Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ২০ আগস্ট ২০২৬
CAB

মদনের পর সিএবি’তে ফের বয়স ভাঁড়ানো! ভাইস প্রেসিডেন্ট নীতীশরঞ্জনের বিরুদ্ধে তদন্তের দাবি

বয়স বিতর্কে বোর্ড প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে আদালত তদন্তের নির্দেশিকা দেওয়ার পর ময়দান ফের বলতে শুরু করেছে, কেন একই কাজ তাহলে নীতীশের বিরুদ্ধে হবে না?

স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: আগস্ট ২০, ২০২৬, ১১:৪১

link
স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: আগস্ট ২০, ২০২৬, ১১:৪১

options
link
মদনের পর সিএবি’তে ফের বয়স ভাঁড়ানো! ভাইস প্রেসিডেন্ট নীতীশরঞ্জনের বিরুদ্ধে তদন্তের দাবি zoom
ইডেন গার্ডেন্স। ফাইল ছবি
Advertisement

বয়স-বিতর্কে ভারতীয় বোর্ড প্রেসিডেন্ট মিঠুন মানহাসের বিরুদ্ধে আদালতের প্রাথমিক তদন্তের নির্দেশিকা প্রদান। কিন্তু তার প্রভাব পাকেচক্রে এসে পড়ল সিএবি-তে। সম্প্রতি জম্মু-কাশ্মীর ক্রিকেট সংস্থার প্রাক্তন যুগ্ম সচিব সুদর্শন মেহতা বর্তমান ভারতীয় বোর্ড প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে বয়স নিয়ে কারচুপির অভিযোগ দায়ের করেছিলেন। দেখতে গেলে, বোর্ড প্রেসিডেন্টের বয়স-বিতর্কের সঙ্গে সিএবি-র সরাসরি কোনও সম্পর্ক নেই। আবার আছেও। কারণ, বর্তমান সিএবি প্রশাসনেই এমন একজন পদাধিকারী রয়েছেন, যাঁর দু’রকম জন্মনথি থাকার অভিযোগ উঠেছে সাম্প্রতিক অতীতে। তিনি-সিএবির ভাইস প্রেসিডেন্ট নীতীশরঞ্জন দত্ত।

আগে পুরো বিষয়টা বলা যাক। অভিযোগে বলা হয়েছিল, জাতীয় পর্যায়ের জুনিয়র স্তরে খেলার সময় বয়স নিয়ে নাকি ‘কারচুপি’ করেছিলেন মিঠুন। সুদর্শন মেহতার অভিযোগ অনুযায়ী, সাব-জুনিয়র বা জুনিয়র পর্যায়ে খেলার সময় মিঠুন নাকি দু’রকম জন্মতারিখ প্রদান করেছিলেন। জম্মুর যে স্কুলে পড়তেন মিঠুন, সেখানে তাঁর জন্মতারিখ নথিভুক্ত রয়েছে ৯ ডিসেম্বর, ১৯৭৭। কিন্তু দিল্লি ক্রিকেট সংস্থার সরকারি ওয়েবসাইটে মিঠুনের জন্মতারিখ লেখা রয়েছে, ১২ অক্টোবর, ১৯৭৯। যে অভিযোগ দায়েরের পর জম্মুর স্পেশাল রেলওয়ে ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের তরফে পুলিশকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, পুরো বিষয়টা নিয়ে তদন্ত করে দেখার জন্য। বলা হয়েছে, আগামী ৩ সেপ্টেম্বরের মধ্যে রিপোর্ট জমা করতে।

Advertisement

মাস কয়েক আগে সিএবি ভাইস প্রেসিডেন্টের বয়স নিয়ে বিস্তর লেখা হয়েছিল ‘সংবাদ প্রতিদিন’-এ। লেখা হয়েছিল যে, এসআইআর তালিকায় নীতীশরঞ্জনের বয়স লেখা রয়েছে সত্তর। আবার তাঁর প্যান কার্ডে জন্মসাল লেখা রয়েছে ১৯৫৭। অর্থাৎ, প্যান কার্ড বিচারে সিএবি ভাইস প্রেসিডেন্টের বয়স ৬৯। অর্থাৎ, একই লোকের দু’রকম বয়স। বলে রাখা ভালো, দু’টোরই তথ্যপ্রমাণ রয়েছে ‘সংবাদ প্রতিদিন’-এর হাতে। কিন্তু সেই সময় প্রবল হইচই হওয়া সত্ত্বেও নীতীশরঞ্জনের প্রকৃত বয়স কোনটা, তা খুঁজে দেখতে ‘সচেষ্ট’ হয়নি সিএবি-র শাসকগোষ্ঠী। স্বয়ং নীতীশও বারবার বলে গিয়েছিলেন, তাঁর নাকি একটাই বয়স। অথচ সিএবি ভাইস প্রেসিডেন্টের বয়স সত্তর হয়ে গেলে, লোধা আইন অনুযায়ী, সংস্থার বিদায়ী যুগ্ম সচিব মদন ঘোষের মতো তিনিও পদে থাকতে পারেন না।

সময়ের সঙ্গে নীতীশরঞ্জনের বিষয়টা মাঝে থিতিয়ে গিয়েছিল। কিন্তু বয়স বিতর্কে বোর্ড প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে আদালত তদন্তের নির্দেশিকা দেওয়ার পর ময়দান ফের বলতে শুরু করেছে, কেন একই কাজ তাহলে নীতীশের বিরুদ্ধে হবে না? কেন তাঁর সঠিক বয়স কোনটা জানতে তদন্ত হবে না? শুধু স্থানীয় ক্রিকেটমহল নয়। সিএবি-র শাসকগোষ্ঠীর একাংশেও ক্ষোভ পুঞ্জীভূত হচ্ছে নীতীশরঞ্জনকে নিয়ে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্তা বলে দিলেন, “বোর্ড প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে তাঁর ক্রিকেটকে কেন্দ্র করে বয়স-বিতর্ক বেঁধেছে। অনুদার (নীতীশরঞ্জনকে যে নামে চেনে ময়দান) ব্যাপারটা ক্রিকেট প্রশাসন কেন্দ্রিক। কিন্তু দু’টো ক্ষেত্রেই দু’রকম জন্মনথি থাকার অভিযোগ উঠেছে। বোর্ড প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে যদি তদন্ত হয়, তা হলে অনুদার ক্ষেত্রেও বা হবে না কেন?”

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.