Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Vaibhav Sooryavanshi

১৫ বছর বয়সেই কোটি কোটি সম্পত্তি, নাবালক বৈভবকে কি আয়কর দিতে হয়?

যে বয়সের ছেলেরা মূলত পকেটমানির উপরেই নির্ভরশীল, সেই বয়সে বৈভব সূর্যবংশী কোটি কোটি সম্পত্তির মালিক। শোনা যায়, প্রায় সাত কোটি টাকার সম্পত্তি রয়েছে এই কিশোর সুপারস্টারের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ৪, ২০২৬, ১৯:৫৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ৪, ২০২৬, ১৯:৫৯

options
link
১৫ বছর বয়সেই কোটি কোটি সম্পত্তি, নাবালক বৈভবকে কি আয়কর দিতে হয়? zoom
প্রায় সাত কোটি টাকার সম্পত্তি রয়েছে এই কিশোর সুপারস্টারের।

যে বয়সের ছেলেরা মূলত পকেটমানির উপরেই নির্ভরশীল, সেই বয়সে বৈভব সূর্যবংশী (Vaibhav Sooryavanshi) কোটি কোটি সম্পত্তির মালিক। শোনা যায়, প্রায় সাত কোটি টাকার সম্পত্তি রয়েছে এই কিশোর সুপারস্টারের। বৈভবের ভক্তকুল হোক বা ক্রিকেটপ্রেমী-সকলেরই প্রশ্ন এই বিপুল সম্পত্তির জন্য কি কর দিতে হয়? নাকি বয়সের কারণে ছাড় পায় এই কিশোর?

আপাতত বৈভব আইপিএল খেলে রাজস্থান রয়্যালসের জার্সিতে। সেখানে তার বেতন ১.১০ কোটি টাকা। তার সঙ্গে রয়েছে ম্যাচ ফি। প্রত্যেক ম্যাচে ৭.৫ লক্ষ টাকা উপার্জন করে সে। এখনও পর্যন্ত আইপিএ দুই মরশুম মিলিয়ে ২২টি ম্যাচ খেলেছে বৈভব। ম্যাচ ফি বাবদ ১.৬৫ কোটি টাকার কাছাকাছি তার আয়। এছাড়াও অনূর্ধ্ব-১৯ জাতীয় দলের নিয়মিত সদস্য বৈভব। ম্যাচ পিছু সে পায় ২০ হাজার টাকা। অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ জিতে এককালীন ৪০ লক্ষ টাকা পেয়েছে বৈভব। বিহারের হয়ে ঘরোয়া ক্রিকেট খেলে দিন পিছু বৈভবের আয় ৪০ হাজার টাকা। মাত্র ১৫ বছর বয়সেই মুম্বইয়ে বিলাসবহুল ফ্ল্যাটও কিনে ফেলেছে বৈভব। প্রায় ৩ কোটি টাকা দাম এই ফ্ল্যাটের।

Advertisement

বৈভবের বিজ্ঞাপনের সংখ্যাও দিন দিন বাড়ছে। ইতিমধ্যেই একটি বিখ্যাত হেলথ ড্রিঙ্কের বিজ্ঞাপনে দেখা যায় বৈভবকে। সূত্রের খবর, এই বিজ্ঞাপনের জন্য ৫ কোটি টাকা আয় করে সে। এছাড়াও এমআরএফের তরফ থেকে ব্যাট স্পনসরশিপ হিসাবে ৫ কোটি টাকা পায়। সোশাল মিডিয়ায় পোস্ট পিছু ৮ লক্ষ টাকা আয় করে বৈভব, এমনটাই সূত্রের খবর। পাশাপাশি উপহার হিসাবে একাধিক আর্থিক পুরস্কার পেয়েছে সে। বিহারের তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার দুই দফায় ৬০ লক্ষ টাকা পুরস্কার দিয়েছেন বৈভবকে। প্রায় ৫০ লক্ষ টাকা দামের মার্সিডিজ বেঞ্জ গাড়িও উপহার হিসাবে পেয়েছে সে। ১৭ লক্ষ টাকার একটি টাটা কার্ভ গাড়িও রয়েছে বৈভবের গ্যারাজে।

সাধারণত নাবালকদের আর্থিক সম্পত্তি নথিভুক্ত হয় বাবা অথবা মা কোনও একজনের উপার্জন হিসাবে। কিন্তু বৈভব যেহেতু নিজের পরিশ্রমে উপার্জন করছে, সেক্ষেত্রে সম্পত্তির জন্য তাকেও কর দিতে হয়। নাবালক বলে আলাদা কোনও ছাড়ও পায় না সে। তবে তার হয়ে আয়কর রিটার্ন ফাইল করেন কোনও একজন অভিভাবক। সেই রিটার্নের ভিত্তিতে প্রত্যেক বছর কর দিতে হয় বৈভবকে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.