সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সমর্থকদের উপর খাপ্পা জশপ্রীত বুমরাহর স্ত্রী সঞ্জনা গণেশন। লখনউয়ের বিরুদ্ধে মুম্বই জেতার পরই সোশাল মিডিয়ায় দীর্ঘ পোস্ট করেন তিনি। কারণ অঙ্গদকে নিয়ে সমর্থকদের কিছু অবাঞ্চিত মন্তব্য। দেড় বছরের শিশুসন্তানকে নিয়েও যে সোশাল মিডিয়ায় ট্রোল হতে পারে, তাতে অবাক বুমরাহ-পত্নী।
ওয়াংখেড়েতে লখনউয়ের বিরুদ্ধে ম্যাচ দেখতে এসেছিলেন বুমরাহর স্ত্রী সঞ্জনা গণেশন ও পুত্র অঙ্গদ। মাঠে বসেই জশপ্রীত বুমরাহর কীর্তির সাক্ষী থাকলেন দুজনে। চার উইকেট নিলেন মুম্বই তারকা। তার মধ্যে সোজা উইকেট ছিটকে দেন আবদুল সামাদ, আভেশ খানের। সেই সময় অঙ্গদের একটি ছবি ভাইরাল হয়। যেখানে সমর্থকরা আনন্দে উদ্বেল, সেখানে অঙ্গদের মুখে হাসি নেই। নেটিজেনদের একাংশের কটাক্ষ, কেন হাসছে না বুমরাহপুত্র।
তাতেই চটেছেন সঞ্জনা। সোশাল মিডিয়ায় দীর্ঘ বার্তায় জনপ্রিয় ক্রীড়া সঞ্চালিকা লেখেন, ‘আমাদের ছেলে তোমাদের বিনোদনের বিষয় নয়। জশপ্রীত ও আমি চেষ্টা করি, অঙ্গদকে সোশাল মিডিয়ার জগৎ থেকে দূরে রাখতে। কারণ সোশাল মিডিয়া একটা ঘৃণ্য, নোংরা জায়গা। ক্যামেরা ভর্তি স্টেডিয়ামে ছেলেকে নিয়ে আসার কী ফল হতে পারে, সেটা আমি ভালোমতোই জানি। কিন্তু বোঝার চেষ্টা করুন, আমি আর অঙ্গদ বুমরাহকে সমর্থন করতে গিয়েছিলাম। অন্য কোনও কারণ নেই।’
এখানেই শেষ নয়। ‘মজার ছলে’ নেটিজেনদের একাংশ লিখেছেন, ‘অঙ্গদ গম্ভীর। কারণ এই স্টেডিয়ামে ২০২৩-র ফাইনালের আতঙ্ক থেকে এখনও বেরোতে পারেনি।’ কেউ আবার লিখেছেন, ‘নিশ্চয়ই বাড়িতে কোনও সমস্যা আছে। নাহলে এই বয়সে এত অবসাদ কীসের?’ সেটার পালটা দিয়ে সঞ্জনা লিখেছেন, ‘একটা বাচ্চাকে নিয়ে আতঙ্ক বা অবসাদের মতো শব্দ ব্যবহার হতে দেখে কষ্ট লাগে। তোমরা আমাদের ছেলের ব্যাপারে কিছুই জানো না। আমাদের জীবন সম্বন্ধে কিছু জানো না। আমার অনুরোধ, নিজের মতামত নিজের কাছেই রাখো।’

সর্বশেষ খবর
-
মোদির প্রস্তাবনায় সায় দিয়েছিল ১৭৭ দেশ, কেন ২১ জুনই পালিত হয় আন্তর্জাতিক যোগদিবস?
-
‘দিদি নম্বর ওয়ান’-এ রচনা আউট, স্বস্তিকা ইন! সত্যি নাকি?
-
‘মরতে মরতে বেঁচে ফিরেছি’, কেদার-বদ্রীর পৌরাণিক পুরোহিত পথ জিতে নজির হিমালয়ান উইজার্ডের
-
যোগীরাজ্যে নজরে মাদ্রাসা, এবার বাধ্যতামূলক আধার-ভিত্তিক বায়োমেট্রিক হাজিরা!
-
ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত! এবার ‘বোরখা’ মন্তব্যে মহুয়ার বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের