Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ৮ জুন ২০২৬
KKR vs GT

IPL 2026, KKR vs GT: ইডেনে সহজেই গুজরাট-বধ, নাইটদের প্লেঅফ স্বপ্ন বাঁচিয়ে রাখলেন ফিন-অঙ্গকৃষ-নারিনরা

অসম্ভবের স্বপ্ন জারি কেকেআরের। ইডেনে গুজরাট টাইটান্সকে ২৯ রানে হারিয়ে প্লেঅফের আশা জাগিয়ে রাখল নাইট রাইডার্স।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১৭, ২০২৬, ০০:০১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১৭, ২০২৬, ০০:০১

options
link
IPL 2026, KKR vs GT: ইডেনে সহজেই গুজরাট-বধ, নাইটদের প্লেঅফ স্বপ্ন বাঁচিয়ে রাখলেন ফিন-অঙ্গকৃষ-নারিনরা zoom
ইডেনে ব্যাটে-বলে দাপট কেকেআরের। নিজস্ব চিত্র

কলকাতা নাইট রাইডার্স: ২৪৭/২ (ফিন ৯৩, অঙ্গকৃষ ৮২*, সিরাজ ৫০/১)
গুজরাট টাইটান্স: ২১৮/৪ (গিল ৮৫, বাটলার ৫৭, নারিন ২৯/২)
২৯ রানে জয়ী কেকেআর
অসম্ভবের স্বপ্ন জারি কেকেআরের। ইডেনে গুজরাট টাইটান্সকে ২৯ হারিয়ে প্লেঅফের আশা জাগিয়ে রাখল নাইট রাইডার্স। প্রথমে ব্যাট করে ‘ফ্যানটাস্টিক’ ফিন অ্যালেন ও বিধ্বংসী অঙ্গকৃষ রঘুবংশীর ইনিংসে ভর করে ২৪৭ রান তোলে কেকেআর। জবাবে শুভমান গিলদের ইনিংস থেমে যায় ২১৮ রানে। যথেষ্ট লড়াই দিলেও শেষরক্ষা হল না গুজরাটের। বোলাররা দেদার রান বিলোলেন ঠিকই, তবে গুরুত্বপূর্ণ দু’টি পয়েন্ট ঘরে তুলে নিলেন অজিঙ্ক রাহানেরা। ১২ ম্যাচে কেকেআরের পয়েন্ট দাঁড়াল ১১। সপ্তম স্থানে উঠে এসে প্লেঅফের লড়াইয়ে বেঁচে রইল নাইটরা।

প্লেঅফে যেতে হলে সব ম্যাচই জিততে হবে। এই হচ্ছে নাইটদের অঙ্ক। রাজ্যে নির্বাচনের জন্য ৫ ম্যাচ পর ইডেনে ফিরেছে কেকেআর। ইডেনে এটা নাইটদের ১০০তম ম্যাচ। টসে হেরে প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ‘ভাগ্যের সাহায্য’ পেল কেকেআর। রাহানে ১৪ রানে ফেরার পর ক্যাচ পড়ল ফিন অ্যালেনের। ফিন অ্যালেনের রান তখন ছিল ৩৪, শেষ পর্যন্ত থামলেন ৯৩ রানে। অল্পের জন্য সেঞ্চুরি মিস হল। ইনিংস সাজানো ছিল ৪টে চার ও ১০টা ছক্কা দিয়ে। স্ট্রাইক রেট ২৬৫.৭১। রশিদ খান থেকে আর্শাদ খান, যিনি বল করতে আসুন না, সব মাঠের বাইরে। শেষমেশ সাই কিশোরের স্পিনে বাউন্ডারি লাইনে ধরা পড়লেন। এবার সংহারক রূপ ধরলেন অঙ্গকৃষ রঘুবংশী। হাফসেঞ্চুরি করলেন ৩৩ বলে। পরের ১১ বলে এল ৩০-র বেশি রান। শেষ পর্যন্ত ৪টে চার ও ৭টা ছক্কায় ৮২ রানে অপরাজিত থাকলেন নাইটদের ‘স্টারবয়।’ ওদিকে ক্যামেরন গ্রিনকে জীবন দিলেন আর্শাদ খান। তিনি করলেন ৫২ রান। কেকেআর ২ উইকেট হারিয়ে করল ২৪৭ রান। যা কেকেআরের তৃতীয় সর্বোচ্চ রান।

Advertisement

ইডেনের পিচ ব্যাটিং সহায়ক হলেও ২৪৮ রান তাড়া করা নিঃসন্দেহে কঠিন। শুরুটা ভালোই করেছিলেন শুভমান গিল, সাই সুদর্শনরা। প্রথম ৩ ওভারে ৪২ রান তোলার পর প্রথম ধাক্কা খায় গুজরাট। কার্তিক ত্যাগীর বল সোজা এসে লাগে সুদর্শনের কনুইয়ে। শুশ্রূষার জন্য মাঠের বাইরে চলে যেতে হয়। এরপর নিশান্ত সিন্ধুকে ফেরান সুনীল নারিন। দারুণ ক্যাচ ধরেন মণীশ পাণ্ডে। জস বাটলার রানের গতি বাড়াতে একটু দেরি করে ফেললেন। ফলে সব চাপ এসে পড়ল শুভমান গিলের উপর। ভারতের ওয়ানডে ও টেস্ট অধিনায়ক চাপ নিতে অভ্যস্ত। এই ধরনের ম্যাচ কীভাবে বের করতে হয়, সেটা খুব ভালোমতোই জানেন। তাঁর কাজ কিছুটা সহজ করে দেন আনফিট বরুণ চক্রবর্তী। পায়ের চোট নিয়েই বল করে নিঃসন্দেহে লড়াকু মানসিকতার পরিচয় দিলেন। কিন্তু শেষ ওভারে আর যেন পারছিলেন না। সেই ওভারেই গিল তুলে নিলেন ২২ রান।

কিন্তু বিপদে পড়লে এখনও নাইটদের ত্রাতা একজনই। তিনি সুনীল নারিন। এলেন, দেখবেন, ম্যাচ জেতাবেন। গিল যখন ভয়ঙ্কর হয়ে উঠছেন, তখনই এসে উইকেটটা তুলে নিলেন নাইটদের ক্যারিবিয়ান স্পিনার। কেকেআরের জয়ে অবশ্যই মূল কৃতিত্ব পাবেন ফিন, অঙ্গকৃষরা। তবে ১৭তম ওভারে এসে আসল কাজটি করে দিলেন এদিন আইপিএলে ২০০তম ম্যাচ খেলা নারিনই। প্রশংসা করতে হয় বাউন্ডারি লাইনে অনুকূল রায় যেভাবে গিলের কঠিন ক্যাচটি ধরলেন, তারও। 

দেদার রান বিলোলেন কার্তিক ত্যাগী। চোট সারিয়ে ফিরে ৮টি বল করে ফের চোটের কবলে পড়লেন মাথিশা পাথিরানা। তবে ভরসা সেই নারিনই। গিল ফিরলেন ৪৯ বলে ৮৫ রানে। তাঁর ইনিংসে ছিল ৫টি চার ও ৭টি ছয়। মাঠে ফিরে সুদর্শনের হাফসেঞ্চুরি বা বাটলারের রান তোলার মরিয়া চেষ্টাও আর কাজে লাগেনি। প্রশংসার দাবিদার- নাইটদের তরুণ পেসার সৌরভ দুবের। ১৯ তম ওভারে মাত্র ৫ রান দিয়ে জস বাটলারের উইকেট তুলে নাইটদের জয় কার্যত নিশ্চিত করে দেন। শেষ ওভারে ৪০ রান ওঠার কোনও প্রশ্নই ছিল না। অবশেষে নাইটরা জিতল ২৯ রানে। প্লেঅফের স্বপ্ন ফের চোখে ঘুরছে কেকেআর ভক্তদের।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.