ১২, ১৩ ও ১৪ নম্বর দলগুলোর মধ্যে দু’টি দল দ্বিতীয় রাউন্ডে যাবে। আর একটি দল টুর্নামেন্টের শুরুতেই বিদায় নেবে। এর ফলে ছোট দলগুলোর সম্ভাবনা ধাক্কা খাবে। বর্তমানে আইসিসি’র চেয়ারম্যান জয় শাহ। এই পরিবর্তন খুব বেশিদিন আগে নেয়নি। মাত্র ১৮ মাস আগে এরকম পরিবর্তনে সমস্যায় পড়েছে অ্যাসোসিয়েট দেশগুলো।

Advertisement

স্কটল্যান্ড ও নেদারল্যান্ডস বোর্ড যৌথ বিবৃতিতে জানিয়েছে, আইসিসি’র সিদ্ধান্তে তারা হতাশ। তারা লিখেছে, ‘এই পরিবর্তনগুলো সহযোগী দেশগুলোর পক্ষে বাধা। এর ফলে ক্রিকেটের সার্বিক অগ্রগতি ব্যাহত হবে। ক্রিকেট যখন বিশ্বের সব জায়গায় ছড়িয়ে পড়তে চাইছে, তখন এই সিদ্ধান্ত উদীয়মান দেশগুলোর সুযোগ কমিয়ে দেয়। এই পরিবর্তন আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের সম্মান ও বিশ্বাসযোগ্যতা কমিয়ে দেয়। সহযোগী দেশগুলোর সঙ্গে আলোচনার পর এই সিদ্ধান্তগুলো নেওয়া উচিত। সেই অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য পর্যাপ্ত সময় দিতে হত।’

তাদের বক্তব্য, দু’বার আইসিসি’র সঙ্গে তারা বৈঠক করেছে। কিন্তু আইসিসি’র পক্ষ থেকে সাড়া পাওয়া যায়নি। যা তাদের পক্ষে ‘হতাশাজনক’ ও ‘অসম্মানজনক’। তারা লিখেছে, ‘বিশ্বকাপে ভালো খেললে সহযোগী দেশগুলোর বাণিজ্যিক অবস্থার উন্নতি হয়, সরকারি সাহায্য পায়, খেলোয়াড়রা অনুপ্রাণিত হয়। সুযোগ পেতেই সহযোগী দেশগুলো শক্তিশালী দলগুলোকে হারিয়েছে। আমাদের খেলোয়াড়রা সীমিত সামর্থ্য নিয়ে লড়াই করছে। এই প্রচেষ্টার পুরস্কার ও সম্মান পাওয়ার তারা যোগ্য।’ এরপর তারা আইসিসিকে সহযোগী দেশগুলোর সঙ্গে ফের আলোচনায় বসার আবেদন জানিয়েছে।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.