Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১ ভাদ্র ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ১৮ আগস্ট ২০২৬
Boxing Day Test

‘মৃত’ লাল বলের ক্রিকেট দেখতেই জনজোয়ার! বক্সিং ডে টেস্টে রেকর্ড সংখ্যক দর্শক মেলবোর্নে

ম্যাচের এখনও একদিন বাকি। সেদিনও যে বিপুল সংখ্যক দর্শক নিজেদের দেশের হয়ে গলা ফাটাতে উপস্থিত হবে, সেকথা বলাই বাহুল্য।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ২৯, ২০২৪, ১৮:৫৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ২৯, ২০২৪, ১৮:৫৭

options
link
‘মৃত’ লাল বলের ক্রিকেট দেখতেই জনজোয়ার! বক্সিং ডে টেস্টে রেকর্ড সংখ্যক দর্শক মেলবোর্নে zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: টেস্ট ক্রিকেটকে ‘বাঁচিয়ে’ তুলতে সাম্প্রতিক সময়ে একাধিক পদক্ষেপ নিয়েছে আইসিসি। বিরাট অঙ্কের ফান্ডও বরাদ্দ করা হয়েছে টেস্ট ক্রিকেটের গর্ব ফেরানোর জন্য। কিন্তু বক্সিং ডে-তে মেলবোর্নে দর্শকের সংখ্যা দেখে কে বলবে টেস্ট ক্রিকেট ‘মৃতপ্রায়’! বক্সিং ডে টেস্টের ইতিহাসে সর্বকালের রেকর্ড সংখ্যক দর্শকের আগমন ঘটল ভারত-অস্ট্রেলিয়া দ্বৈরথ দেখার জন্য।

বর্ডার-গাভাসকর ট্রফির ফলাফল আপাতত ১-১। মেলবোর্ন টেস্ট সেই কারণে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ম্যাচের প্রথম দিন, অর্থাৎ ২৬ ডিসেম্বর হাজির হয়েছিলেন ৮৭,২৪২ জন দর্শক। দ্বিতীয় দিন মাঠে ছিলেন ৮৫,১৪৭ জন। তৃতীয় দিনও সংখ্যাটা ৮০ হাজার পার করে যায়। চতুর্থ দিন অর্থাৎ রবিবার অবশ্য এত সংখ্যক দর্শক এমসিজি-তে উপস্থিত হননি। এদিন হাজির ছিলেন ৪৩,৮৩৭ জন দর্শক।

Advertisement

সব মিলিয়ে বক্সিং ডে টেস্টের ৪ দিনে মোট দর্শক সংখ্যা ২,৯৯,৩২৯। এর আগে ২০১৩ সালের অ্যাসেজে মেলবোর্নে ২৭১,৮৬৫ জন দর্শক হাজির হয়েছিলেন। সেটাই ছিল এমসিজি-তে সর্বকালের সবচেয়ে বেশি দর্শক সংখ্যার নজির। এবার ইতিমধ্যেই সেই রেকর্ড ভেঙে গিয়েছে। ম্যাচের এখনও একদিন বাকি। পঞ্চম দিনই মেলবোর্ন টেস্টের ফয়সালা হয়ে যাবে। সেদিনও যে বিপুল সংখ্যক দর্শক নিজেদের দেশের হয়ে গলা ফাটাতে উপস্থিত হবে, সেকথা বলাই বাহুল্য।

তবে ১৯৩৬-৩৭ সালের অ্যাসেজে এমসিজি-তে মোট ৩৫০,৫৩৪ জন দর্শক ছিলেন। সেটা অবশ্য ৬ দিনের ম্যাচে। তাতেও শেষ দিনে মাত্র ৫১,২০৫ দর্শক থাকলে সেই রেকর্ড ভেঙে যাবে। এমসিজি-তে দর্শকদের এই রেকর্ড নিয়ে উচ্ছ্বসিত আইসিসি চেয়ারম্যান জয় শাহ। এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লিখেছেন, ‘টেস্ট ক্রিকেটের প্রতি এরকম আকর্ষণ দেখে দারুণ লাগছে। এটাই পরের বছরের বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ ফাইনালের পথ তৈরি করে দিচ্ছে।’

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.