Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৯ আষাঢ় ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ১৫ জুলাই ২০২৬
Pak Cricket Teams

ভারতে মাদক পাচার করতেন আখতাররা, আপত্তি করায় প্রাণ যায় উলমারের! চাঞ্চল্যকর দাবি

কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের প্রাক্তন আমলা মনে করেন, শুধু এই দুই ক্রিকেটারই নন, পাকিস্তানের আরও কয়েক জন ক্রিকেটার ভারতে মাদক পাচারের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তবে তাঁদের নাম তিনি প্রকাশ করেননি।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৫, ২০২৬, ১৫:০০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৫, ২০২৬, ১৫:০০

options
link
ভারতে মাদক পাচার করতেন আখতাররা, আপত্তি করায় প্রাণ যায় উলমারের! চাঞ্চল্যকর দাবি zoom
ভারতে মাদক পাচার করতেন আখতাররা? ফাইল ছবি।

পাকিস্তানের ক্রিকেটারদের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ তুলেছেন ভারতের প্রাক্তন আমলা আরভিএস মণি। এক সাক্ষাৎকারে তাঁর দাবি, পাকিস্তান ক্রিকেট দলের কিছু সদস্য ভারতে মাদক পাচারের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। শোয়েব আখতার এবং মহম্মদ আসিফের নামও করেছেন তিনি। তাঁর অভিযোগ, মাদক পাচারের বিরোধিতা করায় পাকিস্তানের প্রাক্তন কোচ বব উলমারের রহস্যজনক মৃত্যুও ঘটেছিল।

কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের প্রাক্তন আমলা মণির কথায়, “পাকিস্তান ক্রিকেট দল বা কোনও প্রতিনিধি দল ভারতে এলে সঙ্গে মাদক নিয়ে আসত। নিজেদের ব্যবহারের জন্য নয়, ভারতে মাদক পাচারের উদ্দেশ্যেই তা আনা হত। বব উলমার এই কাজে ক্রিকেটারদের ব্যবহার করার বিরোধিতা করেছিলেন। এরপর ২০০৭ সালে তাঁর রহস্যজনক মৃত্যু হয়।” তাঁর আরও দাবি, “ভারতে জঙ্গি হামলার প্রায় ৩০ শতাংশ অর্থ আসত মাদক ব্যবসা থেকে। পাকিস্তানের সরকারি নীতিরই অংশ ছিল ভারতে মাদক পাচার করা।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

ক্রিকেটারদের নাম উল্লেখ করে মণি বলেন, “শোয়েব আখতার এবং মহম্মদ আসিফের মাধ্যমে মাদক পাচারের চেষ্টা হয়েছিল। এই দুই ক্রিকেটার মাদক বহনের কথা স্বীকার করেছিলেন। পরে পাকিস্তানের দূতাবাস তাঁদের দেশে ফিরিয়ে নিয়ে যায়।” উল্লেখ্য, ২০০৬ সালে শোয়েব আখতার ও মহম্মদ আসিফ ডোপ পরীক্ষায় ব্যর্থ হন। নিষিদ্ধ ড্রাগের উপস্থিতি ধরা পড়ায় পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড শোয়েবকে দু’বছর এবং আসিফকে এক বছরের জন্য নির্বাসিত করেছিল। সেই কারণে ভারতের মাটিতে হওয়া চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির দল থেকেও শেষ মুহূর্তে বাদ দেওয়া হয়েছিল তাঁদের।

মণির মনে করেন, শুধু এই দুই ক্রিকেটারই নন, পাকিস্তানের আরও কয়েক জন ক্রিকেটার ভারতে মাদক পাচারের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তবে তাঁদের নাম তিনি প্রকাশ করেননি। উল্লেখ্য, আরভিএস মণি ২০০৬ থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকে দায়িত্বে ছিলেন। উল্লেখ্য, আরভিএস মণির এই দাবিগুলির পক্ষে তিনি প্রকাশ্যে কোনও প্রমাণ দেননি। সংশ্লিষ্ট ক্রিকেটার বা পাকিস্তানের পক্ষ থেকেও এই অভিযোগের বিষয়ে কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। 

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.