মহেন্দ্র সিং ধোনি (MS Dhoni) এবং তাঁর আত্মত্যাগ। ভারতীয় ক্রিকেটে মিথ। যেভাবে তিনি দলের অধিনায়কত্ব ছেড়েছেন, যেভাবে স্রেফ একটা টুইটে অবসরের ঘোষণা করেছেন, সেসব এই প্রজন্মের কাছে উদাহরণ হিসাবে তুলে ধরা হয়। কিন্তু জাতীয় দলের প্রাক্তন এক নির্বাচক এবার যা দাবি করলেন তাতে ধোনির অবসর নিয়ে মিথ ভেঙে যেতে পারে। ওই নির্বাচকের দাবি, ধোনি নিজের ইচ্ছায় অধিনায়কত্ব ছাড়েননি। বরং তাঁকে অধিনায়কত্ব ছাড়তে চাপ দিয়েছিল ভারতীয় বোর্ড।
জাতীয় দলের জার্সিতে ৩টি আইসিসি ট্রফি, আর কোনও অধিনায়ক মেন ইন ব্লুর জার্সিতে এতটা সফল হননি। ২০১৪ সালে আচমকাই বর্ডার-গাভাসকর ট্রফির মাঝপথে টেস্ট অধিনায়কত্ব ছাড়েন ধোনি। ৩ বছর বাদে তিনি ওয়ানডে অধিনায়কত্ব তুলে দেন বিরাট কোহলির হাতে। প্রাক্তন জাতীয় নির্বাচক যতীন পরাঞ্জাপের দাবি, সেই সিদ্ধান্তের নেপথ্যে ছিল বিসিসিআইয়ের চাপ। স্বেচ্ছায় অধিনায়কত্ব ছাড়েননি ধোনি।
আরও পড়ুন:
পরাঞ্জাপে বলছেন, সেসময় নির্বাচক প্রধান ছিলেন এমএসকে প্রসাদ। তিনি এবং নির্বাচক মণ্ডলী ২০১৭ সালে ঠিক করে ফেলেছিলেন, কোহলির হাতে সব ফরম্যাটের অধিনায়কত্ব তুলে দেওয়ার সেটাই সেরা সময়। সেই সিদ্ধান্তের কথা ধোনিকে জানানোর জন্য বিস্তর পরিকল্পনাও করেছিলেন তাঁরা। যাতে মাহি কোনওভাবে অসম্মানিত বোধ না করেন। সেই ঘটনার স্মৃতিচারণা করে পরাঞ্জাপে বলছেন, “মাহি অনেকক্ষণ ধরে ব্যাট করছিলেন। আমি আর এমএসকে শুধু একে অপরের মুখ চেয়ে বসেছিলাম। ধোনি ফেরার পর ওঁর কাছে গিয়ে বললাম, দেখো মাহি আমাদের মনে হয় এবার সময় এসেছে এগিয়ে যাওয়ার।”
পরাঞ্জাপের কথায়, সঙ্গে সঙ্গে রাজি হয়ে যান ধোনি। তিনি বলেন, “আমারও মনে হয় এটা সেরা সময়। আমাকে কী করতে হবে সেটা বলুন।” নির্বাচকরা ধোনিকে জানান, একটা ইমেলে লিখে দিতে হবে যে তিনি আর অধিনায়কত্ব করতে চান না।” পরাঞ্জাপে জানান, রাতের মধ্যেই ধোনি ইমেলে সেই কথাটাই লিখে তাঁদের পাঠিয়েছিলেন। বস্তুত, কোনও প্রতিবাদ ছাড়াই নির্বাচকদের সেই সিদ্ধান্ত তিনি মেনে নেন। তবে অধিনায়কত্ব ছাড়াটা তাঁর স্বেচ্ছার সিদ্ধান্ত ছিল না।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
ফের ভূমিকম্পে কেঁপে উঠছে মাটি, আতঙ্কের গ্রাসে দার্জিলিং-সহ উত্তর
-
টাকি পুরসভার ‘বিদ্রোহী’ তৃণমূল কাউন্সিলরের পদত্যাগ, জোর জল্পনা
-
অরূপ-স্বরূপের ‘রহস্যময় ঘরে’ তল্লাশি পুলিশের, উদ্ধার মোবাইল-আইপ্যাড, প্রচুর নথি!
-
কুলটিতে ‘ভয় আউট, ভরসা ইন’, মন্ত্রীর জনতার দরবারে ৫ বছরের সমস্যার সমাধান ২৪ ঘণ্টায়!
-
আলিপুরদুয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের ইউনিয়ন রুমে কন্ডোম, নেশার সামগ্রী! শোরগোল শিক্ষাঙ্গনে