Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৫ আষাঢ় ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ১ জুলাই ২০২৬
Mohammad Shami

শামি পুরস্কার পেতেই চটে লাল নাইটভক্তরা! ম্যাচ হেরে আম্পায়ারকে দুষলেন লখনউ সমর্থকরাও

সুপার ওভারে ম্যাচ জিতে নেয় নাইটরা। সেসবের মধ্যে চর্চায় অঙ্গকৃষ রঘুবংশীর রানআউট। আবার আম্পায়ারের 'ভুল' তুলে ধরে লখনউ-ভক্তদের দাবি, ম্যাচ টাই নয়, জেতা উচিত ছিল তাদের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২৭, ২০২৬, ২০:০৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২৭, ২০২৬, ২০:০৫

options
link
শামি পুরস্কার পেতেই চটে লাল নাইটভক্তরা! ম্যাচ হেরে আম্পায়ারকে দুষলেন লখনউ সমর্থকরাও zoom
লখনউ সতীর্থদের সঙ্গে মহম্মদ শামি। ছবি: এএফপি

অঙ্গকৃষ রঘুবংশীকে ‘লক্ষ্য’ করে বল ছোড়া, শেষ বলে ছক্কা মেরে ম্যাচ টাই করানো। লখনউ সুপার জায়ান্টস ম্যাচ হারলেও ‘নায়ক’ মহম্মদ শামি (Mohammad Shami)। এলএসজি শিবিরে বুদ্ধিমত্তার জন্য বিশেষ পুরস্কারও পেলেন বাংলার পেসার। আর তাতেই বেজায় চটেছেন নাইট রাইডার্সের সমর্থকরা। আবার পালটা আম্পায়ারের ‘ভুল’ তুলে ধরে লখনউ-ভক্তদের দাবি, ম্যাচ টাই নয়, জেতা উচিত ছিল তাদের।

প্রথমে ব্যাট করে কেকেআর তোলে ১৫৫ রান। কিন্তু অল্প রানের লক্ষ্য তুলতে হিমশিম খায় লখনউ। শেষমেশ ঋষভ পন্থরাও ১৫৫ রানই তোলে। সুপার ওভারে ম্যাচ জিতে নেয় নাইটরা। সেসবের মধ্যে চর্চায় অঙ্গকৃষ রঘুবংশীর রানআউট। একটা বল রান নিতে চেষ্টা করেও ফিরে যাচ্ছিলেন তিনি। কিন্তু শামির ছোড়া বল তাঁর গায়ে লাগে। আম্পায়ার ‘অবস্ট্রাকটিং দ্য বল’ আউট দেন। যা নিয়ে বিতর্ক লেগেই আছে। এদিকে ম্যাচের শেষ বলে লখনউয়ের দরকার ছিল ৭ রান। কার্তিক ত্যাগীর বল ছক্কা হাঁকিয়ে টাই করে দেন শামি।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

এই দুইয়ের জেরে পুরস্কার পেলেন বাংলার পেসার। লখনউ শিবিরে তাঁকে ‘চ্যাটজিপিটি আইকিউ অ্যাওয়ার্ড’ দেওয়া হয়। যেহেতু তিনি ‘বুদ্ধি’ করে অঙ্গকৃষকে আউট করেছেন এবং শেষ ওভারে মাথা ঠান্ডা রেখেছেন, তাই এই পুরস্কার। কিন্তু এতে প্রবল চটেছেন নাইটভক্তরা। তাদের দাবি, অঙ্গকৃষের রানআউট আসলে ‘প্রতারণা’, ‘চুরি’। সেটাকে কেন ‘বুদ্ধিমত্তা’র পুরস্কার দেওয়া হচ্ছে? তাদের বক্তব্য, এগুলো লখনউয়ের মানসিকতার পরিচয়।

এদিকে লখনউ সমর্থকদের দাবি আবার অন্য। তাদের বক্তব্য, আম্পায়ারের ভুলে তাদের হারতে হয়েছে। কী ব্যাপার? ১২তম ওভারে নাইট পেসার কার্তিক ত্যাগীর বলে বাউন্ডারি মারেন পন্থ। আম্পায়ার যদিও চার দেন, কিন্তু টিভির গ্রাফিক্সে দেখা যায় সেটা ৬৩ মিটারের ছয়। তাতে এলএসজির সমর্থকরা বলছেন, ওটা যদি ছয় হয়, তাহলে তারা ২ রান বাড়তি পান। অর্থাৎ, ম্যাচ আর টাই হয়নি। তারা জিতে গিয়েছে। তবে ওই ঘটনার ভিডিও বা ছবি সোশাল মিডিয়া থেকে মুছে দেওয়া হয়েছে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.