Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
CAB

আম্পায়ারিং নিয়োগ থেকে টুর্নামেন্ট নীতি, সার্বিক প্রশ্নের মুখে সিএবি

বেঙ্গল প্রো টি-টোয়েন্টি লিগের নিলামেও বিতর্ক বেঁধেছে একপ্রস্থ। গতকাল, অর্থাৎ রবিবার নিলামের প্রথম দিনে এক ফ্র্যাঞ্চাইজির টেবলে উপবিষ্ট থাকতে দেখা যায় সিএবির অ্যাপেক্স কাউন্সিল সদস্য সুরজিৎ লাহিড়ীকে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১২, ২০২৬, ২০:৫৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১২, ২০২৬, ২০:৫৩

options
link
আম্পায়ারিং নিয়োগ থেকে টুর্নামেন্ট নীতি, সার্বিক প্রশ্নের মুখে সিএবি zoom
ফাইল ছবি।

একদিকে, দ্বিতীয় ডিভিশন লিগ চ্যাম্পিয়নশিপ প্লে-অফের ফাইনালে আম্পায়ার নিয়োগ নিয়ে বিতর্ক। অন্যদিকে, একই টুর্নামেন্টে জোড়া নীতি প্রয়োগ। দুইয়ে মিলিয়ে ফের বিতর্কে জড়াল সিএবি (CAB)।

সোমবার দ্বিতীয় ডিভিশন লিগ চ্যাম্পিয়নশিপ প্লে-অফ ফাইনালে জর্জ টেলিগ্রাফকে চার উইকেটে হারিয়ে জিতল বিএনআর। কিন্তু বিতর্ক বাঁধল ম্যাচের আম্পায়ারিং নিয়ে। জর্জের অভিযোগ, অন্তত দু’জন ব্যাটারের ‘ইনসাইড এজ’ হওয়া সত্ত্বেও তাঁদের এলবিডব্লিউ দিয়েছেন ম্যাচের আম্পায়ার প্রদীপ ঘোষ। বলা হচ্ছে, শুধুমাত্র ওই দুই আউটের সিদ্ধান্তে যে জর্জ চার উইকেটে ফাইনাল হেরে গিয়েছে, তা নয়। কিন্তু খেলার রেজাল্টে ওই দুই বিতর্কিত আউটের প্রভাব পড়েছে তো বটেই। জর্জ টেলিগ্রাফ প্রদত্ত ১৬৫ রানের টার্গেট তাড়া করতে গিয়ে ছ’উইকেট চলে গিয়েছিল বিনএনআরের। কে বলতে পারে, বিতর্কিত এলবিডব্লিউ না দেওয়া হলে, দুই ‘সেট ব্যাটার’ আরও কিছুক্ষণ ক্রিজে থেকে গেলে, খেলার ফলাফল অন্যরকম হত না?

Advertisement

সিএবি-র একাংশ বলছে যে, বোর্ড আম্পায়ার রাহুল রায় হাতে থাকা সত্ত্বেও সংস্থার পদাধিকারীরা দ্বিতীয় ডিভিশন প্লেঅফ ফাইনালের মতো গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে প্রদীপ ঘোষকে আম্পায়ারিংয়ের দায়িত্ব দিলেন। রাহুল খেলা পরিচালনা করলে, প্রশ্ন তোলার কোনও অবকাশ থাকত না। কিন্তু তাঁকে অন্য ম্যাচ পরিচালনা করতে পাঠিয়ে দেওয়া হল। অনূর্ধ্ব-১৮ ক্লাব টুর্নামেন্ট নিয়েও ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। তবে তার নেপথ্যে আম্পায়ারিং নয়। একই টুর্নামেন্টে দুই নীতি প্রয়োগ।

ঠিক কী ঘটেছে? ওয়াকিবহাল মহলের অভিযোগ, গত ১ ও ২ মে অনূর্ধ্ব-১৮ টুর্নামেন্টের প্রি-কোয়ার্টার ফাইনাল ছিল। প্রথম দিন তিনটে ম্যাচ ছিল ময়দানে। আর একটা ম্যাচ বারাসাতে। বৃষ্টির কারণে ময়দানের তিনটে ম্যাচ খেলাই হয়নি। সেখানে পিচ কভার ছিল না। টসে নিষ্পত্তি হয় তিন ম্যাচের। কিন্তু আশ্চর্যজনক ভাবে নাকি বারাসতে পিচ কভার ছিল! শুধু অর্থাৎ ২ মে-র বাদবাকি প্রি-কোয়ার্টার ফাইনালের দিন পালটে দেওয়া হয়! অর্থাৎ, কয়েকটা দলের ভাগ্য স্রেফ টসে নিষ্পত্তি হল। আর গোটা কতক দলের ভাগ্য খেলার মাধ্যমে ঠিক হল। আর সেই ‘দুর্ভাগা’দের তালিকায় স্পোর্টিং ইউনিয়নের মতো ঐতিহ্যশালী ক্লাবও রয়েছে। শোনা যাচ্ছে, স্পোর্টিংয়ের পক্ষ থেকে এ নিয়ে প্রতিবাদী চিঠিও জমা পড়েছে সিএবিতে।

দাঁড়ান, এখানেই শেষ নয়। বেঙ্গল প্রো টি-টোয়েন্টি লিগের নিলামেও বিতর্ক বেঁধেছে একপ্রস্থ। গতকাল, অর্থাৎ রবিবার নিলামের প্রথম দিনে এক ফ্র্যাঞ্চাইজির টেবলে উপবিষ্ট থাকতে দেখা যায় সিএবির অ্যাপেক্স কাউন্সিল সদস্য সুরজিৎ লাহিড়ীকে। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, লোধা আইন অনুযায়ী যা স্বার্থের সংঘাত। তবে সোমবার নিলামের দ্বিতীয় দিনে ফ্র্যাঞ্চাইজ টেবিলে তাঁকে দেখা যায়নি।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.