Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৭ ভাদ্র ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ২৫ আগস্ট ২০২৬
India Pakistan Tensions

বন্ধ বিমান, ট্রেনযাত্রার অনুমতি মেলেনি, ধরমশালা থেকে ফেরা নিয়ে সংশয়ে শ্রেয়স-রাহুলরা

ক্রিকেটারদের নিরাপদে ফেরাতে তৎপর ভারতীয় বোর্ড।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ৯, ২০২৫, ১৪:১৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ৯, ২০২৫, ১৪:১৮

options
link
বন্ধ বিমান, ট্রেনযাত্রার অনুমতি মেলেনি, ধরমশালা থেকে ফেরা নিয়ে সংশয়ে শ্রেয়স-রাহুলরা zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ আবহে শুক্রবার ধরমশালায় বাতিল হয়েছে পাঞ্জাব-দিল্লি ম্যাচ। বিসিসিআইয়ের তরফে বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানিয়ে দেওয়া হয়, এলাকায় ব্ল্যাকআউটের জন্যই ম্যাচ মাঝপথে পরিত্যক্ত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। স্টেডিয়ামে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। প্রশ্ন ওঠে, শ্রেয়স আইয়ার, কেএল রাহুলরা ফিরবেন কীভাবে? ইতিমধ্যেই ভারত-পাক সংঘাতের জেরে বন্ধ হয়েছে ২৮টি বিমানবন্দর। তাহলে কি ট্রেনে ফেরানো হবে ক্রিকেটারদের? 

এই পরিস্থিতিতে শোনা যায়, দুই দলের ক্রিকেটার এবং সাপোর্ট স্টাফদের পাঠানকোটে নিয়ে আসা হবে। সেখান থেকে বন্দে ভারতে তাঁদের ফেরানোর কথা ছিল দিল্লিতে। যদিও জানা গিয়েছে, নিরাপত্তার কথা ভেবে ভারতীয় রেল অনুমতি দেয়নি। তাই ক্রিকেটারদের বাসে করে পৌঁছে দেওয়া ছাড়া বিকল্প কোনও রাস্তা নেই।

Advertisement

এক ক্রিকেটার বলেন, “পাঠানকোটে হামলার খবর পেয়েছিলাম। যদিও আমাদের দ্রুত হোটেলে ফিরে যেতে বলা হয়। কিছুটা আতঙ্ক তো ছিলই। দুই দলই টিম বাসে বসেছিল। আমরা দ্রুত স্টেডিয়াম থেকে বেরোতে চেষ্টা করছিলাম। এলাকায় খুবই ভিড় ছিল। বিদেশি ক্রিকেটাররা খুবই চিন্তায় ছিলেন। তাঁদের অনেকেই দেশে ফিরে যেতে চেয়েছিলেন।”

প্রসঙ্গত, স্টেডিয়ামে ব্ল্যাক আউটের পর মাঠভর্তি দর্শক এবং আইপিএল আধিকারিকদেরও চলে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। এরপরেই দর্শকদের অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে স্টেডিয়াম থেকে বের করা হয়। দায়িত্বে থাকা নিরাপত্তাকর্মীরা এগিয়ে আসেন। আর এরই মধ্যে ক্রিকেটারদের নিরাপদে ফেরাতে তৎপর ভারতীয় বোর্ড। তবে কখন তাঁদের বাসে করে দিল্লি নিয়ে আসা হবে, তা এখনও জানা যায়নি।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.