Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৪ আষাঢ় ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ৩০ জুন ২০২৬
Champions Trophy

লোকসান নয়, চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে প্রত্যাশা ছাপিয়ে লাভের মুখ দেখেছে পাকিস্তান, পিসিবির দাবি ঘিরে প্রশ্ন

সংসদে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির জমা-খরচের হিসাব দিয়েছে পিসিবি।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ৯, ২০২৫, ২১:৪১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ৯, ২০২৫, ২১:৪১

options
link
লোকসান নয়, চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে প্রত্যাশা ছাপিয়ে লাভের মুখ দেখেছে পাকিস্তান, পিসিবির দাবি ঘিরে প্রশ্ন zoom
ফাইল চিত্র

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মাঠে ব্যর্থতা। গ্রুপের গণ্ডি পেরোতে পারেনি পাকিস্তান। প্রথমে শোনা গিয়েছিল, চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি আয়োজন করেও লোকসানের মুখে পড়তে হয়েছে পিসিবিকে। তবে পাক ক্রিকেট মহলকে খানিক সুখবর শুনিয়ে সেই গুঞ্জন উড়িয়ে দিল পাক ক্রিকেট বোর্ড। পিসিবি জানিয়ে দিল, চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে শুধু যে তাঁরা লাভের মুখ দেখেছে তা-ই নয়। সেই লাভের পরিমাণ ছাপিয়ে গিয়েছে সব প্রত্যাশা।

সম্প্রতি পাক ক্রিকেটের দুর্দশা নিয়ে সে দেশের সংসদে আলোচনা হয়েছে। সেখানেই পিসিবির কাছে জানতে চাওয়া হয়, চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে ঠিক কত লাভ হয়েছে? সে প্রশ্নের জবাবে পিসিবি জানিয়ে দিয়েছে, প্রাথমিক হিসাবে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি আয়োজন করে তাদের ৩০০ কোটি পাকিস্তানি টাকা লাভ হয়েছে। ভারতীয় মুদ্রায় সেটা প্রায় ৯২ কোটি ৩৫ লাখ টাকা। এই লাভের অঙ্কটা প্রত্যাশা ছাপিয়ে গিয়েছে বলে দাবি পাক বোর্ডের। পিসিবি জানিয়েছে, তাঁরা ২০০ কোটি পাকিস্তানি টাকা লাভের আশায় ছিল। সেটার চেয়ে ১০০ কোটি পাকিস্তানি টাকা বেশি লাভ হয়েছে। তবে পিসিবি জানিয়েছে, পুরো হিসাবটাই আইসিসির চূড়ান্ত বার্ষিক হিসাব পরীক্ষার পর জানা যাবে। প্রশ্ন উঠছে, আইসিসি চূড়ান্ত হিসাব দেওয়ার আগেই কী করে এই লাভের দাবি করে বসল পিসিবি? তাছাড়া, অধিকাংশ ম্যাচ তো পাকিস্তানে হয়নি, তাহলে এত লাভ এল কোথা থেকে? নাকি শুধুই মুখরক্ষার জন্য এই লাভের হিসাব দিচ্ছে পিসিবি? 

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

উল্লেখ্য, চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির জন্য পাকিস্তান প্রায় ১৮ বিলিয়ন পাকিস্তানি রুপি খরচ করেছে। এই পরিমাণ টাকা রাওয়ালপিণ্ডি, লাহোর এবং করাচিতে তিনটি স্টেডিয়াম সংস্কারে ব্যয় করা হয়েছে। যা মূল বাজেটের থেকে ৫০ শতাংশ বেশি। এছাড়াও প্রতিযোগিতা আয়োজনে ৪০ মিলিয়ন ডলার খরচ করে পিসিবি। প্রাথমিকভাবে মনে হয়েছিল, এত খরচ হওয়ায় বেশ ভালো লোকসান হবে পিসিবির। কিন্তু পাক বোর্ডের দাবি সম্পূর্ণ উলটো।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.