সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: গত আইপিএলের বহুচর্চিত গল্পগুলির মধ্যে একটি রিঙ্কু আর বিরাট কোহলির ব্যাটের গল্প। সেটা নিশ্চয়ই দেশের কোনও ক্রিকেটপ্রেমীই ভোলেননি। বিরাটের ব্যাটের জন্য রীতিমতো হন্যে হয়ে ঘুরেছেন কেকেআরের ব্যাটার। তখন যাই করে থাকুন না কেন, রিঙ্কু এখন নিজেকে ‘শুধরে’ নিয়েছেন। এমনকী আর কারওর থেকে কোনও দিন ব্যাট চাইবেন না বলে পণ করেছেন তিনি।
কেন? কারণ, এতে নাকি রিঙ্কুর ‘ইমেজ’ খারাপ হয়েছে। অন্তত এমনটাই দাবি তাঁর। বাংলাদেশকে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে হারানোর পর সম্প্রচারকারী চ্যানেলে সেকথা স্বীকার করে নিলেন তিনি। সেখানে তাঁকে প্রশ্ন করা হয়, “ড্রেসিংরুমে এমন কেউ আছে, যাকে আপনি ‘ভাই’ বলে ডাকেন? যে আপনার থেকে ব্যাট চায়?”
উত্তরে রিঙ্কু বলেন, “না না, সেরকম কেউ নেই। আর এই ব্যাটের জন্য আমার ইমেজই খারাপ হয়ে গিয়েছে।” বাকি উত্তর আর কী দেবেন? হাসিতে ফেটে পড়েন ভারতীয় তারকা। তার পর বলেন, “আমার ভাবমূর্তিই এমন হয়ে গিয়েছে, যে এ সারাক্ষণ লোকের থেকে ব্যাট চায়। এখন আমি নিজেকে শুধরে নিয়েছি। আর কারওর থেকে ব্যাট চাই না।”
আরেকবার মনে করিয়ে দেওয়া যাক, আইপিএলের সময় বিরাটের থেকে ব্যাট চেয়েছিলেন রিঙ্কু। বহু প্রতীক্ষার পর সেই ব্যাট হাতে এলেও তা বেশিদিন তাঁর হাতে টেকেনি। তা ভেঙে ফেলেন। পরে আবার বিরাটের থেকে ব্যাট চান। সেবার ‘বকুনি’ খাওয়ার পর আরেকটি ব্যাট পান। তা নিয়ে সোশাল মিডিয়ায় কম মিম তৈরি হয়নি। বাংলাদেশের বিরুদ্ধে টি-টোয়েন্টি সিরিজের আগেও ফের চর্চায় উঠে আসে সেই মিমগুলো। বাংলাদেশের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে অবশ্য আগুনে ফর্মে ছিলেন রিঙ্কু। ব্যাটিং ব্যর্থতার সময় তিনি ২৯ বলে করেন ৫৩ রান। রিঙ্কু ও নীতীশের দুরন্ত পার্টনারশিপে ২০০-র উপর রান তোলে টিম ইন্ডিয়া। শেষ পর্যন্ত ভারত ম্যাচ জেতে ৮৬ রানে।
সর্বশেষ খবর
-
ধর্ম থেকে জাতিগত পরিচয়, জনগণনায় ৪০ প্রশ্ন, দিতে হবে ‘ব্যক্তিগত’ তথ্যও
-
ভোজন রসিকদের জন্য সুখবর! স্বাধীনতা দিবসে দু’দিন ব্যাপী খাদ্যমেলার আয়োজন রাজ্য সরকারের
-
এ কেমন স্বাধীনতা! তেরঙ্গা যাত্রায় যোগে বাধা অনশনকারী দেবেন্দ্রকে, টেনেহিঁচড়ে নিয়ে গেল হেমন্তর পুলিশ
-
স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী বিজয়ের মা-বাবার সঙ্গে ‘প্রেমিকা’ তৃষা, বিচ্ছেদ গুঞ্জনকে কাঁচকলা!
-
‘কাল থেকেই ধর্মতলা সাফ করুন’, স্বাধীনতা দিবসের মঞ্চ থেকে কাদের সতর্ক করলেন শমীক?