সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: দিল্লির আকাশ ঢেকেছে ধোঁয়াশায়। দীপাবলির উদযাপনের পর দূষণের নিরিখে গতবারের রেকর্ড ভেঙে ভারি হয়ে উঠেছে দিল্লির বাতাস। দীপাবলির রাত পেরোতেই সোমবার সকাল থেকেই দিল্লির আকাশের রীতিমতো মুখ ভার। রাজধানীর বাতাসের গুণগত মান ৪৫১তে পৌঁছে গিয়েছে। রাজধানীর আকাশের এমন বেহাল অবস্থা দেখে সোশাল মিডিয়ায় এই নিয়ে পোস্ট করলেন অভিনেত্রী বাণী কাপুর।
এদিন নিজের ইনস্টাগ্রামের স্টোরিতে একটি পোস্ট করে অভিনেত্রী লেখেন, ‘সকালে ঘুম থেকে জাগলাম দিল্লির দূষিত বাতাসে নিঃশ্বাস নিয়ে। দিল্লির একিউআই ৪৪৭ ছুঁয়েছে আজ। আশা করি সামনের বছর থেকে আমরা পরিবেশের স্বাস্থ্য নষ্ট না করে, শ্বাস নেওয়ার বাতাসে দূষণ না ছড়িয়ে উৎসবে মেতে উঠব।’ এর আগে সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে অভিনেত্রী জানিয়েছিলেন তাঁর এই বছরের দীপাবলির প্ল্যান। অভিনেত্রী বলেছিলেন, ‘আমি এইবছর খুব সাধারণভাবে আমার দীপাবলি উদযাপন করার প্ল্যান করেছি। বাড়ির খাবার খেয়ে, প্রিয়জনদের সঙ্গে সময় কাটিয়ে একটা উষ্ণ মুহূর্ত কাটানোর পরিকল্পনা রয়েছে। প্রদীপ জ্বালিয়ে এবং যাঁরা সেভাবে উৎসবটা উদযাপনের সুযোগ পান না তাঁদের সঙ্গে মিষ্টিমুখ সেরে দীপাবলি কাটাব।’ সাদামাটাভাবে নিজে দীপাবলি কাটানোর পরিকল্পনা নিয়ে পরিবেশের প্রতি একপ্রকার দায়বদ্ধতা পালন করেছেন বাণী। সেখানে পরিবেশের এমন ক্ষতি তিনি যে মেনে নিতে পারছেন না তা তাঁর কথাতেই স্পষ্ট।

উল্লেখ্য, রাজধানীর বাতাসের গুণমান ‘খুব খারাপ’ হতেই জিআরএপি-২ চালু করেছে ‘কমিশন ফর এয়ার কোয়ালিটি ম্যানেজমেন্ট’ (সিএকিউএম)। জিআরএপি হল ‘গ্রেডেড রেসপন্স অ্যাকশন প্ল্যান’ অর্থাৎ দূষণ নিয়ন্ত্রণে ব্যবস্থা গ্রহণ। জিআরএপি-২ কার্যকর থাকাকালীন রাস্তায় জল ছেটানো হয়ে থাকে। জেনারেটরের ব্যবহার কমাতে বিদ্যুতের জোগান বৃদ্ধি করা হয়। নাগরিকদের নিজের গাড়ির ব্যবহার কমাতে পার্কিংয়ের ভাড়া বৃদ্ধি করা হয় ইত্য়াদি। যদিও পরিবেশবিদরা প্রশ্ন তুলছেন, সবুজ বাজিতে কীভাবে এতখানি দূষণ হতে পারে? আদৌ কি রাজধানীবাসী শীর্ষ আদালতের নির্দেশ মান্য করেছে?
সর্বশেষ খবর
-
‘আঁধার করে আসে’… বিকেলেই নামল রাত, কলকাতাজুড়ে প্রবল বৃষ্টিপাত
-
বাংলার খেলাকে ধ্বংস করেছেন অরূপ! ময়দানকে স্বজনপোষণমুক্ত করার অঙ্গীকার নয়া ক্রীড়ামন্ত্রীর
-
অরূপ-স্বরূপের ফ্ল্যাটে পাপের সুরক্ষিত আড়াল! গোপন ঘরে পাপের ধুলো
-
মৃতের পরিবারকে দেওয়া আর্থিক সাহায্যেও কাটমানি! গ্রেপ্তার তৃণমূল পঞ্চায়েত প্রধান
-
ক্ষোভের আগুনে জন্ম, সরকার বিরোধী আন্দোলনে ‘আরশোলা’