Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
CAB

ব্যর্থতার ‘শাস্তি’, কটক থেকে বাসে ফিরল জুনিয়র বাংলা

টিকিট জোগাড় হয়নি, দাবি সিএবি'র।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৪, ২০২৬, ১২:০২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৪, ২০২৬, ১২:০২

options
link
ব্যর্থতার ‘শাস্তি’, কটক থেকে বাসে ফিরল জুনিয়র বাংলা zoom

শিলাজিৎ সরকার: গত বুধবার বর্ষশেষের রাতে প্রায় গোটা পৃথিবী মেতে উঠেছিল উদযাপনে। আর সেই বর্ষবরণের রাতটা বাংলার অনূর্ধ্ব-১৬ ক্রিকেটাররা কোথায় কাটাল? নিজেদের বাড়িতে? উত্তরটা হল, না। বাংলার অনূর্ধ্ব-১৬ ক্রিকেটাররা বর্ষবরণের রাত কাটাল বাসে!

ঠিক কী হয়েছে? কটকে বিজয় মার্চেন্ট ট্রফির ম্যাচ খেলতে গিয়েছিল বাংলা। গ্রুপের শেষ ম্যাচে মণিপুরের মুখোমুখি হয় দল। ২৯ ডিসেম্বর শুরু হয়ে বাংলার ম্যাচ শেষ হয় ৩১ ডিসেম্বর সকালে। কিন্তু খেলা শেষে ফ্লাইটে নয়, ক্রিকেটারদের ফিরতে হয় বাসে করে! কটক থেকে সাত-আট ঘণ্টার বাস জার্নি করে! আর শুধুই কচিকাঁচারা নয়, টিমের সঙ্গে ছিলেন দুই সাপোর্ট স্টাফ, যাঁরা বাংলার প্রাক্তন রনজি ক্রিকেটার। অরিন্দম দাস এবং সৌরভ সরকার। যাঁরা এ মুহূর্তে বাংলার অনূর্ধ্ব-১৬ দলের কোচ।

Advertisement

কিন্তু ফ্লাইটের জায়গায় বাসে করে ফেরানো হল কেন? বাংলার জুনিয়র দলগুলোর দেখাশোনার দায়ভার যাঁর উপর, সেই সিএবি যুগ্ম সচিব মদন ঘোষকে যোগাযোগ করায় তিনি বললেন, “শহরে টিমকে ফেরানোর জন্য পর্যাপ্ত ফ্লাইট বা ট্রেন টিকিট জোগাড় করা যায়নি।” কিন্তু বাংলা ক্রিকেটের একাংশ বলছে, এটা আদতে ‘শাস্তি’! বাংলা বিজয় মার্চেন্ট ট্রফির নকআউট পর্বে কোয়ালিফাই করতে পারেনি। তাই ‘শাস্তিমূলক পদক্ষেপ’ হিসাবে নাকি টিমকে বাসে ফেরানো হয়েছে! বলা হচ্ছে, বাংলা যে পরের পর্বে যাবে না, তা স্পষ্ট হয়ে গিয়েছিল গত ২৫ ডিসেম্বর চতুর্থ ম্যাচের পরই। তা হলে? পরের পাঁচদিনের মধ্যে ফেরার টিকিট জোগাড় করা যায়নি? সেটাও বিদেশ নয়, পড়শি রাজ্যের শহর ভুবনেশ্বর থেকে!

আর জুনিয়র টিমের বাসযাত্রাও যে সম্পূর্ণ নির্ঝঞ্ঝাট হয়েছে, লেখা যাবে না। বাস মাঝপথে খারাপ হয়ে যায়। তখন নতুন বাসের বন্দোবস্ত করতে হয় সিএবিকে। বিকল্প বাসের অপেক্ষায় দীর্ঘক্ষণ রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকতে হয় নাবালক ক্রিকেটারদের! শেষ পর্যন্ত রাত একটায় শহরে ফেরে টিমের বাস। যে ক্রিকেটারদের বাড়ি দূরে, তাদের সিএবি ডরমেটরিতে থাকতে বলে দেওয়া হয়। আর যাদের বাড়ি কাছে, তাদের নিজেদের মতো বন্দোবস্ত করে চলে যেতে বলা হয়!

যে অভিযোগ সত্যি হলে বিস্মিত করে দেওয়ার মতো নিঃসন্দেহে। বলা হচ্ছে, বোর্ড থেকে প্রতি বছর কোটি কোটি টাকা পেয়ে থাকে সিএবি। আর সেই সংস্থা কি না রাজ্য টিমকে বাসে করে ফেরাবে? বাংলা ক্রিকেটারদের কি এটা প্রাপ্য? কেউ কেউ বললেন, সিএবি যুগ্ম সচিব যা বলছেন, তা সত্যি হলে দু’টো দিন কি দাঁড়ানো যেত না? তড়িঘড়ি করে বাসে ফেরাতে হবে টিমকে? দু’টো দিন বাড়তি টিমকে হোটেলে রাখলে কি সিএবি’র কোষাগার ফাঁকা হয়ে যেত?

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.