Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১১ আষাঢ় ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ২৭ জুন ২০২৬
IND vs IRE

আয়ারল্যান্ডের বিরুদ্ধে লজ্জার হারে অভিযান শুরু অধিনায়ক শ্রেয়সের, বৈভবকে না খেলিয়েই ভুগল ভারত!

সূর্য-যুগ অতীত হওয়ার পর শ্রেয়স-আমলের শুরুটা ভালো হল না।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২৬, ২০২৬, ২১:৪৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২৬, ২০২৬, ২১:৪৭

options
link
আয়ারল্যান্ডের বিরুদ্ধে লজ্জার হারে অভিযান শুরু অধিনায়ক শ্রেয়সের, বৈভবকে না খেলিয়েই ভুগল ভারত! zoom
একমাত্র লড়াই অভিষেক শর্মার। ছবি: বিসিসিআই

আয়ারল্যান্ড: ১৮২/৯ (টাকার ৫০, হর্ষিত ২৪/৩)
ভারত: ১৪৮ (অভিষেক ৫০, হলার্ড ২৮/৩)
ভারত ৩৪ রানে পরাজিত
আয়ারল্যান্ডের বিরুদ্ধে শুরুতেই হার! সূর্য-যুগ অতীত হওয়ার পর শ্রেয়স-আমলের শুরুটা ভালো হল না। প্রসিদ্ধ কৃষ্ণদের খারাপ বোলিংয়ের পর ব্যাটিংয়েও ব্যর্থতা। বেলফাস্টে প্রথম টি-টোয়েন্টিতে ৩৪ রানে হারল টিম ইন্ডিয়া। বৈভব সূর্যবংশীর বহুপ্রতীক্ষিত অভিষেক এদিন হয়নি। সেটার ফলই কি ভুগতে হল? বৈভবকে খেলালে কি ছবিটা অন্যরকম হত?

টসে জিতে প্রথমে বল করার সিদ্ধান্ত নেন অধিনায়ক শ্রেয়স। সবার অপেক্ষা ছিল ১৫ বছরের বৈভব সূর্যবংশীর অভিষেক হয় কি না দেখার। কিন্তু রেকর্ড গড়ে বৈভবের অভিষেক না হওয়ায় অনেকে অখুশি হন। শ্রেয়সের যুক্তি, আগের ম্যাচের সেটআপ ভাঙতে চান না। অথচ এই যুক্তিতে শ্রেয়স দলে ঢুকলেন কীভাবে? সেটা কি শুধু সূর্যকুমার যাদবের বদলে অধিনায়ক হওয়ায়? টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জেতানোর পর সরিয়ে দেওয়া হয় সূর্যকে। আর আড়াই বছর পর শ্রেয়স দলে ফিরেই সোজা অধিনায়ক। আয়ারল্যান্ডের বিরুদ্ধে নতুন অভিযানে কিন্তু প্রায় পুরো শক্তির দলই নামিয়েছিল ভারত। জশপ্রীত বুমরাহ বিশ্রামে আর হার্দিক পাণ্ডিয়া চোটের জন্য বাইরে। নাহলে বিশ্বকাপজয়ী দলের থেকে খুব বেশি তফাৎ নেই।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

বেলফাস্টের মেঘলা আবহাওয়ায় আয়ারল্যান্ডের মতো ‘দুর্বল’ দলের বিরুদ্ধেও কিন্তু যথেষ্ট ভুগতে হল। বিশেষ করে প্রসিদ্ধ কৃষ্ণ। তিনি যে কোন ফরম্যাটে, কবে ভালো খেলবেন কেউ বলতে পারবেন না। যুক্তি, ২০২৭-এ ওয়ানডে বিশ্বকাপের জন্য ‘হিট দ্য ডেক’ বোলার হিসেবে তৈরি করা হচ্ছে। কিন্তু মেঘলা আবহাওয়ায় সুইং ছাড়া ক্রমাগত স্লোয়ার বল দিয়ে তিনি ঠিক কী করতে চাইলেন? ৪ ওভারে দিলেন ৫৭ রান। কোনও উইকেট নেই। তার মধ্যে এক ওভারে দিলেন ২৭ রান! শিবম দুবের এক ওভার বাকি থাকা সত্ত্বেও কেন ওয়াশিংটন সুন্দরকে শ্রেয়স বল দিলেন সেটাও এক প্রশ্ন। সেই তুলনায় অবশ্যই প্রশংসা করতে হয় হর্ষিত রানার। চোটের জন্য প্রায় ১৫০ দিন বাইরে ছিলেন। বিশ্বকাপ খেলতে পারেননি। কামব্যাক করাটা সহজ নয়। এই পরিস্থিতিতে ২৪ রান দিয়ে ৩ উইকেট তোলেন। একই রকম ধারাবাহিক অর্শদীপ সিং (২৮/২), অক্ষর প্যাটেল (৩৩/২)। আয়ারল্যান্ডের অধিনায়ক লরকান টাকার হাফসেঞ্চুরি করেন। গ্যারেথ ডেলানি অল্পের জন্য হাফসেঞ্চুরি মিস করেন। শেষ পর্যন্ত আয়ারল্যান্ড ৯ উইকেট হারিয়ে ১৮২ রান তোলে।

সবার অপেক্ষা ছিল ১৫ বছরের বৈভব সূর্যবংশীর অভিষেক হয় কি না দেখার। কিন্তু রেকর্ড গড়ে বৈভবের অভিষেক না হওয়ায় অনেকে অখুশি হন। শ্রেয়সের যুক্তি, আগের ম্যাচের সেটআপ ভাঙতে চান না।

পিচে কোনও ‘জুজু’ নেই। তা সত্ত্বেও আইরিশ বোলাররা রীতিমতো চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলে গেলেন ভারতের তারকাখচিত ব্যাটিংকে। টিম ইন্ডিয়া শেষ দেশের বাইরে ম্যাচ খেলেছিল গত বছরের নভেম্বরে। তারপর দেশের মাটিতে সিরিজ, বিশ্বকাপ, আইপিএল। অবশেষে বিদেশের মাটিতে নামতেই চাপে পড়লেন সঞ্জু স্যামসনরা। দ্বিতীয় ওভারেই ভারতীয় উইকেটকিপারকে ফেরান আয়ারল্যান্ডের ভারতীয় বংশোদ্ভূত বোলার জয় মুন্দ্রা। তাঁর পিছু পিছু হাঁটলেন ঈশান কিষান (১), অধিনায়ক শ্রেয়স (৩)। আইপিএলের সোনালি ফর্ম বেলফাস্টে দেখা গেল না। একমাত্র লড়াই করেন অভিষেক শর্মা। চেনা ফর্মেই ঝড় তোলেন তিনি। ২০ বলে ৫০ রান করেন। ৭টি চার ও ২টি ছক্কা হাঁকান তিনি। কিন্তু তিলক বর্মা (১৯) ধীরগতিতে ব্যাট করে চাপ বাড়ান। বোলিংয়ের মতো ব্যাটিংয়েও ব্যর্থ ওয়াশিংটন (৯)। ক্রমশ চাপ বাড়তে থাকায় কিছুটা হাল ধরেন শিবম দুবে ও অক্ষর প্যাটেল। কিন্তু কোনও ফিনিশার নেই দলে। পরীক্ষানিরীক্ষা করে দু’জনকে এত নিচে নামানোর ফলে কেউই ভারতকে জেতানোর কাছাকাছি যেতে পারলেন না। শিবম ১৪ বলে ২৫ রান করে আউট হন। অক্ষর ১৬ বলে করেন ১৫ রান। শেষমেশ ভারত গুটিয়ে যায় মাত্র ১৪৮ রানে। পুরো ২০ ওভারও খেলতে পারেনি। হারে ৩৪ রানে। ম্যাথু হলার্ড ৩ উইকেট ও জয় ২ উইকেট তোলেন।

এবার প্রশ্ন হচ্ছে, বৈভবকে খেলালে কি ভারত জিততে পারত? একদিকে অভিষেক, অন্যদিকে বৈভব, দু’জনের ঝড়ে দ্রুতগতিতে রানের কাছে পৌঁছতে ভারত টিম ইন্ডিয়া। কেউ বলতেই পারেন, আয়ারল্যান্ডের বিরুদ্ধে সিরিজটির হয়তো এত গুরুত্ব নেই। তাই এই হারে প্রশ্নচিহ্ন তোলার দরকার নেই। কিন্তু তাহলে তুলনায় দুর্বল প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে কেন বৈভবকে খেলানো হবে না? অধিনায়ক শ্রেয়স ও কোচ গৌতম গম্ভীর নিশ্চয়ই আয়ারল্যান্ডের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় তথা শেষ ম্যাচের আগে সেটা ভাববেন। দেশের ক্রিকেটভক্তরাও অপেক্ষায়।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.