রাজস্থান রয়্যালস: ২০৫/৮ (জুরেল ৩৮, আর্চার ৩২, শার্দূল ৪১/১)
মুম্বই ইন্ডিয়ান্স: ১৭৫/৯ (সূর্যকুমার ৬২, হার্দিক ৩৪, আর্চার ১৭/৩)
৩০ রানে জয়ী রাজস্থান।
এই বিষয়ে আরও খবর
ইডেন গার্ডেন্সে মাঠে নামার আগে কলকাতা নাইট রাইডার্স সমর্থকরা দুরুদুরু বুক নিয়ে বসেছিলেন টিভির সামনে। কেউ আবার মোবাইলেও নজর রাখছিলেন। কারণ, ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে রবিবাসরীয় দুপুরে মুম্বই ইন্ডিয়ান্স বনাম রাজস্থান রয়্যালসের (MI VS RR) দ্বৈরথ ছিল। এই ম্যাচের ফলাফলের ওপরই অনেকটাই নির্ভর করছিল কেকেআরের ভাগ্য। সমর্থকরা মনেপ্রাণে চাইছিলেন রাজস্থানের হার। কারণ গোলাপি বাহিনী হারলেই প্লেঅফে যাওয়ার আশা বেঁচে থাকত কেকেআরের। কিন্তু সে গুড়ে বালি। সূর্যকুমার যাদবের দুরন্ত ইনিংসও জেতাতে পারল না মুম্বইকে। হার্দিকদের ৩০ রানে হারাল রাজস্থান। এই জয়ের সঙ্গে সঙ্গে চতুর্থ দল হিসাবে প্লেঅফ নিশ্চিত করল বৈভব সূর্যবংশীরা। একই সঙ্গে ইডেনে খেলা শেষ হওয়ার আগে প্লেঅফের লড়াই থেকে ছিটকে গেল নাইটরা।
ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই আগ্রাসী মেজাজে ছিলেন যশস্বী জয়সওয়াল। একের পর এক বড় শট খেললেও উইল জ্যাকসের বলে ১৭ বলে ২৭ রান করে ফিরে যান তিনি। এরপর দ্রুত ধাক্কা খায় রাজস্থান। দীপক চাহরের বলে মাত্র ৪ রান করে আউট বৈভব সূর্যবংশী। অধিনায়ক রিয়ান পরাগ আবারও ব্যর্থ। ১৪ রানেই শেষ হয় তাঁর ইনিংস। ফলে পাওয়ার প্লে-র মধ্যেই ৫৪ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় দল।
এরপর দাসুন শনাকা ও ধ্রুব জুরেল ইনিংস সামলানোর চেষ্টা করেন। শনাকা কিছুটা আগ্রাসী ছিলেন। তবে ২৯ রানে রানে সাঙ্গ হয় তাঁর ইনিংস। ধ্রুব জুরেল ৩৮ রানে আউট হলে আরও বিপাকে পড়ে দল। ডোনোভান ফেরেরা ১৮ রান করে আউট হওয়ার পর ১৩৯ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে ফেলেছিল রাজস্থান। সেখান থেকে জফ্রা আর্চারের ঝোড়ো ১৫ বলে ৩২ রান এবং শেষ দিকে রবীন্দ্র জাদেজা (১৯*) ও নান্দ্রে বার্গারের (১০*) কার্যকর ইনিংসে ভর করে ২০ ওভারে ৮ উইকেটে ২০৫ রান তোলে তারা।

জবাবে শুরু থেকেই ব্যাটিং বিপর্যয়ের সামনে পড়ে মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। জফ্রা আর্চারের পাতা ফাঁদে পড়ে আউট হলেন ইমপ্যাক্ট প্লেয়ার হিসাবে নামা রোহিত শর্মা। অফ স্টাম্পের কাছাকাছি ১৪৫ কিমির লেংথ বলে সামান্য সুইং করে। যা শরীর থেকে দূরে গিয়ে ড্রাইভ করতে গিয়ে ভুল করে বসেন হিটম্যান। ব্যাটের কানা লেগে বল চলে যায় জুরেলের হাতে। শূন্য রানে ফিরতে হয় তাঁকে। এরপর নমন ধীরকেও ফেরান ইংরেজ পেসার। তাঁর আগুনে গতির সামনে তখন থরহরিকম্প অবস্থা মুম্বইয়ের। এই সুযোগ নিয়ে রাজস্থান অধিনায়ক পাওয়ার প্লে-তেই টানা তিন ওভার বল করিয়ে নিলেন আর্চারকে। রান পেলেন না তিলক বর্মাও। ব্রিজেশ শর্মার বলে মাত্র ৩ রানে বোল্ড হয়ে সাজঘরে ফিরলেন।
A tough end to the season.@ril_foundation | #ESAMatchDay #MIvRR pic.twitter.com/9iEl2SFiu2
— Mumbai Indians (@mipaltan) May 24, 2026
৩৮ রানে ৪ উইকেট হারানো একটা দলকে টেনে তোলার কাজটি করেন সূর্যকুমার যাদব এবং উইল জ্যাকস। তাঁদের জুটিতে ওঠে ৬৩ রান। যদিও যশ পুঞ্জার বলে ব্যক্তিগত ৩৩ রানে ফেরেন জ্যাকস। এরপর অধিনায়ক হার্দিক পাণ্ডিয়া নেমেই হাত খুলে মারতে শুরু করেন। তবে ১৫ বলে ৩৪-এর বেশি করতে পারলেন না। সৌজন্যে আর্চার। ১৬তম ওভারে তাঁর হাতে বল তুলে দেন রিয়ান পরাগ। অধিনায়কের আস্থার মর্যাদা রেখে হার্দিককে আউট করেন। এরপর এলেন আর গেলেন করবিন বস (২)। সব মিলিয়ে চার ওভারে ১৭ রান দিয়ে নিলেন ৩ উইকেট। এর কিছুক্ষণের মধ্যেই ‘ইন্দ্রপতন’। রাজস্থানের জয়ের পথের সবচেয়ে বড় বাধা সূর্যকুমারকে দুরন্ত ক্যাচে ফেরালেন বার্গার। সূর্য করে গেলেন ৪২ বলে ৬২ রান। তিনি সাজঘরে ফেরার পর মুম্বইয়ের হার ছিল সময়ের অপেক্ষা। ৯ উইকেটে ১৭৫ রানে থামে তাদের ইনিংস। ১৪ ম্যাচে মাত্র ৮ পয়েন্ট নিয়ে আট নম্বরে শেষ করল তারা।
এই বিষয়ে আরও খবর
সর্বশেষ খবর
-
‘বহুদিন সম্পর্ক থাকলে ধর্ষণ নয়’, বিবাহের প্রতিশ্রুতি দিয়ে সহবাস মামলায় রায় এলাহাবাদ হাই কোর্টের
-
গ্রেপ্তারির পরেও বুক চিতিয়ে জনতার মাঝে, সবক শেখাতে তৃণমূল নেতাকে ‘ডিম দাওয়াই’!
-
অ্যাঞ্জেলিনা জোলির সঙ্গে জুটি বাঁধছেন প্রিয়াঙ্কা চোপড়া! সুখবর দিলেন অভিনেত্রী নিজেই
-
দমদম বিমানবন্দরের ঘটনায় মুখ খুললেন অভিষেক, কী বললেন?
-
সই জাল কাণ্ডে শোভনদেবের বাড়িতে সিআইডি, আধ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ তৃণমূল বিধায়ককে



