Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Renuka Singh

বিশ্বজয় করে ঘরে ফিরলেন, শিমলার গ্রামে উৎসব, রেণুকাকে ‘সারপ্রাইজ’ দিলেন গ্রামবাসীরা

'সারপ্রাইজ' পেয়ে কী বললেন ভারতীয় পেসার?

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ১০, ২০২৫, ১২:০৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ১০, ২০২৫, ১২:০৬

options
link
বিশ্বজয় করে ঘরে ফিরলেন, শিমলার গ্রামে উৎসব, রেণুকাকে ‘সারপ্রাইজ’ দিলেন গ্রামবাসীরা zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বিশ্বকাপ জিতে প্রয়াত বাবার স্বপ্নপূরণ করেছেন হিমাচলের এই বীরাঙ্গনা। সেই রেণুকা সিং বিশ্বকাপ জিতে এবার ঘরে ফিরেছেন। রীতিমতো উৎসবের আমেজ তাঁর গ্রামে। তাঁকে নিয়ে গ্রামবাসীরা তৈরি করেছেন তথ্যচিত্র। যা দেখে ‘সারপ্রাইজড’ ভারতীয় পেসার জানালেন, এটাই সেরা পুরস্কার। 

শিমলার রোহরু অঞ্চলের পারসা গ্রামের বাসিন্দা কেহর সিং ঠাকুর। তাঁর আরও এক পরিচয়, তিনি বিশ্বজয়ী রেণুকা সিংয়ের বাবা। তিনি ছিলেন প্রাক্তন ক্রিকেটার বিনোদ কাম্বলির ভক্ত। প্রথম সন্তানের নামও রেখেছিলেন বিনোদ। স্বপ্ন ছিল, ছেলে একদিন দেশকে বিশ্বকাপ এনে দেবে। হল তার উলটো। বিশ্বকাপ জিতে বাবার স্বপ্নপূরণ করলেন মেয়ে রেণুকা। তবে মেয়ের এমন সাফল্য দেখে যেতে পারলেন না কেহর ঠাকুর। রেণুকার জন্মের তিন বছর পরেই ইহলোকের মায়া ত্যাগ করেন কেহর। 

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

বিশ্বকাপে ৬ ম্যাচে মাত্র ৩ উইকেট পেয়েছেন রেণুকা। তবে গোটা টুর্নামেন্টেই কম রান দিয়েছেন। ফাইনালে ৮ ওভারে মাত্র ২৮ রান দেন। সেই রেণুকাকে গ্রামবাসী এবং স্থানীয় প্রশাসন সংবর্ধনা জানিয়েছে। হিমাচলপ্রদেশের পাহাড়ের দুর্গম পথ পেরিয়ে বিশ্বমঞ্চে তাঁর এই যাত্রা। আর সেসব নিয়েই গ্রামবাসীরা তৈরি করেছে একটি তথ্যচিত্র। যা দেখে অবাক রেণুকা। 

এহেন রেণুকা সংবাদ সংস্থা এএনআই-কে বলেন, “ঘরে ফিরে সত্যিই খুব খুশি। বিশেষ করে সবাই আমার জন্য যে তথ্যচিত্র তৈরি করেছে, তার জন্য। এটা আমার জন্য সেরা উপহার।” তাছাড়াও ২৮ বছর বয়সি এই পেসার হাটকোটির হটেশ্বরী মাতা মন্দিরেও যান। তিনি আরও বলেন, “কঠোর পরিশ্রমের ফল মিলছে। এর কৃতিত্ব আমার মা এবং ভূপিন্দর কাকার। তাঁরাই আমার প্রতিভা উপলব্ধি করতে পেরেছিলেন। তাঁদের সমর্থনেই এত দূর এগোতে পেরেছি।”

উল্লেখ্য, ছোটবেলায় কাঠের তৈরি ব্যাট এবং কাপড়ের বল দিয়ে ক্রিকেটে হাতেখড়ি ঘটেছিল রেণুকার। এরপর পাড়ার ছেলেদের সঙ্গে খেলে বড় হয়েছেন। ফাইনালে দক্ষিণ আফ্রিকার শেষ উইকেট পড়ার পর গোটা গ্রামকে ভোজ দেওয়ার কথাও বলেছিলেন মা সুনীতা ঠাকুর। আর রেণুকা হাতে প্রয়াত বাবার নামে ট্যাটুও করিয়েছেন। সব মিলিয়ে আবেগের বিস্ফোরণ ঘটেছে পাহাড়ি কোলের কোনায় একচিলতে গ্রামে।

রেণুকা বলেন, “আমার জন্য মা যেভাবে লড়াই করেছে, তা শব্দ দিয়ে বর্ণনা করা যাবে না। আমার কোচ, জেঠু, সকলকে এর জন্য কৃতিত্ব দিতে চাই।” রেণুকার বাবা মারা যাওয়ার পরে তাঁর কেরিয়ার গড়ে তোলায় বড় অবদান রেখেছেন জেঠু ভূপিন্দর ঠাকুর। তিনিই রেণুকাকে কোচ পবন সেন এবং প্রশিক্ষক বীণা পাণ্ডের অধীনে ধরমশালা ক্রিকেট অ্যাকাডেমিতে ভর্তি করিয়েছিলেন। তারপর বাকিটা ইতিহাস।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.