সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বিসিসিআইয়ের নতুন প্রেসিডেন্ট হওয়ার দৌড়ে সবার আগে রয়েছে মিঠুন মানহাসের নাম। ভারতের হয়ে যিনি একটা ম্যাচও খেলেননি। তবে দিল্লি দলে বিরাট কোহলির প্রথম অধিনায়ক ছিলেন তিনি। এমনকী কোহলির বাবার মৃত্যুর সময়ও পাশে ছিলেন তিনি। আবার অনেকে বলছেন, ভারতীয় দলের বহু প্রাক্তন প্লেয়ার তাঁর ঘনিষ্ঠ বন্ধু। তাছাড়া ‘সঠিক সময়ে সঠিক জায়গায়’ থাকার আশ্চর্য গুণও আছে মিঠুনের মধ্যে।
সংবাদসংস্থা পিটিআইকে দেওয়া একটি সাক্ষাৎকারে এক প্রাক্তন ক্রিকেটার মুখ খুলেছেন সম্ভাব্য বোর্ড প্রেসিডেন্টকে নিয়ে। তিনি বলছেন, “রনজি চলাকালীন যখন কোহলির বাবা প্রয়াত হন, তখন দিল্লি দলের অধিনায়ক ছিলেন মিঠুন। সেই সময় দিল্লির অবস্থাও খুব একটা ভালো ছিল না। তারপরও মিঠুন বিরাটকে বাড়ি চলে যেতে বলে। কিন্তু আবার যখন বিরাট বাড়ি যেতে রাজি হয়নি, তখনও কিন্তু ও পাশে ছিল।” এই ঘটনাটি ঘটে ২০০৬ সালের ডিসেম্বর মাসে কর্নাটকের বিরুদ্ধে ম্যাচ চলাকালীন।
মিঠুন ঘরোয়া ক্রিকেটে দিল্লির হয়ে প্রচুর রনজি ম্যাচ খেলেছেন। আবার আইপিএলে দিল্লি ডেয়ারডেভিলস, পুনে ওয়ারিয়ার্স, চেন্নাই সুপার কিংসে খেলেছেন। ৫৫ ম্যাচে তাঁর রানসংখ্যা ৫১৪। স্ট্রাইক রেট ১০৯.৩৬। খুব একটা আকর্ষণীয় পরিসংখ্যান নয়। যেখানে সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়, হরভজন সিংয়ের মতো ভুবনবিখ্যাত নাম প্রেসিডেন্ট হওয়ার দৌড়ে ছিল। ওই ক্রিকেটার বলছেন, “ওর বেশিরভাগ বন্ধুই আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বেশ নামকরা প্লেয়ার ছিল। বীরেন্দ্র শেহওয়াগ, যুবরাজ সিংরা ওর বন্ধু। একটা সময় তো বীরু আর ও দুষ্টুমির সঙ্গী ছিল।”
বর্তমানে জম্মু-কাশ্মীরের ক্রিকেট উন্নতির সঙ্গে যুক্ত মিঠুন। রঘুরাম ভাট এক সময়ে প্রেসিডেন্টের প্রবল দাবিদার ছিলেন। কিন্তু এখন তিনি সম্ভবত কোষাধ্যক্ষের পদ পাচ্ছেন। রাজীব শুক্লা হয়তো ভাইস প্রেসিডেন্ট পদেই থাকবেন। প্রভতেজ ভাটিয়া সম্ভবত যুগ্ম সচিব। আইপিএল প্রধান হয়তো অরুণ ধুমালই থাকছেন।
সর্বশেষ খবর
-
করিনা কাপুরের ছবিতে তরুণী ডাক্তারের ধর্ষণ-খুনের ঘটনা! জল্পনা বাড়তেই পরিচালক বললেন…
-
পুজোর মেনুতে থাকবে মাছ-মাংস! আমিষ ‘আপত্তি’ উড়িয়ে বিশেষ বার্তা দিতে পারেন শুভেন্দু
-
সোহা খাতুনের মুখে সংস্কৃত শ্লোক, গল্পপাঠ তাবাসসুমের! নবদ্বীপের স্কুলে ‘সংস্কৃত দিবসে’র অনন্য ছবি
-
ব্রাজিল ম্যাচ করে উন্নতি হবে ভারতীয় ফুটবলের? সৌরভের সপাট জবাব, ‘ক্রিকেটের থেকে শিখুক…’
-
‘বিগ বস-এর ঘরে…’, কণ্ঠ শুনলেই ঘুম ওড়ে প্রতিযোগীদের! ব্যারিটোন ভয়েসের নেপথ্যে কে?