Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৬ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ১২ আগস্ট ২০২৬
Vikram

বিলুপ্তপ্রায় লার গিবন পোষ্য! রিলস পোস্ট করতেই বিতর্কে বিক্রম, পড়তে পারেন আইনি জটিলতায়

ভিডিওটি প্রকাশ্যে আসার পর বহু অনুরাগী তা 'লাইক' করলেও সেই সঙ্গেই প্রশ্ন উঠতে থাকে, এই প্রাণী চেন্নাইয়ে এল কীভাবে!

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১২, ২০২৬, ১০:২৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১২, ২০২৬, ১০:২৮

options
link
বিলুপ্তপ্রায় লার গিবন পোষ্য! রিলস পোস্ট করতেই বিতর্কে বিক্রম, পড়তে পারেন আইনি জটিলতায় zoom
ছবি: অভিনেতার সোশাল মিডিয়া থেকে।
Advertisement

লার গিবন। বিলুপ্তপ্রায় প্রাণী। তাকে নিয়েই রিলস বানিয়ে বিতর্কে অভিনেতা বিক্রম। ভিডিওটি প্রকাশ্যে আসার পর বহু অনুরাগী তা ‘লাইক’ করলেও সেই সঙ্গেই প্রশ্ন উঠতে থাকে, এই প্রাণী চেন্নাইয়ে এল কীভাবে! এমনকী, এভাবে ব্যক্তিগত পোষ্য হিসেবে তাকে রাখার ক্ষেত্রেও আলাদা করে অনুমতি কি নিয়েছেন অভিনেতা, এই প্রশ্নও উঠে পড়ে। বিষয়টি নজর এড়ায়নি চেন্নাই বন দপ্তরের। ইতিমধ্যেই তাঁর থেকে মালিকানার শংসাপত্র চেয়ে পাঠানো হয়েছে। মনে করা হচ্ছে, প্রয়োজনীয় নথি দেখাতে না পারলে বড়সড় আইনি জটিলতায় পড়তে পারেন দক্ষিণী সুপারস্টার।

সূত্রানুসারে, ‘লার গিবন’গুলির উৎস ইরোড। তারও আগে এরা মণিপুরের সঙ্গে সম্পর্কিত। নথিপত্র অনুযায়ী, মণিপুরের লাইখুরাম সিং ২০২০ সালে ‘পরিবেশ ১’ পোর্টালের মাধ্যমে আটটি লার গিবনের (চারটি পুরুষ ও চারটি স্ত্রী) কথা ঘোষণা করেছিলেন। নথিতে এগুলোর উৎপত্তিস্থল হিসেবে মালয়েশিয়ার উল্লেখ রয়েছে। ‘লিভিং অ্যানিমেল স্পিসিস (রিপোর্টিং অ্যান্ড রেজিস্ট্রেশন) রুলস, ২০২৪’-এর অধীনে একটি ‘ফর্ম ১’-এ তিনটি ‘লার গিবন’ (একটি পুরুষ ও দুটি স্ত্রী) লাইখুরামের কাছ থেকে দত্তক নেওয়ার জন্য ইরোডের পেরুনদুরাই-নিবাসী এস.কে. কেশবনাথনের কাছে হস্তান্তরের বিষয়টি নথিভুক্ত করা হয়েছে। ইরোডের জেলা বন আধিকারিক কে.ভি. আপ্পালা নাইডু জানিয়েছেন যে, ওই চত্বরে একটি পুরুষ ও একটি স্ত্রী গিবন পাওয়া গিয়েছে। কেশবনাথন জানিয়েছেন, তিনি তিনটি গিবনের মালিকানা বা তত্ত্বাবধানের জন্য আবেদন করেছিলেন, কিন্তু একটি প্রাণী আগেই মারা গিয়েছিল। তিনি বলেন, “প্রাণীটি সত্যিই মারা গিয়েছে নাকি কোনও নথিবদ্ধ না করেই সেটিকে অন্যত্র সরিয়ে ফেলা হয়েছে, তা আমাদের যাচাই করে দেখতে হবে।” প্রশ্ন উঠছে, ওই প্রাণীটিকেই কি দত্তক নিয়েছেন বিক্রম? এখনও পর্যন্ত এই বিষয়ে মুখে কুলুপ অভিনেতার। যা আরও বেশি করে বিতর্ক উসকে দিচ্ছে। 

Advertisement

এদিকে বন্যপ্রাণ কর্মী অ্যান্টনি ক্লিমেন্ট রুবিন জানাচ্ছেন, নরবানরজাতীয় প্রাণীদের পোষ্য হিসেবে রাখার ফলে ছড়াতে পারে রোগও। বাড়তে পারে সংক্রণের ঝুঁকি। তাছাড়া বিক্রমের তো অভিনেতার এমন প্রাণী পোষার ফলে এর চাহিদা বাড়তে পারে। ফলে অবৈধ বন্যপ্রাণী পাচার চক্রের কাছে এদের বিপন্নতা আরও বাড়ার আশঙ্কাকে উপেক্ষা করা যায় না। 

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.