Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৯ আগস্ট ২০২৬
MS Dhoni

সরকারের দেওয়া জমির ‘অপব্যবহার’, নিজের রাজ্যেই আইনি নোটিস ধোনিকে

আইপিএলের আগেই আইনি জটিলতায় মহেন্দ্র সিং ধোনি। ঝাড়খণ্ড রাজ্য হাউজিং বোর্ড আইনি নোটিস পাঠিয়েছে ভারতের প্রাক্তন অধিনায়ককে। অভিযোগ, রাঁচিতে তাঁর নামে যে জমি বরাদ্দ করা হয়েছে, তার 'অপব্যবহার' করছেন ধোনি।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২৬, ১৩:১২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২৬, ১৩:১২

options
link
সরকারের দেওয়া জমির ‘অপব্যবহার’, নিজের রাজ্যেই আইনি নোটিস ধোনিকে zoom
মহেন্দ্র সিং ধোনি। ফাইল ছবি।
Advertisement

আইপিএলের আগেই আইনি জটিলতায় মহেন্দ্র সিং ধোনি (MS Dhoni)। ঝাড়খণ্ড রাজ্য হাউজিং বোর্ড আইনি নোটিস পাঠিয়েছে ভারতের প্রাক্তন অধিনায়ককে। অভিযোগ, রাঁচিতে তাঁর নামে যে জমি বরাদ্দ করা হয়েছে, তার ‘অপব্যবহার’ করছেন ধোনি।

ঝাড়খণ্ড হাউজিং বোর্ডের চেয়ারম্যান সঞ্জয়লাল পাসওয়ানের বক্তব্য, রাঁচির ওই জমি শুধুমাত্র বসবাসের জন্য দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু এখন তাঁদের নজরে এসেছে যে তা ব্যবসায়িক কারণে ব্যবহার করা হচ্ছে। অর্থাৎ যে শর্তে জমিটি দেওয়া হয়েছিল, তা লঙ্ঘন করা হচ্ছে। শুধু ধোনি নয়, আরও অনেককে নোটিস পাঠিয়ে জানতে চাওয়া হয়েছে, কেন ওই জমি ব্যবসায়িক কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে?

Advertisement

পাসওয়ান আরও জানিয়েছেন, সম্প্রতি হাউজিং বোর্ডের তদন্তে এই ‘অপব্যবহারের’ বিষয়টি নজরে এসেছে। যদি এই বিষয়ে ধোনি বা অন্যান্যদের থেকে যুক্তিপূর্ণ উত্তর না আসে, তাহলে ওই জমির বরাদ্দ বাতিল করা হতে পারে। তবে ধোনি ওই জমিতে থাকেন না। তাঁর বর্তমান বাড়ি রাঁচির রিং রোডে। অন্যদিকে এই বিতর্কিত জমিটি হার্মু রোডে, যেখানে তিনি আগে থাকতেন। জানা গিয়েছে, ওই জমিতে বেসরকারি চিকিৎসাকেন্দ্র খোলার অভিযোগ উঠতে হাউজিং বোর্ড তদন্ত শুরু করে।

একই অভিযোগ উঠেছে ভারতীয় জনতা পার্টির বিরুদ্ধেও। ওই হার্মু রোডের বিতর্কিত জমিতে বিজেপির রাজ্য কার্যালয় রয়েছে। এই নিয়ে হাউজিং বোর্ড থেকে তাদেরকেও নোটিস পাঠানো হয়েছে। এই নিয়ে তদন্ত চলছে। সেই অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে। উল্লেখ্য, সম্প্রতি একটি মানহানির মামলায় প্রাক্তন ভারতীয় ক্রিকেটারকে ১০ লক্ষ টাকা দিতে নির্দেশ দিয়েছে মাদ্রাজ হাই কোর্ট। ২০১৩ সালে আইপিএলের গড়াপেটা সংক্রান্ত একটি মামলার প্রেক্ষিতে উচ্চ আদালত এই নির্দেশ দিয়েছে। একমাসের মধ্যে এই অর্থ জমা দিতে হবে প্রধান বিচারপতির ত্রাণ তহবিলে।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.