Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ২০ আগস্ট ২০২৬
Manav Suthar

আশঙ্কার নাম আইপিএল! ‘নিজেকে বদলে ফেলো না’, টেস্টে সফল সুথারকে পরামর্শ প্রাক্তন ক্রিকেটারের 

টেস্ট ক্রিকেটে আবির্ভাবেই নজর কেড়েছেন টিম ইন্ডিয়ার বাঁহাতি স্পিনার মানব সুথার। মাত্র দুই টেস্টেই তাঁর ঝুলিতে ১৭ উইকেট।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১৯, ২০২৬, ২১:০২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১৯, ২০২৬, ২১:০২

options
link
আশঙ্কার নাম আইপিএল! ‘নিজেকে বদলে ফেলো না’, টেস্টে সফল সুথারকে পরামর্শ প্রাক্তন ক্রিকেটারের  zoom
দুই ইনিংস মিলিয়ে ১০ উইকেট নিয়েছেন মানব সুথার। ছবি সংগৃহীত।
Advertisement

টেস্ট ক্রিকেটে আবির্ভাবেই নজর কেড়েছেন টিম ইন্ডিয়ার বাঁহাতি স্পিনার মানব সুথার (Manav Suthar)। মাত্র দুই টেস্টেই তাঁর ঝুলিতে ১৭ উইকেট। গলে দুই ইনিংস মিলিয়ে ১০ উইকেট তুলেছেন ২৪ বছরের এই স্পিনার। তাঁকে নিয়ে প্রশংসায় পঞ্চমুখ ক্রিকেট মহল। এই পরিস্থিতিতে প্রাক্তন ক্রিকেটার চেতেশ্বর পূজারার পরামর্শ, আইপিএলের হাতছানিতে যেন নিজের স্বাভাবিক বোলিংয়ের ধরন বদলে না ফেলেন সুথার।

পুজারার মতে, লাল বলের ক্রিকেটে সুথারের সবচেয়ে বড় শক্তি বলের গতি কমিয়ে ফ্লাইট করানো। গলের মন্থর পিচেও পরিস্থিতি বুঝে বোলিংয়ে বৈচিত্র্য এনেছিলেন সুথার। বল পুরনো হয়ে যাওয়ার পর উইকেট থেকে সাহায্য কমতে থাকায় গতি বাড়িয়ে প্রায় ঘণ্টায় ৯০ কিলোমিটার বেগে বল করেন তিনি। পূজারা বলেন, “দ্বিতীয় ইনিংসে ওর গতি বদলে গিয়েছিল। শেষ তিনটি উইকেট নেওয়ার সময় ও বেশ জোরে বল করেছিল। বুঝেছিল, পিচ মন্থর হয়ে যাওয়ার পর বল পুরনো হলে স্পিনারদের জন্য সাহায্য কমে যায়। তাই ও গতি বাড়িয়েছিল।”

তবে সুথারের মূল শক্তি তাঁর বলের ফ্লাইট। সেটিই ধরে রাখার পরামর্শ দিয়েছেন পূজারা। তাঁর কথায়, “প্রথম ইনিংসে এবং বল যখন নতুন ছিল, তখন ওকে ফ্লাইট করাতে দেখা গিয়েছে। সঠিক জায়গায় বল ফেলেছে। ভারত এমন একজন বাঁ-হাতি স্পিনার পেয়েছে, যে দীর্ঘ দিন দলের সঙ্গে থাকতে পারে।” সাদা বলের ক্রিকেটে সুথার সুযোগ পেলেও আপত্তি নেই পূজারার। তবে আইপিএলের জন্য সুথার তাঁর স্বাভাবিক বোলিংয়ে পরিবর্তন করুক, চান না তিনি। পূজারার কথায়, “আইপিএল খেলার সুযোগ পেলে খেলুক। সেখানে সফল হলেও কোনও সমস্যা নেই। কিন্তু নিজের শক্তি বদলানো যাবে না।”

তিনি আরও বলেন, “সুথার বল ফ্লাইট করাতে ভয় পায় না। ধীর গতিতে বল করতে ও রাজি। লাল বলের ক্রিকেটে এই গুণটাই ওর শক্তি। শুধু আইপিএলের জন্য নিজেকে বদলে ফেলার দরকার নেই। নিজের স্বাভাবিক দক্ষতাটাই ধরে রাখতে হবে।” শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে লাঞ্চের পর শুরু হয় মানবের ম্যাজিক। বাঁ-হাতে একেবারে ‘ট্র্যাডিশনাল’ স্পিনার। ভালো রানআপ। কোমরের মোচড়কে অসাধারণ ব্যবহার করেন। হাওয়াতেই বল ভাসে। তাই একটু বেশি স্পিন পান। ব্যাটার যেখানে ভাবেন, তার থেকে একটু আগে বল পড়ে। ফলে বাড়তি ফ্লাইটে স্লিপে ক্যাচ ওঠার সম্ভাবনা বেশি থাকে। ভারত অধিনায়কও সুথারের প্রশংসায় পঞ্চমুখ। গিলের মন্তব্য, “দুর্দান্ত বল করছে। ও খুবই প্রতিশ্রুতিবান। আমার বিশ্বাস, দীর্ঘ সময় ভারতের হয়ে খেলতে পারবে।”

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.