Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Ravichandran Ashwin

ভারতের স্পিন কর্তৃত্ব থামাতে চক্রান্ত আইসিসি-র! ওয়ানডের ভবিষ্যৎ নিয়েও বিস্ফোরক অশ্বিন

কেন টি-টোয়েন্টি বেশি জনপ্রিয়, সেটাও বলছেন অশ্বিন।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২৫, ২০:০৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২৫, ২০:০৮

options
link
ভারতের স্পিন কর্তৃত্ব থামাতে চক্রান্ত আইসিসি-র! ওয়ানডের ভবিষ্যৎ নিয়েও বিস্ফোরক অশ্বিন zoom
ফাইল ছবি

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ওয়ানডে-র ভবিষ্যৎ নিয়ে রীতিমতো দুশ্চিন্তায় রবিচন্দ্রন অশ্বিন। তার সঙ্গে অশ্বিনের অভিযোগ, ভারতের স্পিন কর্তৃত্ব নষ্ট করার জন্য ‘চক্রান্ত’ হয়েছে। আর তার জন্য দায়ী খোদ আইসিসি-র কয়েকটি নিয়ম। তবে সাম্প্রতিক সময়ে নয়। এই সিদ্ধান্তগুলো নেওয়া হয়েছে বেশ কয়েক বছর আগে।

টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট এখন অনেক বেশি জনপ্রিয়। এমনটাই মত অশ্বিনের। চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির উদাহরণ তুলে ধরে তিনি বলছেন,”আফগানিস্তানের সঙ্গে ইংল্যান্ডের ম্যাচের আগে ভাবছিলাম ওয়ানডে ক্রিকেটের আদৌ কোনও ভবিষ্যৎ আছে কিনা? একটা সত্যি কথা বলা দরকার। টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট এখন অনেক বেশি জনপ্রিয়। লোকে বেশি দেখেও, কারণ চার ঘণ্টার মধ্যে শেষ হয়ে যায়।”

Advertisement

কিন্তু কেন ওয়ানডে-র ভবিষ্যৎ নিয়ে দুশ্চিন্তায় অশ্বিন? সেই সঙ্গে আইসিসি-র কয়েকটি নিয়মে যথেষ্ট ক্ষুব্ধ তিনি। ভারতের প্রাক্তন স্পিনার বলছেন, “কিন্তু ওয়ানডের কথা আলাদা। এখানে কোনও প্রতিযোগিতাই নেই। ২০১৩-১৪ পর্যন্ত একটা বলে ওয়ানডে খেলা হত। ২০১৫-র আগেই নতুন নিয়ম কার্যকর হয়ে যায় যে, বৃত্তের মধ্যে মাত্র ৫ জন ফিল্ডার থাকবে। তারপর আসে দুই বলের নীতি। আমার বহুবার মনে হয়েছে, ভারতের স্পিন কর্তৃত্ব বন্ধ করার জন্য এই সব নিয়ম আনা হয়েছে।”

সেই সঙ্গে তাঁর বক্তব্য, “আমার মনে হয়, এই নিয়মগুলো ম্যাচে বিরাট প্রভাব ফেলেছে। এখন খেলা থেকে রিভার্স সুইং উঠে গিয়েছে। তাছাড়া ফিঙ্গার স্পিনারের গুরুত্বও কমে গিয়েছে।” অশ্বিনের মতে, ২০২৭-র বিশ্বকাপের পর আইসিসি-কে ওয়ানডে ক্রিকেট বাঁচানোর জন্য আসল পরীক্ষায় পড়তে হবে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.