Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩২ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ১৮ আগস্ট ২০২৬
Pakistan Air Strike

রমজান মাসে মানুষের জীবন নিয়ে ছেলেখেলা! হাসপাতালে পাক হামলায় গর্জে উঠলেন রশিদ-নবিরা

'রমজান মাসে হামলাকারী' ইজর‍ায়েল এবং পাকিস্তানকে একসারিতে বসিয়েছেন আফগান ক্রিকেটাররা। এবার কি পাকিস্তানের সঙ্গে ক্রিকেটীয় সম্পর্ক পুরোপুরি ছিন্ন করবে আফগানিস্তান?

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ১৭, ২০২৬, ১৫:৪২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ১৭, ২০২৬, ১৫:৪২

options
link
রমজান মাসে মানুষের জীবন নিয়ে ছেলেখেলা! হাসপাতালে পাক হামলায় গর্জে উঠলেন রশিদ-নবিরা zoom
বর্বরোচিত হামলার প্রতিবাদে গর্জে উঠেছেন আফগানিস্তানের ক্রিকেটাররা। ছবি: সংগৃহীত
Advertisement

পবিত্র রমজান মাসে কাবুলের হাসপাতালে হামলা করেছে পাকিস্তান (Pakistan Air Strike)। অন্তত ৪০০ জনের মৃত্যু হয়েছে এই আক্রমণে। এহেন বর্বরোচিত হামলার প্রতিবাদে গর্জে উঠেছেন আফগানিস্তানের ক্রিকেটাররা। রশিদ খান, মহম্মদ নবি, নবীন উল হক-প্রত্যেকেই তুলোধোনা করেছেন পাকিস্তানকে। ‘রমজান মাসে হামলাকারী’ ইজর‍ায়েল এবং পাকিস্তানকে একসারিতে বসিয়েছেন তাঁরা।

সোমবার রাতে কাবুলের হাসপাতালে হামলা হয়। ধ্বংস হয়ে যায় হাসপাতালের বিরাট অংশ। দাউদাউ করে জ্বলতে থাকে গোটা হাসপাতাল। সেই মর্মান্তিক দৃশ্যের ছবি ভাইরাল হয়েছে নেটদুনিয়ায়। হামলার পরেই সোশাল মিডিয়ায় ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন আফগান ক্রিকেটাররা। নবীন উল হক লেখেন, ‘ইজরায়েল এবং পাকিস্তানের মধ্যে কোনও তফাত দেখতে পাচ্ছি না।’ উল্লেখ্য, রমজান মাসে ইরানের উপর হামলা চালিয়ে মুসলিম বিশ্বে ক্ষোভের মুখে পড়েছে ইজরায়েল। কিন্তু মুসলিমপ্রধান দেশ হয়েও পাকিস্তান রমজান মাসে পড়শির উপর হামলা করেছে, সেই বিষয়টি উল্লেখ করে তুলোধোনা করেছেন আফগান ক্রিকেটাররা।

Advertisement

এক্স হ্যান্ডেলে রশিদ খান লেখেন, “কাবুলে হাসপাতালের উপর হামলায় আমি মর্মাহত। এইভাবে আক্রমণ আসলে যুদ্ধাপরাধ। রমজান মাসে মানুষের জীবন নিয়ে এমন ছেলেখেলা চলছে। আমি চাই রাষ্ট্রসংঘ এবং অন্যান্য মানবাধিকার সংগঠনগুলি এই জঘন্য হামলার তদন্ত করুক। এই কঠিন সময়ে আমার দেশের মানুষের পাশে আছি।” আফগান তারকা মহম্মদ নবিও ক্ষোভ উগরে দিয়ে লিখেছেন, ‘হাসপাতালে চিকিৎসা করাতে গিয়েছিল অল্পবয়সিরা। সেখানেই হামলা করল পাকিস্তান। দরজার বাইরে দাঁড়িয়ে মায়েরা সন্তানদের জন্য অপেক্ষা করছিলেন, কিন্তু সন্তানদের আর ফেরা হল না।’

উল্লেখ্য, গত বছর পাক হামলায় মৃত্যু হয়েছিল আফগানিস্তানের তিন তরুণ ক্রিকেটারের। এঁদের মধ্যে একজন জাতীয় দলে আসার দৌড়ে ছিলেন। বাকিরাও আফগান ক্রিকেট মহলে যথেষ্ট পরিচিত নাম। সেসময়েও পাকবিরোধিতায় সরব হয়েছিলেন রশিদরা। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ত্রিদেশীয় সিরিজও বয়কট করে আফগানিস্তান। মঙ্গলবারের মর্মান্তিক হামলার পর কি পাকিস্তানের সঙ্গে ক্রিকেটীয় সম্পর্ক পুরোপুরি ছিন্ন করবে আফগানিস্তান?

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.