Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
Virat Kohli

ভাগ্যিস ছক্কা মারিনি! ম্যাচ জিতিয়ে মাথায় হাত, ঈশ্বরকে ধন্যবাদ বিরাটের

মাত্র ১০ বলে পঞ্চাশ থেকে শতরানে পৌঁছে যান আরসিবির উইল জ্যাকস।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২৯, ২০২৪, ১৫:৩০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২৯, ২০২৪, ১৫:৩০

options
link
ভাগ্যিস ছক্কা মারিনি! ম্যাচ জিতিয়ে মাথায় হাত, ঈশ্বরকে ধন্যবাদ বিরাটের zoom
ফাইল চিত্র।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: আরও একটি হাফসেঞ্চুরি করে অরেঞ্জ ক্যাপের দৌড়ে প্রথম স্থানেই রইলেন বিরাট কোহলি (Virat Kohli)। অন্যপ্রান্তে ঝড় তোলেন উইল জ্যাকস (Will Jacks)। অপরাজিত থাকেন সেঞ্চুরি করে। দুজনের ব্যাটিং তাণ্ডবে টানা দ্বিতীয় জয় পায় আরসিবি (Royal Challengers Bengaluru)। কিন্তু ম্যাচ শেষ হলেও যেন ঘোর কাটছে না কিং কোহলির। ক্রিজের অন্য দিক থেকে জ্যাকসের মারকুটে ইনিংস দেখে ঈশ্বরকে ধন্যবাদ জানালেন বিরাট।

চলতি আইপিএলে (IPL 2024) ২০০ রান তোলা রোজকার কাজ হয়ে গিয়েছে। রবিবার প্রথম ব্যাট করে গুজরাট টাইটান্সও ঠিক ২০০ রানই তোলে। জবাবে মাত্র ১৬ ওভারেই লক্ষ্যে পৌঁছে যান বিরাটরা। অধিনায়ক ফ্যাফ ডু’প্লেসিস আউট হয়ে যাওয়ার পর অনায়াসে রান তুলে নেয় বিরাট-জ্যাকস জুটি। বেঙ্গালুরুর প্রাক্তন অধিনায়ক অপরাজিত থাকেন ৭০ রানে। উইল জ্যাকস প্রথম দিকে ধীরে সুস্থেই খেলছিলেন। ৫০ রানে পৌঁছতে নেন ৩১ বল। কিন্তু পরের ১০ বলেই পৌঁছে যান শতরানে। রশিদ খান, মোহিত শর্মাদের প্রতিটা বলের ঠিকানা হয় মাঠের বাইরে।

Advertisement

[আরও পড়ুন: টি-২০ বিশ্বকাপের দল ঘোষণায় চমক, কারা সুযোগ পেলেন নিউজিল্যান্ড স্কোয়াডে?

১৬ তম ওভারে রশিদ খানের প্রথম বলে শর্ট রান নেন বিরাট। তখনও ম্যাচ জিততে বাকি ছিল ২৩ রান। কিন্তু তার পর যেটা হল, সেটা রশিদ বা বিরাট কেউই হয়তো ভাবতে পারেননি। পরের পাঁচ বলে জ্যাকস বাকি রান তুলে বেঙ্গালুরুকে ম্যাচ জিতিয়ে দেন। ৬-৬-৪-৬-৬ এরকম দেখতে ছিল ওভারের বাকি বলগুলি। সেই সঙ্গে জ্যাক্স নিজেও পৌঁছে যান শতরানে। যা দেখে মাথায় হাত খোদ কিং কোহলির!

[আরও পড়ুন: সেমিফাইনাল হেরে ক্ষুব্ধ, মোহনবাগান অধিনায়কের বিরুদ্ধে মারমুখী ওড়িশার ফুটবলাররা]

অথচ প্রথম বলের পর নিজের উপরই রাগ হয়েছিল বিরাটের। ম্যাচের পর ড্রেসিংরুমে ফিরে তিনি জ্যাকসকে বলেন, “প্রথম বলে ছয় না মারায় নিজের উপর খুব মাথা গরম হয়েছিল। কিন্তু তুমি যখন ৯৪ রানের মাথায় ছয় মারলে, তখন মনে শান্তি পেলাম। রান না নেওয়ার জন্য ঈশ্বরকে ধন্যবাদ দিলাম।” কীভাবে এই অসাধ্য সাধন করলেন জ্যাকস? সেটাও জানাচ্ছেন বিরাট, “শেষের ১০ বল ওর জন্যই ছিল। এমনকী আমি তৃতীয় রান নিতে চাইলেও না করছিল। তখনই ও ঠিক করে নিয়েছিল প্রতি বলে ছয় মারবে।”

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.