Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৯ আগস্ট ২০২৬
Sahil Chauhan

টি-টোয়েন্টিতে দ্রুততম সেঞ্চুরি! ক্রিস গেইলকে পিছনে ফেলে বিশ্বরেকর্ড ‘ভারতীয়’র

শুধু দ্রুততম শতরান নয়, আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে সবচেয়ে বেশি ছয়ের রেকর্ডও ভাঙল এদিন।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১৮, ২০২৪, ১২:৪৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১৮, ২০২৪, ১২:৪৬

options
link
টি-টোয়েন্টিতে দ্রুততম সেঞ্চুরি! ক্রিস গেইলকে পিছনে ফেলে বিশ্বরেকর্ড ‘ভারতীয়’র zoom
ফাইল চিত্র।
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মাত্র চার মাস আগে আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে দ্রুততম শতরানের রেকর্ড গড়েছিলেন জান নিকোল লোফটি-ইটন। নামিবিয়ার ক্রিকেটার মাত্র ৩৩ বলে সেঞ্চুরি হাঁকিয়েছিলেন। ফ্রাঞ্চাইজি ক্রিকেটে অবশ্য মাত্র ৩০ বলে শতরানের রেকর্ড রয়েছে ক্রিস গেইলের। কিন্তু এদিন দুই রেকর্ডই ভেঙে দিলেন এক ‘ভারতীয়’। এস্তোনিয়ার সাহিল চৌহান (Sahil Chauhan) মাত্র ২৭ বলে সেঞ্চুরি হাঁকিয়ে তৈরি করলেন নতুন বিশ্বরেকর্ড।

এস্তোনিয়ার হয়ে খেললেও সাহিল ভারতীয় বংশোদ্ভূত। ২০১৩ সালে ‘ইউনিভার্স বস’ গেইল (Chris Gayle) আইপিএলে সবচেয়ে দ্রুত শতরানের নজির গড়েছিলেন। আর চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে নামিবিয়ার সঙ্গে নেপালের ম্যাচে ৩৩ বলে সেঞ্চুরি করেন জান নিকোল। যদিও এস্তোনিয়ার (Estonia) সাহিলের কাছে কোনও রেকর্ডই টিকল না। ভারতীয় বংশোদ্ভূত এই ক্রিকেটার সাইপ্রাসের বিরুদ্ধে তিন অঙ্ক ছুঁলেন মাত্র ২৭ বলে। শেষ পর্যন্ত করলেন ৪১ বলে ১৪৪ রান।

Advertisement

[আরও পড়ুন: বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ভারতের কোচ গম্ভীর! আজই হতে পারে ইন্টারভিউ]

১৮টি ছক্কায় সাজানো ছিল তাঁর ইনিংস। সেটাও বিশ্বরেকর্ড। আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টির এক ইনিংসে সবচেয়ে বেশি ছয়ের রেকর্ড ছিল আফগানিস্তানের হজরতউল্লাহ জাজাই ও নিউজিল্যান্ডের ফিন অ্যালেনের। ২০১৯-এ আয়ারল্যান্ডের বিরুদ্ধে জাজাই মেরেছিলেন ১৬টি ছয়। আর চলতি বছরেই পাকিস্তানের বিরুদ্ধে সমসংখ্যক ছয় মারেন কিউয়ি তারকা। এদিন সেই নজির ভেঙে দিলেন এস্তোনিয়ার ৩২ বছর বয়সি ক্রিকেটার। আর সেই সঙ্গে ছুঁয়ে ফেললেন গেইলকেও। ২০১৭-এ রংপুর রাইডার্সের হয়ে তিনিও ১৮টি ছক্কা হাঁকিয়েছিলেন।

প্রথমে ব্যাট করে সাইপ্রাস ৭ উইকেট হারিয়ে করেছিল ১৯১ রান। সাহিলের দাপটে মাত্র ১৩ ওভারেই সেই রান তুলে নেয় এস্তোনিয়া। ষষ্ঠ ওভারে মারেন চারটি ছয় ও একটি চার। সেখান থেকেই রং বদলে যায় তাঁর ইনিংসের। ১৪ বলে হাফসেঞ্চুরিও করেন তিনি। সাহিলের ইনিংস শুধু তাঁর ব্যক্তিগত মাইলস্টোন নয়। বরং এস্তোনিয়ার ক্রিকেটকেও আলোর সামনে নিয়ে এল। এমনটাই মনে করছে ক্রিকেটমহল।

[আরও পড়ুন: বার্বাডোজে প্রস্তুতি শুরু বিরাটদের, সুপার এইটের আগে ফুরফুরে টিম ইন্ডিয়া]

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.