Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৯ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ১৫ আগস্ট ২০২৬
Mustafizur Rahman

আইসিসিকে পাঠানো চিঠিতে নেই বিশ্বকাপের ম্যাচ সরানোর দাবি! মুস্তাফিজুর ইস্যুতে সুর নরম বাংলাদেশের

মুখে হম্বিতম্বি করলেও বাস্তব বুঝে সুর নরম বাংলাদেশের।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৪, ২০২৬, ১৭:৪৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৪, ২০২৬, ১৭:৪৮

options
link
আইসিসিকে পাঠানো চিঠিতে নেই বিশ্বকাপের ম্যাচ সরানোর দাবি! মুস্তাফিজুর ইস্যুতে সুর নরম বাংলাদেশের zoom
Advertisement

রাজর্ষি গঙ্গোপাধ্যায়: মাত্র কয়েক ঘণ্টাতেই সুরবদল। মুখে হম্বিতম্বি করলেও শেষমেশ ভারত থেকে বিশ্বকাপের ম্যাচ সরানোর দাবি আইসিসিকে লেখা চিঠিতে জানাবে না বিসিবি। এখনও পর্যন্ত যা খবর তাতে আইসিসিকে চিঠি পাঠিয়ে ভারতে ক্রিকেটারদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগপ্রকাশ করা হতে পারে। নিরাপত্তার বিষয়ে কী কী পদক্ষেপ করা হচ্ছে সেটা জানতে চাওয়া হতে পারে। কিন্তু ম্যাচ সরানোর দাবি তাতে থাকবে না।

মুস্তাফিজুর রহমানকে (Mustafizur Rahman) আইপিএলে খেলতে না দেওয়ায় অপমানিত, ক্ষুব্ধ বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড। কিন্তু বিসিসিআইয়ের মতো শক্তিশালী সংস্থার বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপ করার ক্ষমতা তাদের নেই। সেটা মেনে নিয়েছেন সেদেশের বোর্ড প্রেসিডেন্ট আমিনুল হক বুলবুল। তবে বাংলাদেশের ক্রীড়া উপদ্বেষ্টা গতকাল সোশাল মিডিয়ায় ভারতের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়ে জানিয়ে দেন, তিনি বিসিবিকে নির্দেশ দেবেন, ভারতে দল না পাঠাতে। বাংলাদেশের ইউনূস সরকারের ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুলের বক্তব্য, “বাংলাদেশের একজন ক্রিকেটার চুক্তিবদ্ধ হওয়া সত্ত্বেও যেখানে ভারতে খেলতে পারেন না, সেখানে বাংলাদেশের গোটা ক্রিকেট টিম বিশ্বকাপ খেলতে যাওয়া নিরাপদ মনে করতে পারে না।”

Advertisement

শোনা যাচ্ছিল, ক্রীড়া উপদেষ্টার নির্দেশ মেনে ভারত থেকে ম্যাচ সরানোর আবেদন করবে বিসিবি। কিন্তু শেষমুহূর্তে তাঁদের বোধোদয় হয়েছে। বিসিবি বুঝতে পেরেছে, মাত্র একমাসের মধ্যে আর বিশ্বকাপের ভেন্যুবদল সম্ভব নয়। তাছাড়া, এখন আইসিসির চেয়ারম‍্যান ভারতের জয় শাহ। তিনি একই সঙ্গে ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের পুত্রও। ফলে বাংলাদেশ যদি আইসিসি-র দ্বারস্থ হয়, তাতেও কতটা লাভ হবে সংশয় থাকছে। উলটে বিশ্বকাপে বাংলাদেশ না খেলতে চাইলে তাঁদের বাদ দিয়েও বিশ্বকাপ করার পরিকল্পনা করা হতে পারে। কারণ, বাংলাদেশ আর যা-ই হোক পাকিস্তানের মতো প্রভাবশালী দল নয়।

আসলে বাংলাদেশ দল পাঠাতে চায় না, এ খবর প্রকাশ্যে আসার পর বিসিসিআইয়ের সূত্র সাফ বলে দেয়, কারও ব্যক্তিগত ইচ্ছা-অনিচ্ছার ভিত্তিতে বিশ্বক্রিকেট চলবে না। মাত্র এক মাস পর বিশ্বকাপ। এর মধ্যে বাংলাদেশের এতগুলি ম্যাচ সরানো পদ্ধতিগতভাবে অসম্ভব। তাছাড়া বিপক্ষ দলগুলির কথাও ভাবতে হবে। তাদের বিমান ভাড়া, হোটেল সব বুক হয়ে গিয়েছে। আরও একটা পদ্ধতিগত সমস্যার কথা বলছে ভারতীয় বোর্ড। বিসিসিআই সূত্র বলছে, প্রতিদিনই তিনটি করে ম্যাচ হওয়ার কথা। দু’টি ভারতে একটি শ্রীলঙ্কায়। এবার নতুন করে শ্রীলঙ্কায় ম্যাচ সরালে সম্প্রচারে একটা বড় সমস্যা হবে। মাত্র একমাসের নোটিসে বিশ্বকাপের ম্যাচ সরানো যে কার্যত অসম্ভব, সেই বাস্তব বুঝতে পারছে বিসিবিও। সেকারণে ম্যাচ সরানোর আবেদন করা হবে না বলেই এখনও পর্যন্ত খবর। তবে রাজনৈতিক চাপ রয়েছে, ক্রিকেটপ্রেমীদের অসন্তোষ রয়েছে। তাই ভারতের উপর চাপ দেওয়া হচ্ছে, এমন ভাব দেখাতে আইসিসিকে একটি চিঠি দেবে বিসিবি। যাতে মূলত নিরাপত্তার বন্দোবস্ত নিয়ে জানতে চাইবে তারা। এর বাইরে কিস্যু না। অর্থাৎ রণং দেহী মেজাজ থেকে অনেকটাই পিছিয়ে আসছে তারা। অন্তত এখনও পর্যন্ত তাই খবর। অবশ্য পরিস্থিতি যে কোনও সময় বদলে যেতে পারে। ইউনুসের বাংলাদেশে সবই সম্ভব।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.