Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১০ আষাঢ় ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ২৬ জুন ২০২৬
KKR Vs MI

অঙ্গকৃষের চোট নিয়ে বিভ্রান্তিমূলক পোস্ট, নিয়ম ভেঙে মুম্বইকে হারিয়েছে কেকেআর!

ইডেনে বুধবার মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের বিরুদ্ধে ম্যাচে কনকাশন সাবস্টিটিউট নিয়ে কলকাতা নাইট রাইডার্সের সিদ্ধান্ত ঘিরে তৈরি হয়েছে বিতর্ক। অঙ্গকৃষ রঘুবংশীর বদলি ক্রিকেটার নির্বাচনকে কেন্দ্র করে উঠেছে একাধিক প্রশ্ন।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২২, ২০২৬, ১৯:৫৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২২, ২০২৬, ১৯:৫৮

options
link
অঙ্গকৃষের চোট নিয়ে বিভ্রান্তিমূলক পোস্ট, নিয়ম ভেঙে মুম্বইকে হারিয়েছে কেকেআর! zoom
বরুণ চক্রবর্তী (ডানে) ও অঙ্গকৃষ রঘুবংশী (বামে) একে অপরের সঙ্গে ধাক্কা খান। মিস হয় তিলক বর্মার ক্যাচ। ছবি বিসিসিআই। 

ইডেনে বুধবার মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের বিরুদ্ধে ম্যাচে কনকাশন সাবস্টিটিউট নিয়ে কলকাতা নাইট রাইডার্সের (KKR Vs MI) সিদ্ধান্ত ঘিরে তৈরি হয়েছে বিতর্ক। অঙ্গকৃষ রঘুবংশীর বদলি ক্রিকেটার নির্বাচনকে কেন্দ্র করে উঠেছে একাধিক প্রশ্ন, যা নিয়ে ম্যাচের পর থেকেই ক্রিকেট মহলে চলছে আলোচনা। 

ঘটনার সূত্রপাত ১১তম ওভারে। তিলক বর্মার ক্যাচ ধরতে গিয়ে বরুণ চক্রবর্তীর সঙ্গে সংঘর্ষে আহত হন অঙ্গকৃষ রঘুবংশী। যদিও এরপর উইকেটকিপিং চালিয়ে যান। পরে ১৪তম ওভারে তাঁকে মাঠের বাইরে চলে যেতে হয়। এরপর কিপিংয়ের দায়িত্ব নেন তেজস্বী সিং দাহিয়া। ইনিংস বিরতির সময় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে। কেকেআরের সোশাল মিডিয়া থেকে জানানো হয়, অঙ্গকৃষের কনকাশন সাব হিসাবে নামানো হয়েছে রমনদীপ সিংকে। এই ঘোষণাই বিতর্কের আগুনে ঘি ঢালে। কারণ মাঠের ঘটনার সঙ্গে মাথায় আঘাত বা কনকাশনের কোনও মিল পাওয়া যায়নি।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

আইপিএলের নিয়ম অনুযায়ী, কেবল মাথা বা ঘাড়ে আঘাত লাগলে এবং কনকাশনের উপসর্গ থাকলেই কনকাশন সাবস্টিটিউট ব্যবহার করা যায়। পাশাপাশি ম্যাচ রেফারির অনুমোদন এবং ‘লাইক-ফর-লাইক’ পরিবর্তন বাধ্যতামূলক। কিন্তু অঙ্গকৃষের ক্ষেত্রে চোট মূলত আঙুলে বা সংঘর্ষজনিত অসুবিধা ছিল বলেই দেখা যায়, ফলে সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন ওঠে।

আইপিএলের নিয়ম অনুযায়ী, কেবল মাথা বা ঘাড়ে আঘাত লাগলে এবং কনকাশনের উপসর্গ থাকলেই কনকাশন সাবস্টিটিউট ব্যবহার করা যায়। পাশাপাশি ম্যাচ রেফারির অনুমোদন এবং ‘লাইক-ফর-লাইক’ পরিবর্তন বাধ্যতামূলক।

এরপর ম্যাচ চলাকালীন আরও বিভ্রান্তি তৈরি হয়। রান তাড়ার সময় দেখা যায়, রমনদীপ সিং নয়, ব্যাট করতে নেমেছেন তেজস্বী দাহিয়া। ফলে কে আসলে কনকাশন সাব হিসাবে খেলছেন, তা নিয়েই নতুন করে ধোঁয়াশা তৈরি হয়। বিতর্ক আরও বাড়ে যখন কেকেআর তাদের রমনদীপ সিংকে কনকাশন সাব হিসাবে উল্লেখ করা সোশাল মিডিয়া পোস্টটি পরে মুছে দেয়। এতে বিষয়টি নিয়ে সন্দেহ আরও বাড়ে। একজন সমর্থক মন্তব্য করেন, ‘চোটটা তো মাথায় ছিল না বলেই মনে হচ্ছে, তাহলে কনকাশন সাব কীভাবে?’

এদিকে একই ধরনের বিতর্কের মুখে পড়েছিল মুম্বই ইন্ডিয়ান্সও। চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধে ম্যাচে। সেই ম্যাচে মিচেল স্যান্টনার আহত হওয়ার পর শার্দূল ঠাকুরকে কনকাশন সাব হিসাবে নামানো হয়েছিল। যদিও বিভিন্ন সূত্রের দাবি, কিউয়ি তারকার চোট মাথায় নয়, বরং কাঁধে লেগেছিল। প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, স্যান্টনারের কাঁধের হাড় সরে গিয়েছে। সেই পরিস্থিতিতে কনকাশন সাবের অনুমতি কীভাবে দেওয়া হল, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলছিলেন অনেকেই। আম্পায়ারদের সিদ্ধান্ত নিয়েও সমালোচনা শুরু হয়। আইসিসি’র নিয়ম অনুযায়ী, কনকাশন সাব একজন পূর্ণাঙ্গ বদলি হিসাবে খেলতে পারেন, ব্যাটিং ও বোলিং উভয় ক্ষেত্রেই। কিন্তু এই ম্যাচে কনকাশন সাব এবং ইমপ্যাক্ট প্লেয়ার দুই নিয়ম একসঙ্গে প্রয়োগ করে মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। এই দুই আলাদা নিয়ম প্রয়োগের ফলেই দলে ১৩ জনকে ব্যবহার করে বসে মুম্বই। ম্যাচেরও দেখা যায়, মুম্বইয়ের হয়ে মোট ১৩ জন ক্রিকেটারই কোনও না কোনওভাবে অবদান রেখেছেন। 

ম্যাচ চলাকালীন আরও বিভ্রান্তি তৈরি হয়। রান তাড়ার সময় দেখা যায়, রমনদীপ সিং নয়, ব্যাট করতে নেমেছেন তেজস্বী দাহিয়া। ফলে কে আসলে কনকাশন সাব হিসাবে খেলছেন, তা নিয়েই নতুন করে ধোঁয়াশা তৈরি হয়।

মুম্বই সেই সময় স্পষ্ট করেছিল, “স্যান্টনারের ঘাড়ে আঘাত লেগেছিল এবং তাঁর মাথা ঘুরছিল।” মুম্বই ম্যাচের পর কেকেআরের সহকারী কোচ শেন ওয়াটসন বলেন, “ওই ক্যাচটা ধরার জন্য অঙ্গকৃষ অনেকটা পথ দৌড়েছিল। বরুণ চক্রবর্তীর সঙ্গে সংঘর্ষের ফলে তাঁর ঘাড়ে ব্যথা, মাথা ঘোরা এবং মাথাব্যথাও শুরু হয়। শেষ পর্যন্ত মাঠে থাকতে পারেনি। আমরা জানি কতটা মরিয়া ছিল ও। আমরা ব্যাটিংয়ে ওকে মিস করেছি।” অন্যদিকে বরুণ চক্রবর্তীর চোট নিয়েও ওয়াটসনের মন্তব্য, “ও এখন রিহ্যাবের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। তবে ব্যথা নিয়েই খেলছে। ওর বোলিং অসাধারণ। আমরা ভাগ্যবান ওকে দলে পেয়ে।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.