Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ১০ জুন ২০২৬
T20 World Cup

পাকিস্তানে বিশ্বকাপ খেলুক মুস্তাফিজরা, ভারত-বাংলাদেশ ‘শত্রুতা’য় ঘৃতাহুতি পাক বোর্ডের!

ডামাডোলে পাকিস্তান নাক গলাবে না তা কি হয়?

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১১, ২০২৬, ১৬:২০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১১, ২০২৬, ১৬:২০

options
link
পাকিস্তানে বিশ্বকাপ খেলুক মুস্তাফিজরা, ভারত-বাংলাদেশ ‘শত্রুতা’য় ঘৃতাহুতি পাক বোর্ডের! zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বিশ্বকাপ শুরু হতে একমাসও বাকি নেই। কিন্তু বাংলাদেশ এখনও গোঁ ধরে বসে যে ভারতে খেলবে না। নিরাপত্তার অজুহাতে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের বক্তব্য, তারা শ্রীলঙ্কায় খেলতে চায়। এই ডামাডোলে পাকিস্তান নাক গলাবে না তা কি হয়? পাক সংবাদমাধ্যমের খবর, পিসিবি চাইছে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের ম্যাচ আয়োজন করতে। বস্তুত ইউনুস সরকারের আমলে যেভাবে একসময়ের ‘শাসক’ পাকিস্তানের সঙ্গে হৃদ্যতা বেড়েছে, তাতে পিসিবি’র পরিকল্পনা ভারতকে চাপে ফেলার কৌশল বলে মনে করা হচ্ছে।

ভারতে এসে বিশ্বকাপ খেলা সম্ভব নয়। নিরাপত্তার অজুহাত দিয়ে ইতিমধ্যেই আইসিসিকে গোটা দুয়েক চিঠি লিখেছে বিসিবি। প্রথম চিঠির জবাবে জয় শাহর আইসিসি জানিয়ে দিয়েছে, শেষমুহূর্তে ভেন্যুবদল সম্ভব নয়। ভারতে নিরাপত্তা নিয়ে কোনও সমস্যা নেই। শোনা যাচ্ছে, দ্বিতীয় চিঠিরও ওই একই রকম জবাব আইসিসি দেবে বাংলাদেশ বোর্ডকে। আইসিসির যুক্তি, বিসিবি শুধু মুখেই নিরাপত্তাজনিত সমস্যার কথা বলছে। কিন্তু আদতে কোনও যুক্তিপূর্ণ কারণ দর্শাতে পারেনি। শোনা যাচ্ছে, আইসিসি মোটামুটি মনস্থির করে ফেলেছে, বাংলাদেশের দ্বিতীয় চিঠির দাবিও নাকচ করে দেওয়া হবে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

অন্যদিকে পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যমের খবর, বাংলাদেশের জন্য সাহায্যের হাত বাড়িয়ে প্রস্তুত পিসিবি। অবস্থা বুঝে ‘সাজানো গোছানো’ স্টেডিয়ামগুলো তৈরি রাখা হচ্ছে। এক্ষেত্রে পাকিস্তানের যুক্তি, তারা ‘সফলভাবে’ চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি আয়োজন করেছে। ফলে বিশ্বকাপে বাংলাদেশের ম্যাচ আয়োজন করা তাদের পক্ষে কঠিন কিছু নয়। তবে এটাও ঠিক, চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে ভারত সেখানে ম্যাচ খেলেনি। তাছাড়া পর্যাপ্ত পরিকাঠামোর অভাবে একাধিক ম্যাচ বৃষ্টির জন্য বাতিল হয়ে যায়। আরও একটি বিষয় হল, পাকিস্তান নিজে ম্যাচ খেলবে শ্রীলঙ্কায়। সেখানে বাংলাদেশ গিয়ে পাকিস্তানে খেলবে, এটা কি আদৌ যুক্তিপূর্ণ প্রস্তাব? শ্রীলঙ্কা যৌথ আয়োজক, বিকল্প হিসেবে তাদের নাম ভাবার সম্ভাবনা থাকলেও পাকিস্তান কেন গোটা বিষয়টায় ঢুকতে চাইছে?

পুরোটাই বিসিসিআইয়ের উপর চাপ বাড়ানোর কৌশল বলে মনে করা হচ্ছে। তৃতীয় বিকল্প হিসেবে নিজেদের দেখানোর অর্থ, পক্ষান্তরে দ্বিতীয় বিকল্প অর্থাৎ শ্রীলঙ্কায় বাংলাদেশের ম্যাচ আয়োজনের রাস্তা প্রশস্ত করা। অবশ্য এশিয়া কাপের পর থেকে বিসিসিআইকে সমস্যায় ফেলার কোনও সুযোগই তারা ছাড়ছে না।

উল্লেখ্য, একাত্তরের রক্তাক্ত অতীত ভুলে ইউনুস জমানায় ফের পাকিস্তানের হাতে হাত রেখেছে বাংলাদেশ। সম্প্রতি ইসলামাবাদ সফরে রয়েছেন বাংলাদেশের বায়ুসেনা প্রধান হাসান মাহমুদ খান। পাক সেনার মিডিয়া শাখার রিপোর্ট অনুযায়ী, এই সফরেই যুদ্ধবিমান কেনার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে দুই দেশের। এবার বাইশ গজেও ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের ‘শত্রুতা’ বাড়ানোর লড়াইয়ে নেমেছে পাকিস্তান।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.