Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৪ আষাঢ় ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ৩০ জুন ২০২৬
Salman Khan

‘সরি ভাই’, পাঞ্জাবকে হারিয়ে সলমন খানের কাছে ক্ষমা চাইলেন রাজস্থান ক্রিকেটার, কিন্তু কেন?

রাজস্থানের ৬ উইকেটে জয়ের পর ফ্রাঞ্চাইজির তরফে একটি ভিডিও পোস্ট করা হয়। সেখানে রাজস্থান ক্রিকেটারকে হিন্দিতে বলতে শোনা গিয়েছে, "সরি ভাই, আজ নেহি।" প্রশ্ন হল, সলমনের কাছে হঠাৎ ক্ষমা চাইতে গেলেন কেন?

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২৯, ২০২৬, ১৭:৩১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২৯, ২০২৬, ১৭:৩১

options
link
‘সরি ভাই’, পাঞ্জাবকে হারিয়ে সলমন খানের কাছে ক্ষমা চাইলেন রাজস্থান ক্রিকেটার, কিন্তু কেন? zoom

পাঞ্জাব কিংসের অপরাজিত তকমা ঘুচিয়েছে রাজস্থান রয়্যালস। মঙ্গলবার মুলানপুরে ২২৩ রানের লক্ষ্য তাড়া করে শ্রেয়স আইয়ারদের দলকে হারিয়েছে তারা। রাজস্থানের নতুন নায়ক হিসাবে আবির্ভূত ডোনোভান ফেরেরা। মাত্র ২৬ বলে অপরাজিত ৫২ রানের বিধ্বংসী ইনিংস খেলে পাঞ্জাবের মুখ থেকে জয়ের গ্রাস কেড়ে নিয়েছেন। দুর্ধর্ষ ইনিংসে ম্যাচ জেতানোর পর বলিউডের ‘ভাইজান’ সলমন খানের (Salman Khan) কাছে ক্ষমা চেয়ে নিলেন। কিন্তু কেন?

রাজস্থানের ৬ উইকেটে জয়ের পর ফ্রাঞ্চাইজির তরফে একটি ভিডিও পোস্ট করা হয়। সেখানে ডোনোভানকে হিন্দিতে বলতে শোনা গিয়েছে, “সরি ভাই, আজ নেহি।” প্রশ্ন হল, সলমনের কাছে হঠাৎ ক্ষমা চাইতে গেলেন কেন? তার জন্য ফিরে যেতে হবে একযুগ আগে। ২০১৪-র ফাইনালে দেখা হয়েছিল কেকেআর এবং পাঞ্জাবের। রুদ্ধশ্বাস সেই ম্যাচে ৩ উইকেটে জেতে শাহরুখের টিম। তার কিছুদিন আগে প্লে অফের ম্যাচেও অনায়াসে জিতেছিল নাইটরা। তখনই প্রীতির টিমকে খোঁচা দিয়ে টুইট করেছিলেন সলমন। লিখেছিলেন, ‘প্রীতির দল কি জিতল?’ সেই পোস্ট উল্লেখ করেই পঞ্জাবকে খোঁচা দিয়েছে রাজস্থান বলে মনে করা হচ্ছে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

উল্লেখ্য, দু’সপ্তাহ আগে ১২ বছর পর প্রীতি জিন্টার দলকে নিয়ে মুখ খুলেছিলেন সলমন খান। শেষবার যখন পাঞ্জাব কিংসকে নিয়ে ‘টাইগার’ সোশাল মিডিয়ায় পোস্ট করেছিলেন, তখন রীতিমতো খোঁচাই দিয়েছিলেন। অবশেষে পাঞ্জাবের দাপট দেখে ‘শাবাশি’ দিতে বাধ্য হন সলমন। তখন ৭ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে ছিল পাঞ্জাব। তারপরই সলমন সোশাল মিডিয়ায় লেখেন, ‘দারুণ জিন্টা। অনেক শুভেচ্ছা। তোমার দল ভালো খেলছে।’ সঙ্গে প্রীতি জিন্টাকে ট্যাগও করেছেন সলমন। তবে এবার সেই সলমনকে কার্যত খোঁচা দিলেন ডোনোভান-সহ গোটা রাজস্থান টিম।

উল্লেখ্য, পঞ্জাবের দেওয়া ২২৩ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে অসাধারণ শুরু করেন রাজস্থানের দুই ওপেনার যশস্বী জয়সওয়াল এবং বৈভব সূর্যবংশী। ম্যাচের শুরুতেই ঝড় তুলেছিলেন ১৫ বছরের বিস্ময় কিশোর। অভিজ্ঞ অর্শদীপ সিংয়ের উপর প্রথম থেকেই ‘নির্দয়’ ছিল সে। এরপর লকি ফার্গুসনকেও ছাড় দেয়নি। তবে শেষ পর্যন্ত ১৬ বলে ৪৩ রানের বিস্ফোরক ইনিংস খেলে লং অনে ক্যাচ দিয়ে ফিরতে হয় তাকে। বৈভবের ইনিংসে ছিল ৩টি চার, ৫টি ছক্কা। বৈভবের বিদায়ের পর দায়িত্ব নেন যশস্বী। ২৭ বলে ৫১ রানের দায়িত্বশীল ইনিংস খেলেন তিনি। তবে একটা সময় ৩৬ বলে ৭১ রান দরকার ছিল রাজস্থানের। তখনই জ্বলে ওঠে ডোনোভান ফেরেরার ব্যাট। ২৬ বলে ৫২ রানের দাপটে ম্যাচ জেতে রাজস্থান।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.