Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৪ আষাঢ় ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ২০ জুন ২০২৬
Vaibhav Sooryavanshi

সেঞ্চুরি মিস হতেই বৈভবকে ‘ধমক’ রিয়ানের, বিদায়ের নেপথ্যে ‘চক্রান্ত’ দেখছেন রাজস্থান অধিনায়ক?

এই নিয়ে গত চারটে ইনিংসে তৃতীয়বার ৯০-র ঘরে আউট হল বৈভব। এলিমিনেটরে ৯৭, কোয়ালিফায়ারে ৯৬। অল্পের জন্য সেঞ্চুরি মিস। গুজরাটের বিরুদ্ধে ৪৭ বলে ৯৬ রান করে আউট হয় বৈভব।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ৩০, ২০২৬, ২০:১৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ৩০, ২০২৬, ২০:১৮

options
link
সেঞ্চুরি মিস হতেই বৈভবকে ‘ধমক’ রিয়ানের, বিদায়ের নেপথ্যে ‘চক্রান্ত’ দেখছেন রাজস্থান অধিনায়ক? zoom
ডাগআউটে বৈভবকে 'ধমক' রিয়ানের।

পরপর দু’ম্যাচে সেঞ্চুরি মিস। গুজরাট টাইটান্সের বিরুদ্ধে একটু ধৈর্য ধরলে সেঞ্চুরি করে আসত বৈভব সূর্যবংশী (Vaibhav Sooryavanshi)। কিন্তু দলের স্বার্থ বিবেচনা করতে গিয়ে রানের গতি বাড়াতে যায় ১৫ বছরের বিস্ময় প্রতিভা। ফলে ৯৬ রানে আউট। ডাগআউটে ফিরে শুনতে হল রাজস্থান রয়্যালসের অধিনায়ক রিয়ান পরাগের ‘ধমক’। আর ম্যাচ হারের কারণ নিয়ে বড়সড় মন্তব্য রিয়ানের।

এলিমিনেটরে ৯৭, কোয়ালিফায়ারে ৯৬। অল্পের জন্য সেঞ্চুরি মিস। গুজরাটের বিরুদ্ধে ৪৭ বলে ৯৬ রান করে আউট হয় বৈভব। যেখানে রাজস্থানের বাকি ব্যাটাররা বড় রান পাননি, সেখানে মাটি কামড়ে পড়ে থেকে রান করে যায় ১৫ বছর বয়সি ক্রিকেটার। কিন্তু এবারও দুর্ভাগ্য যে সেঞ্চুরি পেল না। এই নিয়ে গত চারটে ইনিংসে তৃতীয়বার ৯০-র ঘরে আউট হল বৈভব।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

ডাগআউটে ফিরে বিধ্বস্ত হয়ে বসে ছিল সে। সেই সময় দেখা যায়, রিয়ান আঙুল তুলে কিছু একটা বলছেন। বৈভব যেন বোঝানোর চেষ্টা করেও থেমে যায়। তবে রিয়ান সত্যিই ‘ধমক’ দিয়েছেন কি না, তা বলা সম্ভব নয়। অনেকের মতে, ম্যাচের মাঝেই বৈভবের সঙ্গে এভাবে আঙুল তুলে কথা বলা উচিত হয়নি রিয়ানের। আবার অনেকের মতে, সেঞ্চুরি মিস করায় রিয়ান যেন ‘দাদা’র মতো শাসন করে দিয়েছেন।

২১৪ রান করেও কোয়ালিফায়ার ২-এ হেরে বিদায় নিয়েছে রাজস্থান। দুরন্ত সেঞ্চুরি করেছেন শুভমান গিল। কোথায় ভুল হল? রাজস্থান অধিনায়কের মন্তব্য, দ্বিতীয় ইনিংসে উইকেট আরও সহজ হয়ে গিয়েছিল। কীভাবে? রিয়ান বলছেন, “ম্যাচ সমানে সমানে ছিল। ২১৫ রান বাঁচানো যেত। কিন্তু দ্বিতীয় ইনিংসের আগে হেভি রোলার চালানো হয়। তাই পিচ আরও সহজ হয়ে গিয়েছিল। প্রথম ইনিংসে স্পিনাররা কিছুটা সুবিধা পেয়েছে। শর্ট বল ও স্লোয়ার বল পিচে আটকে যাচ্ছিল। তবে আমরা ২৩০ রান করতে পারতাম। বড় ম্যাচে ১৫-২০ রান পার্থক্য গড়ে দেয়। তাছাড়া আমরা ওপেনারদের আউট করতে পারিনি।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.