Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
CSK vs MI

IPL 2026, CSK vs MI: একাই একশো সঞ্জু! আকিলের ঘূর্ণিতে বন্দি হার্দিকরা, ‘এল ক্লাসিকো’য় চেন্নাইয়ের কাছে লজ্জার হার মুম্বইয়ের

একেবারে ঘরের মাঠে ঢুকে প্রতিপক্ষ-বধ। আইপিএলের 'এল ক্লাসিকো'তে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সকে একতরফাভাবে হারাল চেন্নাই সুপার কিংস।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২৩, ২০২৬, ২৩:৩৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২৩, ২০২৬, ২৩:৩৯

options
link
IPL 2026, CSK vs MI: একাই একশো সঞ্জু! আকিলের ঘূর্ণিতে বন্দি হার্দিকরা, ‘এল ক্লাসিকো’য় চেন্নাইয়ের কাছে লজ্জার হার মুম্বইয়ের zoom

চেন্নাই সুপার কিংস: ২০৭/৬ (সঞ্জু ১০১*, গজনফার ২৫/২)
মুম্বই ইন্ডিয়ান্স: ১০৪/১০ (তিলক ৩৭, আকিল ১৭/৪, নুর ২৪/২)
১০৩ রানে জয়ী চেন্নাই সুপার কিংস
একেবারে ঘরের মাঠে ঢুকে প্রতিপক্ষ-বধ। আইপিএলের ‘এল ক্লাসিকো’তে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সকে একতরফাভাবে হারাল চেন্নাই সুপার কিংস। ব্যাটিংয়ে একক যোদ্ধা সঞ্জু স্যামসন। সেঞ্চুরি করে সিএসকের জয়ের কাজটা শুরু করেছিলেন ভারতের বিশ্বজয়ের অন্যতম নায়ক। শেষটা হল আকিল হুসেনের স্পিন মায়াজালে। চেন্নাইয়ের ২০৮ রান তাড়া করতে গিয়ে মুম্বইয়ের ইনিংস শেষ হল মাত্র ১০৪ রানে। লিগ টেবিলে বড় লাফ দিয়ে ৭ ম্যাচে ৬ পয়েন্ট নিয়ে প্লেঅফের দৌড়ে ঢুকে পড়ল চেন্নাই। অন্যদিকে ১০৩ রানে হেরে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় ব্যবধানে হারের লজ্জার নজির গড়ল হার্দিকের দল। 

চোটের জন্য দুই মহাতারকা নেই। একজন মহেন্দ্র সিং ধোনি, অন্যজন রোহিত শর্মা। দ্বিতীয়জন মুম্বইয়ে আসার পর এই প্রথম ধোনি-রোহিতকে ছাড়া চেন্নাই-মুম্বই মোকাবিলা হল। ধোনির অভাব ঢেকে দিলেন সঞ্জু। রোহিতের অভাব কিন্তু চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিল। একটা ঝোড়ো শুরু হলে মুম্বইয়ের তারকাখচিত ব্যাটিং লাইনআপকে এতো দুর্বল দেখাত না।

Advertisement

ওয়াংখেড়েতে টসে জিতে প্রথমে বল করার সিদ্ধান্ত নেন মুম্বই অধিনায়ক হার্দিক পাণ্ডিয়া। সিএসকে’তে চোটের জন্য বাইরে আয়ুষ মাত্রে। এদিকে রানের মধ্যে নেই অধিনায়ক রুতুরাজ গায়কোয়াড় (২২)। এদিন রান পাননি সরফরাজ খান (১৪)। শিবম দুবে (৫) বা ডেওয়াল্ড ব্রেভিসরা (২১) ফের ব্যর্থ। তরুণ কার্তিক শর্মা (১৮) আশা জাগিয়েও বড় রান পাননি। আল্লা গজনফারের ঘূর্ণি (২৫/২) বা অশ্বনী কুমারের নিঁখুত স্পেলে একে-একে প্যাভিলিয়নের পথে হাঁটা লাগান সিএসকে ব্যাটাররা। কিন্তু সঞ্জু একাই একশো। আইপিএলের শুরুতে একেবারেই রানের মধ্যে ছিলেন না তিনি। তবে দিল্লির বিরুদ্ধে সেঞ্চুরি হাঁকানোর পর যেন বিশ্বকাপের ম্যাজিকটা খুঁজে পেয়েছেন। ৫৪ বলে ১০১ রানে অপরাজিত থাকলেন চেন্নাই তারকা। মারলেন ১০টি চার ও ছ’টি ছক্কা। সিএসকে ব্যাটিং যে ধারাবাহিক ব্যর্থতার ধারা বজায় রেখেছে, তা সঞ্জুকে দেখে মনে হবে না। দলকে একার কাঁধে ২০৭ রানে পৌঁছে দেন তিনি।

জবাবে মুম্বই যে এভাবে ব্যর্থ হবে, তা সম্ভবত কেউ ভাবেননি। তবে রুতুরাজের নেতৃত্বের প্রশংসা করতে হয়। শুরুতে নিয়ে এলেন ক্যারিবিয়ান স্পিনার আকিল হুসেনকে। অন্যদিক থেকে জুড়ে দিলেন সদ্য মাকে হারানো তরুণ পেসার মুকেশ চৌধুরীকে। চেন্নাইয়ের বোলিংআপ একেবারেই অভিজ্ঞ নয়। কিন্তু দু’জনের দাপটে ওয়াংখেড়ের রানস্বর্গে হাঁসফাঁস করলেন মুম্বই ব্যাটাররা। আকিলের বলে প্রথম ওভারেই ফিরলেন মুম্বইয়ের উঠতি ব্যাটার দানিশ মালেওয়ার (০)। পরের ওভারে মুকেশের শিকার ফর্মে থাকা কুইন্টন ডি’কক (৭)। আবার তারপরের ওভারে নমন ধীরকে (০) আউট করলেন আকিল। ১১ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে সেই যে মুম্বই খেই হারাল সেখান থেকে আর কামব্যাক করতে পারেনি। এমনিতেই তাদের ব্যাটারদের ফর্মে জোয়ারভাটা লেগে রয়েছে। এদিন ভাটার টানে সব গিয়ে পড়ল আরব সাগরে।

সূর্যকুমার বা তিলক বর্মারা একেবারেই রানের মধ্যে নেই। এদিন প্রথমজন করলেন ৩৬, দ্বিতীয়জন ৩৭। স্ট্রাইক রেট ১২০ থেকে ১২৮-র মধ্যে। এই গতিতে ২০৮ রান তাড়া করা যায় না। যখনই রানের গতি বাড়াতে গেলেন, তখন ফের আবির্ভূত হলেন আকিল। রানের জন্য ছটফট করতে থাকা তিলক কিছুটা বেপরোয়া হয়েই বোল্ড হলেন। সরফরাজের হাতে বন্দি হলেন সূর্য। আর এই দুই উইকেটের মাঝে হার্দিক পাণ্ডিয়া (১) ও শেরফিন রাদারফোর্ডও (০) গুটিগুটি পায়ে ফিরে গেলেন ডাগআউটে। এবার আর আকিল নয়, ছোবল মারলেন আফগান স্পিনার নূর আহমেদ। অল্পের জন্য হ্যাটট্রিক মিস হল। হুসেন থামলেন ৪ উইকেটে। নুরের শিকার ২। দু’জনের সামনে নতজানু মুম্বই ব্যাটিং। শেষ পর্যন্ত মুম্বইয়ের ইনিংস থামল ১০৪ রানে। ১০৩ রানে হারের বিরাট লজ্জার বোঝা নিয়ে হার্দিকরা পড়ে রইলেন অষ্টম স্থানে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.