সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মহম্মদ শামির সময়টা ভালো যাচ্ছে না। ভারতীয় দল থেকে বাদ পড়েছেন তিনি। তাঁর বাদ পড়া নিয়ে বলা হচ্ছে ফিটনেস সমস্যার কথা। তিনি নাকি ১০ ওভার বোলিং করার মতো অবস্থাতেও নেই। এদিকে, আইপিএলে ৯টি ম্যাচের বেশি তাঁকে খেলানো হয়নি। প্রশ্ন ওঠে, আইপিএলে কি শামির প্রতি বঞ্চনা হয়েছে? এমনকী রবিবার কেকেআর ম্যাচে সানরাইজার্স হায়দরাবাদ নেমেছিল শামিকে ছাড়াই। কেন এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে দল, জানিয়েছেন তাদের হেডকোচ ড্যানিয়েল ভেত্তোরি।
তিনি বলেন, “শামি বহুদিন টি-টোয়েন্টি খেলেনি। তাই খাপ খাইয়ে নিতে ওর হয়তো সময় লেগেছে।” উল্লেখ্য, এবারের আইপিএলে ১০ কোটি টাকায় তাঁকে হায়দরাবাদ কিনে নিলেও ৯টি ম্যাচের বেশি খেলানো হয়নি। যদিও নিজেকে সেভাবে মেলে ধরতে পারেননি শামি। নিয়েছেন মাত্র ৬টি উইকেট। গড় ৫৬.১৭। ওভার পিছু তিনি রান দিয়েছেন ১১’র উপর।
রবিবার দিল্লিতে ১১০ রানে নাইটদের হারিয়ে সানরাইজার্স অভিযান শেষ করার পর তাদের প্রধান কোচ ভেত্তোরি আরও বলেন, “শেষ বার গুজরাটের হয়ে শামি বেগুনি টুপি জিতেছিল। তারপর ১৮ মাস কেটে গিয়েছে। এর মধ্যে আইপিএল’ও অনেকটা এগিয়ে গিয়েছে। আমার মনে হয়েছে, ওর কাছে ধারাবাহিকতা ধরে রাখাটা বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।” এই বক্তব্য থেকেই পরিষ্কার, শামি স্বাভাবিক ছন্দে দেখা যায়নি বলেই অনেক ম্যাচেই তাঁকে দলের বাইরে রেখে মাঠে নামে হায়দরাবাদ। কেন এমন ফর্মহীনতায় ভুগছেন তিনি? জানিয়েছেন তাদের হেডকোচ ড্যানিয়েল ভেত্তোরি।
তাঁর সংযোজন, “ওর সবথেকে বড় শক্তি হল লাইন-লেন্থ। শামি যখন লেন্থে বল করে তখন ওকে সামলানো খুবই কঠিন হয়ে পড়ে। দুর্ভাগ্যের বিষয়, এবার সেটা হচ্ছে না। ও নেটে খুবই পরিশ্রম করেছে। কিন্তু কিছুতেই ছন্দ ফিরে পায়নি। তবে ও যেভাবে খাটছে, তাতে ফল পাবেই।” এভাবেই ভেত্তোরি ৩৪ বছর বয়সি তারকা পেসারের পাশেও থেকেছেন। উল্লেখ্য, পয়েন্ট টেবিলের ষষ্ঠস্থানে শেষ করেছে হায়দরাবাদ।
সর্বশেষ খবর
-
এমবাপে ম্যাজিকেই বাজিমাত, সেনেগালকে হারিয়ে বিশ্বকাপ শুরু করল ফ্রান্স
-
প্রথমবার নেহরু টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন, হকিতে ভারত জয় পুরুলিয়া সৈনিক স্কুলের
-
হকার উচ্ছেদ ঘিরে কৃষ্ণনগর স্টেশনে ধুন্ধুমার! পুলিশের সঙ্গে বচসা, হাতাহাতি সিটু, এসইউসিআই কর্মীদের
-
‘ভারতীয়দেরও প্রাণ গিয়েছে’, জি-৭ বৈঠকে ট্রাম্পের সামনেই নাবিকদের মৃত্যু নিয়ে উষ্মা মোদির
-
সরকারি কাজেই আধারের অপব্যবহার? এবার কেন্দ্র ও UIDAI-কে নোটিস সুপ্রিম কোর্টের