Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
IND vs ENG

ব্যাট হাতে হার্দিকদের ঝড়ের পর বরুণ-বিষ্ণোইয়ের ঘূর্ণি, ইংল্যান্ডকে উড়িয়ে সিরিজ জয় ভারতের

আহত শিবম দুবের জায়গায় নেমে ইতিহাস গড়লেন হর্ষিত রানা। তুলে নিলেন ৩ উইকেটও।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৩১, ২০২৫, ২২:৫১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৩১, ২০২৫, ২২:৫১

options
link
ব্যাট হাতে হার্দিকদের ঝড়ের পর বরুণ-বিষ্ণোইয়ের ঘূর্ণি, ইংল্যান্ডকে উড়িয়ে সিরিজ জয় ভারতের zoom
ছবি: বিসিসিআই।

ভারত: ১৮১/৯ (হার্দিক ৫৩, শিবম ৫৩)
ইংল্যান্ড: ১৬৬/১০ (হ্যারি ব্রুক ৫১, বিষ্ণোই ২৮/৩, হর্ষিত ৩৩/৩)
১৫ রানে জয়ী ভারত।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ব্যাটিং ব্যর্থতা সামলে হার্দিক-শিবমের অনবদ্য লড়াই। অন্যদিকে বল হাতে ক্ষুরধার বিষ্ণোই, বরুণরা। চতুর্থ টি-টোয়েন্টিতে ভারতের কাছে পাত্তা পেল না ইংল্যান্ড। জস বাটলারদের ১৫ রানে হারিয়ে ৩-১ ব্যবধানে সিরিজ জিতে নিলেন সূর্যকুমাররা। হাফসেঞ্চুরি করেন শিবম-হার্দিক, দুজনেই। ৩ উইকেট রবি বিষ্ণোই ও হর্ষিতের। ২টি শিকার করলেন বরুণ চক্রবর্তী। এর মধ্যে শিবম দুবে আহত হওয়ায় তাঁর জায়গায় নেমে ইতিহাস গড়েন হর্ষিত। 

Advertisement

প্রথম তিনটি ম্যাচের টস জিতেছিলেন সূর্যকুমার যাদব। অবশেষে পুণেতে টস জিতে ভারতকে ব্যাট করতে পাঠান ইংল্যান্ডের জস বাটলার। আর দ্বিতীয় ওভারেই ধাক্কা খায় ভারত। ১ রানে ফিরে যান সঞ্জু স্যামসন। শাকিব মাহমুদের বোলিংয়ের কাছে পরাস্ত হন তিলক ও সূর্যও। দুজনেই ফেরেন শূন্য রানে। অধিনায়ক সূর্যর অফ ফর্ম অব্যাহত রইল। আর তার ফলে চাপে পড়ে ভারত। কিছুক্ষণের মধ্যে আউট হয়ে যান অভিষেক শর্মা। সেই জায়গায় চোট সারিয়ে ফিরে এসে ৩০ রানের গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস খেলেন রিঙ্কু সিং। ৭৯ রানে ৫ উইকেট তখনও যথেষ্ট চাপ ছিল ভারতের। সেখান থেকে পালটা আক্রমণের রাস্তা নেন হার্দিক পাণ্ডিয়া ও শিবম দুবে।

সেখান থেকে আর ঘুরে তাকাতে হয়নি। শিবম করেন ৩৪ বলে ৫৩ রান। অন্যদিকে অফ ফর্মের ভ্রূকুটি উড়িয়ে হার্দিকও ৫৩ রান করেন। শেষ পর্যন্ত ৯ উইকেট হারিয়ে ১৮১ রানে থামে ভারতের ইনিংস।

জবাবে শুরুটা একেবারে খারাপ করেনি ইংল্যান্ডও। ওপেনিং জুটিতে উঠে যায় ৬২ রান। তার মধ্যে ১৯ বলে ৩৯ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলেন বেন ডাকেট। আর তারপরই শুরু হয় বিষ্ণোই ম্যাজিক। চলতি সিরিজে একেবারেই ফর্মে ছিলেন না ভারতীয় স্পিনার। ফর্মে ফিরলেন একেবারে মোক্ষম সময়ে। ডাকেট ও বাটলারকে দ্রুত ফিরিয়ে দেন তিনি। যোগ্য সঙ্গ দিয়ে সল্টের উইকেট ছিটকে দেন অক্ষর প্যাটেল। আহত শিবম দুবের জায়গায় নামেন হর্ষিত রানা। আর এদিনই টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে অভিষেক হল তাঁর। এই প্রথম কোনও ক্রিকেটারের অভিষেক পরিবর্ত হিসেবে হল। তবে মাঠে তিনি বুঝিয়ে দিলেন, প্রথম টিমেও তাঁর জায়গা হতে পারে। লিভিংস্টোন, বেথেল ও ক্রমে ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠা জেমি ওভারটনকে ফিরিয়ে দেন তিনি। কম যাননি বরুণ চক্রবর্তীও। এদিন ফের তিনি ইংল্যান্ড ব্যাটারদের ধাঁধা দেখালেন। জবাব দিতে না পেরে আউট হলেন ব্রাইডন কার্স ও হাফসেঞ্চুরি করা হ্যারি ব্রুক। শেষ পর্যন্ত ইংল্যান্ডের ইনিংস থামে ১৬৬ রানে। ১৫ রানে ম্যাচ জিতে টি-টোয়েন্টি সিরিজও ৩-১ ব্যবধানে সিরিজও জিতে নিল ভারত। 

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.