Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ১২ জুন ২০২৬
Ashes 2025-26

‘শান্তিতে ঘুমাও…’, বাজবল নিয়ে ট্রোলের বন্যা অজি মিডিয়া থেকে সোশাল মিডিয়ায়

মাত্র ১১ দিনের ক্রিকেটেই অ্যাশেজ জয় করেছে অস্ট্রেলিয়া।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ২২, ২০২৫, ১৪:০৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ২২, ২০২৫, ১৪:০৩

options
link
‘শান্তিতে ঘুমাও…’, বাজবল নিয়ে ট্রোলের বন্যা অজি মিডিয়া থেকে সোশাল মিডিয়ায় zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বাজবল বাঁচাতে পারেনি ইংল্যান্ডকে। মাত্র ১১ দিনের ক্রিকেটেই অ্যাশেজ (Ashes 2025-26) জয় করেছে অস্ট্রেলিয়া। এমন দুরবস্থার পর অস্ট্রেলিয়া মিডিয়া থেকে শুরু করে সোশাল মিডিয়া, সর্বত্র বেন স্টোকসের দলকে নিয়ে রীতিমতো মশকরা চলছে। সেখানে লেখা হয়েছে, ‘শান্তিতে ঘুমাও বাজবল’।

১৮৮২ সালের ২৯ আগস্ট। ওভালে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে অস্ট্রেলিয়ার প্রথম টেস্ট জয়ের পর, এক ব্রিটিশ সংবাদপত্রে বিদ্রূপ করে লেখা হয়, ‘ইংলিশ ক্রিকেটের দেহ দাহ করা হবে এবং ছাই অস্ট্রেলিয়ায় নিয়ে যাওয়া হবে’। এই লাইনটাতেই লুকিয়ে অ্যাশেজের জন্ম ইতিহাস। লন্ডনের তরুণ সাংবাদিক রেজিনাল্ড শার্লি ব্রুকস স্পোর্টিং টাইমস-এ ব্যঙ্গ করে লিখেছিলেন ইংল্যান্ড ক্রিকেটের এমন ‘অবিচুয়ারি’। তখন থেকেই সিরিজের প্রতীক হয়ে ওঠে ছাইভরা কলসির ছবি।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

এবার অজি মিডিয়া ‘দ্য ওয়েস্ট স্পোর্ট’ লিখেছে, ‘বাজবলের স্নেহময় স্মৃতি। যা ২০২৫ সালের ২১ ডিসেম্বর অ্যাডিলেড ওভালে প্রয়াত হয়েছে। ব্রেন্ডন ম্যাকালাম এবং বেন স্টোকস গভীরভাবে শোক প্রকাশ করেছেন। মাত্র তিনটি ম্যাচ এবং ১১ দিনের ক্রিকেটে অ্যাশেজ জয়ের জন্য অস্ট্রেলিয়ার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।’ এ তো গেল মিডিয়ার কথা। সোশাল মিডিয়াতেও ছড়িয়ে পড়েছে অসংখ্য মিম। এর মধ্য অন্যতম হল, বাজবলের সমাধির পাশে হাসছেন অস্ট্রেলিয়ার সিরিজ জয়ের দুই কাণ্ডারি ট্রাভিস হেড এবং মিচেল স্টার্ক।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

ইংল্যান্ডের বাজবল পদ্ধতি যে একেবারেই যে ভোঁতা হয়ে গিয়েছে, সে কথা বলাই বাহুল্য। অ্যাডিলেডে তৃতীয় টেস্টের প্রথম ইনিংসে অ্যালেক্স ক্যারির সেঞ্চুরির সুবাদে ৩৭১ রান তোলে অস্ট্রেলিয়া। জবাবে প্রথম ইনিংসে ২৮৬ রানে অলআউট হয়ে যায় ইংল্যান্ড। বেন স্টোকস ৮৩ রানের ইনিংস খেলে ইংল্যান্ডকে অস্ট্রেলিয়ার কাছাকাছি নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। দ্বিতীয় ইনিংস অজিরা শুরু করে ৮৫ রানের লিড নিয়ে। ট্রাভিস হেডের নজির গড়া সেঞ্চুরির সৌজন্যে দ্বিতীয় ইনিংসে অস্ট্রেলিয়া তোলে ৩৪৯ রান। লিড দাঁড়ায় ৪৩৪ রানের। সেই অসাধ্যসাধনের চেষ্টায় ইংল্যান্ড থামে ৩৫২ রানে।

ইতিহাস বলছে, ১৮৮৩ সালে অস্ট্রেলিয়া সফরে গিয়েছিল ইংল্যান্ড। সেই সময় ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম লেখে, অ্যাশেজ ফিরিয়ে আনতে যাচ্ছে আইভো ব্লাইয়ের দল। হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের পর সেই সিরিজ ২-১ ব্যবধানে জিতেছিল ইংল্যান্ড। কথিত আছে, তখন নাকি মেলবোর্নের কয়েকজন মহিলা সমর্থক ওই ম্যাচের স্টাম্পের একটি বেল পুড়িয়ে ভস্মাধারে ভরে উপহার দিয়েছিলেন ইংরেজ অধিনায়ক আইভো। তবে সেটা আদৌ বেল পোড়ানোর ছাই ছিল কি না, তা নিয়ে সংশয় রয়েছে। প্রশ্ন হল, ১৪২ বছর আগে যেভাবে জবাব দিয়েছিল ইংল্যান্ড, তা কি পারবে বেন স্টোকসের দল? সময়ই এর উত্তর দেবে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.