সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: আগামী বছরের ফেব্রুয়ারি-মার্চে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। গতবারের চ্যাম্পিয়ন ভারত দেশের মাটিতে শিরোপা দখলে রাখার লড়াইয়ে নামবে। কিন্তু কোথায় দেখা যাবে সেই ম্যাচ? তা নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছে। কারণ আইসিসি’র সঙ্গে চুক্তি ছিন্ন করতে চাইছে সম্প্রকারচারী সংস্থা জিওহটস্টার। বিরাট আর্থিক ক্ষতিকে তারা যুক্তি হিসেবে দেখাচ্ছে।
২০২৪ থেকে ২০২৭ পর্যন্ত জিওহটস্টারের সঙ্গে আইসিসি’র চুক্তি আছে। যার মূল্য ৩ বিলিয়ন ডলার, অর্থাৎ ভারতীয় মুদ্রায় ২ লক্ষ ৭০ হাজার কোটি টাকারও বেশি। এখনও চুক্তির দুই বছরের বেশি সময় বাকি। শর্ত ছিল, প্রতি বছর অন্তত একটি বড় টুর্নামেন্ট আয়োজন করতেই হবে। তবে জানা গিয়েছে, ২০২৩-২৪ অর্থবর্ষে জিওহটস্টারের ১২,৩১৯ কোটি টাকা ক্ষতি হয়েছিল। কিন্তু ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে সেটার পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় দ্বিগুণ অর্থাৎ ২৫,৭৬০ কোটি টাকা।
এই পরিস্থিতিতে বিশ্বকাপের আগেই জিওহটস্টার চুক্তি ছিন্ন করতে চায়। অন্যদিকে নড়েচড়ে বসেছে আইসিসিও। অবস্থা বিবেচনা করে আইসিসি ২০২৬-২৯, এই তিন বছরের জন্য চুক্তির মূল্য কমিয়ে করেছে ২.৪ বিলিয়ন, অর্থাৎ ভারতীয় মুদ্রায় ২ লক্ষ ১৬ হাজার কোটি টাকা। কিন্তু সমস্যা হল, কোনও সংস্থাই সেভাবে আগ্রহ দেখাচ্ছে না। জানা গিয়েছে আইসিসি ইতিমধ্যে সোনি পিকচারস, নেটফ্লিক্স ও অ্যামাজন প্রাইমকে আগামী দুই বছরের স্বত্বের জন্য যোগাযোগ করছে। কিন্তু তাতে খুব একটা লাভের লাভ হচ্ছে না।
কারণ বিদেশের মাটিতে ভারতের খেলার স্বত্ব সোনির কাছে থাকে। তাতে তারা বিশেষ লাভবান হয় না বলেই জানা গিয়েছে। নেটফ্লিক্স সেভাবে খেলাধুলোর সঙ্গে যুক্ত নয়, তাঁদের কাছে জায়গাটা নতুন। তাছাড়া সম্প্রতি ওয়ার্নার্স ব্রাদার্স কিনে নেওয়ার পর তারা কতটা আগ্রহী হবে, সেটা একটা প্রশ্ন। কিন্তু জিওহটস্টারের ক্ষতি কীভাবে দ্বিগুণ হল? মনে করা হচ্ছে অনলাইন গেমিং সংস্থাগুলোকে নিষিদ্ধ করে দেওয়ায় তাদের বিজ্ঞাপনে ঘাটতি হয়েছে।
সর্বশেষ খবর
-
তৃণমূলের ‘টার্গেটে’ বিজেপি নেতা! বাড়িতে বোমাবাজি, রেখে গেল সাদা থান-হুমকি চিঠি
-
অযোধ্যায় আঁশটে গন্ধে রুষ্ট বিজেপি! কংগ্রেসের অনুষ্ঠানে মৎস্যভোজ? পালটা দিল রাহুলের দল
-
জঙ্গি হামলা রুখতে কালীঘাটে বিশেষ নজর, এবার শক্তিপীঠ ঘিরে ফেলল এনএসজি!
-
পূরণ হয় সন্তানলাভের ইচ্ছে, এই মন্দিরে শায়িত বিষ্ণু মূর্তিতে সঠিক রীতিতে পুজো দিলেই মেলে ফল
-
জাতীয় সঙ্গীত শুনেই ক্যামেরা নামানোর নির্দেশ, ভূমির আচরণে মুগ্ধ খোদ পাপারাজ্জিরাই