Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Ashish Nehra

‘আমার ডিভোর্স হয়ে যাবে’, ভারতের কোচ হতে চেয়েও কেন দুশ্চিন্তায় নেহরা?

রোহিত-বিরাটের ভবিষ্যৎ নিয়ে কী বললেন নেহরা?

স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ৮, ২০২৬, ১৫:৪২

link
স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ৮, ২০২৬, ১৫:৪২

options
link
‘আমার ডিভোর্স হয়ে যাবে’, ভারতের কোচ হতে চেয়েও কেন দুশ্চিন্তায় নেহরা? zoom
নেহরাকে উপহার দিচ্ছেন সৌরভ। সোমবার। অপ্রতিম পাল
Advertisement

ভারতীয় ক্রিকেটে বর্তমানে সবচেয়ে আলোচিত ইস্যু একটাই। বলা ভালো, দু’জন ব্যক্তি। তাঁদের ভবিষ্যৎ কী হতে চলেছে, তা নিয়ে জল্পনা মাঝেমধ্যেই ডালপালা মেলে।

সেই দু’জন, অর্থাৎ বিরাট কোহলি এবং রোহিত শর্মা। টেস্ট আর টি-টোয়েন্টি থেকে অবসর নিয়েছেন দুই প্রাক্তন ভারত অধিনায়ক। দেশের হয়ে খেলেন শুধু ওয়ানডে ফরম্যাটে। কিন্তু সেখানেও তাঁদের ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনা চলে বছরভর। আগামী বছর ওয়ানডে বিশ্বকাপে দুই নক্ষত্রকে আদৌ দেখা যাবে কি না, প্রশ্ন সেটাই। তবে তাতে ঢুকতে নারাজ প্রাক্তন জাতীয় তারকা আশিস নেহরা (Ashish Nehra)। বরং তিনি মনে করেন, ভারতীয় ক্রিকেটে পরিস্থিতি দ্রুত বদলে যায়। ফলে এক বছর পরের কথা এখনই ভাবতে বসার মানে নেই।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

সিএবি-র বার্ষিক পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে এসে নেহরা বলছিলেন, “বিরাট-রোহিত বিশ্বকাপ খেলবে কি না, তা নিয়ে এখনই আলোচনার কোনও কারণ দেখছি না। বিশ্বকাপে তো এখনও একটা বছর বাকি আছে। ভারতীয় ক্রিকেটে পরিস্থিতি দু-তিন সপ্তাহেই বদলে যায়। একটা বছর তো লম্বা সময়।” তবে নিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনায় রাজি নেহরা। আগামীতে জাতীয় দলের কোচ হতেও আপত্তি নেই তাঁর। “আমি অবশ্যই ভারতীয় দলের কোচ হতে চাই। জাতীয় কোচ হওয়াটা গর্বের বিষয়। আবার এই দায়িত্ব চাপেরও। ফলে সবদিক ভেবেই সিদ্ধান্ত নেব। আসলে আমাকে তো হাই কমিশনারের অনুমতি নিয়ে হবে। তিনি হলেন আমার স্ত্রী। নাহলে আমার ডিভোর্স হয়ে যাবে। এত ঘুরতে হয়। ৮-৯ মাস দেশের বাইরে থাকতে হয়। ভবিষ্যতে দেখা যাক কী হয়?” আবার পাকিস্তান ক্রিকেটের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়েও বলে দিলেন, “দেশটার অবস্থাই তো ভালো না! তার প্রভাব ক্রিকেটে পড়ছে।”

এদিন নেহরা ছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সিএবি সভাপতি সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়, সচিব বাবলু কোলে, কোষাধক্ষ্য সঞ্জয় দাস, রাজ্যের মন্ত্রী অশোক দিন্দা, প্রাক্তন সভাপতি স্নেহাশিস গঙ্গোপাধ্যায়-সহ সৌরাশিস লাহিড়ী, অনুষ্টুপ মজুমদারের মতো প্রাক্তন বঙ্গ ক্রিকেটাররা। শুরুতেই উৎপল চট্টোপাধ্যায় এবং পূর্ণিমা চৌধুরির হাতে ‘জীবনকৃতি’ সম্মান তুলে দেন সৌরভ। বাংলা দলের একঝাঁক ক্রিকেটার বর্তমানে দলীপ ট্রফি ফাইনাল খেলছেন চেন্নাইয়ে। বাকি বাংলা দল প্রাক্-মরশুম প্রস্তুতি সারছে পণ্ডিচেরিতে। ফলে বিভিন্ন বিভাগে বর্ষসেরা হওয়া মহম্মদ শামি, সুদীপ ঘরামি, সূরজ সিন্ধু জয়সওয়াল, সুমন্ত গুপ্তরা আসেননি। এরমধ্যে আবার বিতর্ক হল দুই নির্বাসিত ক্রিকেটার রবি কুমার এবং রোহিত যাদবকে পুরস্কার দেওয়া নিয়ে। দু’জনে যথাক্রমে বাংলার জার্সিতে অনূর্ধ্ব ২৩ এবং অনূর্ধ্ব ১৯ পর্যায়ে সেরা বোলার হয়েছিলেন। রোহিত না এলেও রবি উপস্থিত ছিলেন অনুষ্ঠানে, পুরস্কারও নিলেন মঞ্চে উঠে। তাঁদের পুরস্কৃত করা প্রসঙ্গে সিএবি সচিবের যুক্তি, “দু’জনেই পরিসংখ্যানের ভিত্তিতে পুরস্কার পেয়েছে। আর যখন ওরা খেলেছে, তখন তো নির্বাসিত ছিল না।” কিন্তু যাঁদের বয়সভিত্তিক পর্যায়ে খেলাটাই বেআইনি, তাঁদের কেন সেখানে করা পারফরম্যান্সের বিচারে পুরস্কৃত করা হল? উত্তর অধরা। আবার দেখা গেল প্রাক্তন সিএবি সভাপতি অভিষেক ডালমিয়া, প্রাক্তন ক্রিকেটার প্রণব রায়, আম্পায়ার্স কমিটি প্রধান প্রসেনজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়দের পুরস্কার দিতে যতক্ষণে মঞ্চে ডাকা হল, তাঁরা কেউই প্রেক্ষাগৃহে নেই।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.