Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ১১ আগস্ট ২০২৬
CAB

আধার কার্ড নিয়ে ‘আঁধারে’ বঙ্গ ক্রিকেট! কোপ পড়ল বাংলা দলের দুই স্পিনারের উপর

বোর্ড এবার আধার কার্ড ‘আপেডট হিস্ট্রি’ খুঁটিয়ে তল্লাশি করতে বলে দিয়েছে। যা থেকে বেরিয়ে আসবে, নির্দিষ্ট প্লেয়ারের জন্ম কোথায়? কোন সালে?

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১১, ২০২৬, ১৯:৩৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১১, ২০২৬, ১৯:৩৭

options
link
আধার কার্ড নিয়ে ‘আঁধারে’ বঙ্গ ক্রিকেট! কোপ পড়ল বাংলা দলের দুই স্পিনারের উপর zoom
ফাইল ছবি।
Advertisement

আধার কার্ড নিয়ে ক্রমেই ‘আঁধার’ বাড়ছে বঙ্গ ক্রিকেটে। ঘরোয়া ক্রিকেটে বয়স এবং ঠিকানা সংক্রান্ত কারচুপি রুখতে এবার থেকে আরও কড়া হয়েছে বিসিসিআই। যার ফলে বিশেষভাবে দেখা হচ্ছে প্রত্যেক ক্রিকেটারের আধার কার্ডের ‘আপডেট হিস্ট্রি’। ফলে আগের মতো শুধু আধার কার্ড দেখিয়েই পার পাওয়া যাচ্ছে না। আর এমন নিয়মে ‘ঝঞ্ঝাট’ বেড়েছে বঙ্গ ক্রিকেটে।

এতদিন আধার কার্ডকে প্রামাণ্য নথি হিসেবে দেখিয়ে ‘বহিরাগত’ ক্রিকেটারদের বাংলায় খেলানোর যে প্রবণতা ছিল, তা এক ধাক্কায় বন্ধ হতে বসেছে। এর আগেই জানা গিয়েছিল, ভারতীয় দলের দুই ক্রিকেটার-অনূর্ধ্ব ২৩ দলের পেসার রবি কুমার ও অনূর্ধ্ব ১৯ দলের স্পিনার রোহিত যাদবের আধার কার্ডের আপডেট হিস্ট্রি নিয়ে বিতর্ক রয়েছে। এবার তাতে যুক্ত হল গত মরশুমে সিনিয়র দলে খেলা আরও দুই স্পিনার রাহুল প্রসাদ এবং বিশাল ভাটির নামও। বাংলার বয়সভিত্তিক দল থেকে উঠে সিনিয়র স্কোয়াডের নিয়মিত সদস্য হয়ে উঠেছিলেন দু’জন। কিন্তু আসন্ন মরশুমে তাঁরা আদৌ বাংলার হয়ে খেলতে পারবেন কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। যার ফলে রবি-রোহিতের মতো রাহুল-বিশালকেও বোলারদের নিয়ে হতে চলা ভিশনের ক্যাম্পে ডাকল না সিএবি।

Advertisement

উৎপল চট্টোপাধ্যায় ও অশোক দিন্দার কোচিংয়ে শুরু হতে চলেছে ‘ভিশন ২০২৮’। শুক্রবার তার জন্য সিনিয়রের পাশাপাশি তিনটি বয়সভিত্তিক দলের বোলারদের ক্যাম্পে ডাকার কথা ঘোষণা করেছে সিএবি। কিন্তু কোনও তালিকাতে নাম নেই রাহুল-বিশালের। জানা গেল, নেপথ্যে রয়েছে আধার কার্ড সংক্রান্ত জটিলতা। যা মেনে নিয়েছেন দু’জনই। রাহুলের কথায়, “আমার জন্মসাল ভুল ছিল। সেই সংক্রান্ত নথিও আমার কাছে আছে। সেটাই আপডেট করেছি। সিএবি থেকে যা যা নথি চেয়েছি, সব দিয়েছি।” অন্যদিকে, একবার ঠিকানা আপডেট করেছেন বলে দাবি বিশালের।

উল্লেখ্য, এত দিন নাম নথিভুক্ত করার আগে প্লেয়ারদের কাছ থেকে সাধারণ কিছু নথি চাওয়া হত। যেমন প্লেয়ারের ডিজিটাল বার্থ সার্টিফিকেট। প্লেয়ারের বাবা বা মা, যে কোনও একজনের ভোটার কার্ড। স্থানীয় আধার কার্ড। আর স্কুলের একটা নথি। কিন্তু বোর্ড এবার আধার কার্ড ‘আপেডট হিস্ট্রি’ খুঁটিয়ে তল্লাশি করতে বলে দিয়েছে। যা থেকে বেরিয়ে আসবে, নির্দিষ্ট প্লেয়ারের জন্ম কোথায়? কোন সালে? যে বয়স সে জমা করছে, তা আদৌ সত্যি কি না? ত্রুটিমুক্ত কি না? এবং সেখানেই বেঁধেছে গণ্ডগোল।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.